Posts

Showing posts from January, 2020

739>|| সত্য এটাই ||

   739>|| সত্য এটাই ||                 <---©--আদ্য নাথ---> আমার আমার করে ভাবনা, আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার কামনা। জানি হবেনা এ আশা পূর্ন। ডাক তো আসবে নিশ্চই যেতেও হবে একলাই। শুধু অপেক্ষার দিন গোনা। যেদিন আসবে ডাক, চলে যেতে হবে হঠাৎ। মুহূর্ত আগেও যাবেনা জানা, যাবেনা শোনা। চলে যেতে হবে হঠাৎ। তবুও আছে মনে কত লোভ কত ভাবনা। জানি কিছুই যাবেনা সাথে, তবুও সঞ্চয়ে পূর্ন মন থাকে। এভবের খেলা বোঝে কেবল ভোলা, তাঁর ইচ্ছাতেই করি খেলা। যতই নাচা নাচি করি ভবে,  সুতটি তাঁর হাতেই থেকে। যেমন নাচাবে তেমন নামবো, সবই ভোলার খেলা। সদা সতর্ক নন্দী ভৃঙ্গি আছে সেথায়, ডাইনে বাঁয়ে পালাবার উপায় কোথায়। গাঁজায় দিয়ে দম, মারবে যেদিন হেচকা টান। সেদিন হব চিৎপটাং  ভব লীলা হবে সাঙ্গ। ঘুচে যাবে সব আমার আমার ভাবনা। সঙ্গে যাবেনা কোন  সাঙ্গ পাঙ্গ। ভোলার ইচ্ছা হলে চারজন কাঁধে নেবে, শ্মশানে নিয়ে পুড়িয়ে দেবে অস্তি চর্ম। ঘুচে যাবে ল্যাঠা পালাবে সব ব্যাটা। তার পরেই শুরু হবে যোম রাজের হম্বি তম্ভী, চিত্রগুপ্ত খুলে বসবে খাতা। জানবেনা ...

738>||- বিচিত্র এই জীবন -||

        738>||- বিচিত্র এই জীবন -||                <----©--আদ্য নাথ---> এই জীবন চরিত্র বড়ই বিচিত্র। অদ্ভুত বিস্ময়কর জীবন, শুরুর আগেই জানান দেয়, শেষের এক মুহূর্ত আগেও নয়। বুজতে নাদিয়েই জীবন ফুরিয়ে যায়, অজানা অন্ধকারে রেখে দেয়। বহু তপস্যায় প্রাপ্ত জিবন, সকল চাহিদা হয় না পূরণ। জীবনে দিনরাত শুধুই লাভের চিন্তা, নাম, যশ,অর্থের নানান প্রচেষ্টা। জীবন তো অনেক করে বারণ, আমরা মানিনা অহঙ্কারের কারণ। তাই জীবনের চাহিদা না হলে পূরণ, বাড়ে দুঃখ,লোভ লালসার কারন। জীবন তো অনেক বলে, আমরা শুনিনা তারে। বিপথকে আনন্দ মনে করে, দৌড়ে বেড়াই আশার ছলনে ভুলে। অসফল হলে বা কিছু হারালে জীবনকে দোষারূপ করি বাড়ে বাড়ে। জীবন তো দেয় অনেক কে মনে রাখে তারে। কি পাইনি কি হারালাম সেই হিসাবেই জীবন ভর। হিংসা দ্বেষ লোভ লালসা দিন দিন বেড়েচলা হতাশা। বাড়ন্ত লোভে আশার ছলনে, ঘুরে মরি ভূমন্ডলে। একে একে বিপদ যখন ঘিরে ধরে, তখন ঈশ্বর কে ডাকি ত্রাণের কারনে। সুখের সময় চিন্তা করিনা তাঁরে, দুঃখের সময় ডাকি স্বার্থ চিন্তা করে। সুখের সময় ঈশ...

737>|| সময় ||

   737>|| সময়  ||          <----©--আদ্য নাথ---> তুমি কাউকে ভালো বাসছ, সে যদি তোমাকে না চায় বা ভালো না বসে, তার থেকে দুঃখের আর কি হয়! কার কিসে সুখ, কিসে দুঃখ, এটাই বোঝা দায়। সুখ তো সকলেই চায় দুঃখ কে নিতে চায় বল। সকল সুখ দুঃখ একজনই দেয়। সকলকে দিয়ে সকল সুখ, নিয়েনেয় সকলের দুঃখ। তিনি ঈশ্বর তিনিই ভগবান, ওনার না কমে মান না হয় অপমান, তাই তিনি সর্বশক্তি মান। তিনি ঈশ্বর তিনি ভগবান। দুঃখের কালেই চিন্তা করি তাঁর, সুখের কালে ভুলে যাই আবার। তিনি কোথাও নাই, তবুও সর্বত্র তাঁর ঠাই। তিনি আছেন সকল মানুষের অন্তরে, এই সত্য আমরা জানি সকলে। তাকে জানতে গেলে করতে হবে দুই বেলা ধ্যান অন্তর দর্শনে।  যে সত্যকে জানে সে আকাশে সর্বদাই চন্দ্র সূর্য কে দেখে, যে অর্ধ সত্য জানে সে রাতকে অন্ধকার ভাবে, অমাবস্যাতে চাঁদের অন্ধকার পিঠ দেখে। আসলে কিন্তু চন্ড, সূর্য্য সর্বদাই থাকে, দেখতে না পাওয়া শুধু সময়ের প্রভাবে। সবই সময় চক্রের খেলা। দিনের পরে রাত, রাতের পরে দিন। এই তো প্রকৃতির রাত দিন। সুখ দুঃখও ভাবনার অধীন। সুখও নাই দুঃখও নাই, ...

736> || নবযৌবন ||

       736> ||  নবযৌবন ||                       <---©--আদ্য নাথ--> যেদিন প্রথম শুরু যৌবনের শিহরন, মনে প্রাণে জাগে ভীষণ আলোড়ন। প্রথম যৌবনের সুমিষ্ট গন্ধের অনুভব, আগুনের পরশমণি হৃদয়ে অনুক্ষণ। শরৎপূর্ণিমার প্রভাতের রবির কিরণ, শিরশির করা মিষ্টি শীতের আবরণ। বাতাসে আবিরের গন্ধে মাতাল মন, লালায়িত স্বপ্ন খোঁজে তৃষ্ণার্ত নয়ন। যৌবন যেন ছুটে যেতে চায় ভেঙে আগল, পাগল প্রায় যৌবন মন, চায় কিছু বদল। অকস্মাৎ প্রেয়সীর স্পর্শ স্বপ্নের ঘোর, উন্মাদ যৌবনমন ক্ষণিক রঙিন বিভোর। উত্তপ্ততরল লাভার উদ্গার সর্বাঙ্গে জ্বালা, ছিন্ন পরিধি গিরিখাদ বেয়ে  তরল তপ্ত লাভা। আগ্নেয় গিরির অন্ত্রের জ্বালা সিন্ধু তলে, পরিধি সীমাহীন,সিন্ধুঊর্মির তালে তালে। প্রেমে ভাসমান নবযৌবনের মোহমুগ্ধ পাশে, আপ্লুত হৃদয়, ব্যাকুল ভ্রমর পুষ্প গন্ধ লোভে। দিবা রাত্র কত রঙিন স্বপ্নের  বাসনা, মন উরতে চায় দিগন্তে স্বপ্নপুরী অজানা। পুষ্প বীথি মাঝে মধুকর মধু অন্বেষণে, ফুলে ফুলে উড়ে চলে আনন্দিত মনে। দিনশেষে রঙিন ফুল  বিশীর্ণ আপ...

735> || উপহার নয় সংস্কার ||

 735> || উপহার নয় সংস্কার  ||                       <----©--আদ্য নাথ---> ফুল গাছ গুলি বাগানে, ফুল ফুটবে সময়ে সঠিক যত্নে। সুন্দর ছোট্ট তরুগুলি বাঁচিয়েরাখতে, দিতে হবে  জল,আলো,বাতাস স্বাচ্ছন্দে। বৃক্ষের পরিচয় তার ফলে, ফুলের পরিচয় তার গন্ধে। ফুলের সাথে ফুলের তুলনা, নিশ্চিৎ ব্যর্থ ভাবনা। প্রতিটি ফুল নিজের মতন, কেউ হয়না অন্যের মতন। এক শিশুর সাথে অন্যে শিশুর তুলনা শিশু মনে তৈরি হয় যাতনা। শিশুর শিক্ষা শুরু তার ঘরে, সে সর্বদা পিতা মাতাকে অনুসরণ করে। শিশুর প্রয়োজন উপযুক্ত পথের দিশা, শিশু মনে হিংসা, সর্বদা সর্বনাশা। বাড়ুক শিশু মাঠে, ঘাটে,প্রকৃতির সাথে, সর্বদা দিতে হবে সঠিক সংস্কার তাকে। ফুলকে কি সাজাতে হয় রঙিন রং দিয়ে, ফুল তো প্রকৃতির দান সে নিজেই সুন্দর, ফুল যেমনি হোক নিজেই সুন্দর, ফুলের সৌন্দর্যে প্রকৃতির শোভা বর্ধন। শিশু কে ভালো বাসতে,মূল্যবান নয় উপহার, তার চাই সচেতন পিতামাতার উপযুক্ত সংস্কার। সংস্কার যা তার ভবিষ্যতের দরকার। সংস্কার বিনা জীবন ও শিক্ষা অন্ধকার। সংস্কারের আলো, বাত...

733> || পরিধি ||--- + ---734>|| নিরালম্ব ||

                733> || পরিধি ||             <---©--আদ্য নাথ---> শিশু কাল, স্কুল জীবন সবুজে সবুজে  ছিল ভরা মহাবিদ্যালয় কখনো দুরন্ত কখনো শান্ত, পিতামাতা,ভাইবোন,সতীর্থ,খেলার সাথি সীমিত, ভ্রমনের নেশায় বেড়েছে পরিধি মন তৃপ্ত। হিমালয়ের শৃঙ্গ হতে আরব সাগরের তলে, কর্ম ক্ষেত্রে হয়ে প্রবুদ্ধ, বিশেষ কর্ম লয়ে। কত দুর্গম,লোকালয় কত জাতি ধর্ম নির্বিশেষ, পরিধি বেড়েছে প্রেম ভালোবাসা দিয়ে নিয়ে। যৌবনে যখন, দিচ্ছে হানা রঙিন মেঘ, ক্রমে বাড়ন্ত যৌবনের শিহরন তেজ। দুরন্ত যৌবনের উদ্যাম উন্মত্ত গতি, পরিধির ছিলনা অন্ত অনিয়ন্ত্রিত গতি। ক্রমে, মনে, প্রাণে, শরীরে, যৌবনের প্রস্ফুরণ, দাবানল সম তীব্র, বাঁধ না মানা আলোড়ন। মনের চাহিদা,নব যৌবনের নানান ছলা কলা, পরিধির চিন্তা মাত্রেই কল্পনার ছলনা। যৌবন যেন ছুটে যেতে চায় ভেঙে আগল, পাগল প্রায় যৌবন মন, চায় বদল। অকস্মাৎ প্রেয়সীর স্পর্শ স্বপ্নের ঘোর, উদার যৌবনমন রঙিন বিভোর। ফুটন্ত গলিত  লাভা,অগ্নি উদ্গার সর্বাঙ্গে জ্বালা। ছিন্ন পরিধি তরল তপ্ত  লাভা গিরিখাদ বে...

732>|| শরীরের নাম মহাশয় ||

732>|| শরীরের নাম মহাশয় ||             <---©--আদ্য নাথ---> শরীরের কি দোষ, শরীরের নাম মহাশয় যাহা সহাইবে তাহাই শয়। চিন্তার কি আছে। যতক্ষন শরীর ধরি, ততক্ষন আছে ব্যাধি। শরীর না রইলে, ব্যাধিও পালাইবে। শরীরে বসিলে ব্যাধি, সজোরে জাপটে ধর তারে, দেও মোক্ষম দাওয়াই তারে, ব্যাধি পালাইবে দূরে। ব্যাধীরে ভুলিয়া, হাস প্রাণ খুলিয়া। খাও ঘুমাও আনন্দে, নাচ যেমন পছন্দে। এই রূপে ব্যাধি পালাইলে, মন আনন্দে ভরিবে। তখন রাধা রাধা বলে, নাচ কৃষ্ণ কে ধরে। কৃষ্ণ হইলে তুষ্ট, শরীর হইবে সুস্থ। হরি বোল হরি বলো, বাজুক জীবনের ঢোল। সুন্দর হোক জীবন খানি। গেয়ে যাও কৃষ্ণ নামের নামাবলি। জীবন আনন্দ ময়, মনের মাঝেই ব্যাধি রয়। ভুলিয়া ব্যাধির জ্বালা, মনে মনে জপ কৃষ্ণের মালা। এ ধরায় এসেছ যখন, সইতে হবে সকল তখন। জীবন তো ক্ষনিকের তরে, হাসি খুশি থাক জীবন ভরে। <--©--●আদ্য নাথ●--->      【--anrc-13/01/2020--】

731>|| গঙ্গাসাগর মেলা ||

  731>|| গঙ্গাসাগর মেলা ||                <---©--আদ্য নাথ---> সকল তীর্থ বার বার, গঙ্গাসাগর একবার। অখন্ড ভারতের ধর্ম  মতে, মকরসংক্রান্তি তিথিতে, সঙ্গম তীর্থে যে করে স্নান নিশ্চিৎ তিনি মহা পুণ্যবান। মকরসংক্রান্তিতে সাগরে করে স্নান, উদার মনে হাত খুলে করো দান। চিড়েদই  তিল সহযোগে আর পিঠে পুলি, এমম আহারে নিশ্চিৎ পূর্ন হবে পুণ্যের থলি। অখন্ড ভারতে গঙ্গা সাগরের মেলা সাধু সন্ত ও সাধারণের পুন্য স্নানের মেলা। গঙ্গা এখানে মিশেছে বঙ্গোপসাগরে, মেলা বসে কপিল মুনির আশ্রমটি ঘিরে। গঙ্গা ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থান, মহান তীর্থভূমি গঙ্গাসাগর প্রকৃতির দান। গঙ্গাসাগরের বেলাভূমি মানুষের মিলন তীর্থ ভূমি। এখানে আশেপাশে আছে 51 দ্বীপ, 580 বর্গ কিমি জুড়ে সাগরদ্বীপ। ভগীরথ এনেছিল গঙ্গাকে মর্ত্যে, সগর রাজার পুত্রদের জীবনদিতে। সেই কপিল মুনির আশ্রমটি বিলীন হয়েগেছে সাগরে তলে। কিন্তু গড়ে ওঠা কপিল মুনির মন্দিরটি, ভক্তের সমাগমে পূর্ন হয় মকরসংক্রান্তি তিথি। লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় জমে এই সঙ্গমে, নির্জন বালিয়াড়িটিতে যেটি মিশেছে...

730>|| হাসি কান্না ||

  730>|| হাসি কান্না ||                <---©----আদ্য নাথ---> হাসি কান্নার এই দুনিয়ায় হাসির নাইকোন জুড়ি। কান্না গুলি জানিয়ে দেবে তোমার মনের কমজড়ি। সদাই হাস প্রাণ মন খুলে কান্নাকে রেখেদেও দূরে। এটাই সত্য জানিও নিত্য, এক ব্রহ্ম ছাড়া সকলি অনিত্য। সদা হাস্য মনেই বসেন ব্রহ্ম নিত্য, জীব মাত্রেই ব্রহ্ম, এই চির সত্য। তথাপি কান্না যখন আসে, কেঁদে নেও একলা গোপনে। ঘড়ের কোনে বা নিরালা স্থানে,ল এসোনা লোক চক্ষুর সামনে। অশ্রু ভরা নয়নে বা কপোলে, তোমায় কাঁদতে দেখলেই, ওরা আরো কাঁদবে তোমায়। কিছু হাসি মজা বিদ্রুপ, ছুড়েদেবে তোমার পানে। তাইতো কাঁদতে হয় একান্ত গোপনে। চরম বেদনা বা দুঃখের কালে হাসি টুকু যেন থাকে সকলের সামনে।    <---©--●আদ্য নাথ●--->   15/01/2020::03:50:41. ===========================

729>আজ আমরা কোথায় ?

    729>|| আজ আমরা কোথায় ? || বাংলার সূর্য্য অস্তমিত প্রায়, শীঘ্রই ভেসে যাবে নাৎসি দের মতন। হারিয়ে যাবে আজান সমুদ্রে পাল,বৈঠা,হাল হীন নৌকাতে অজানা সমুদ্র গভীর জলে। সেদিন আর নাই দূরে বাঙালি যাবে বাংলাকে ভুলে। ইংরেজ 200 বছরে করেগেছে বিভাজন হিন্দু মুসলমান। আজ আবার আসছে দিন জানিনা কিহবে সেই ভয়ঙ্কর দিন। বাজারের পণ্য হয়েছে দ্বিগুন চতুর্গুন, আমরা মেতে আছি নাগরিত্ব ও আঁধার নিয়ে এনপিআর- এন আরসির ধোঁয়াশা জিইয়ে। দিনে দিনে বাড়ন্ত ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, দিনে দিনে বাংলায় শিক্ষার অবনতি। আজ আমরা কোথায় নিজেরাই জানিনা নিজের ঠাই কোথায়। বাংলার সূর্য্য অস্তমিত প্রায়, শীঘ্রই ভেসে যাবে নাৎসি দের মতন। হারিয়ে যাবে আজান সমুদ্রে পাল,বৈঠা,হাল হীন নৌকাতে অজানা সমুদ্র গভীর জলে। সেদিন আর নাই দূরে বাঙালি যাবে বাংলাকে ভুলে। ইংরেজ 200 বছরে করেগেছে বিভাজন হিন্দু মুসলমান। আজ আবার আসছে দিন জানিনা কিহবে সেই ভয়ঙ্কর দিন। বাজারের পণ্য হয়েছে দ্বিগুন চতুর্গুন, আমরা মেতে আছি নাগরিত্ব ও আঁধার নিয়ে এনপিআর- এন আরসির ধোঁয়াশা জিইয়ে। দিনে দিনে বাড়ন্ত ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, দিনে দিনে বাংলায় শিক্...

728>|| আনাড়ির আত্ম উপলব্ধি ||

 728>||  আনাড়ির আত্ম উপলব্ধি || হাজার বুদ্ধিজীবীর ভিড়ে, আমি এক আনাড়ী নড়বড়ে। খুঁজে চলেছি কান্ডারি, মাথায় বুদ্ধির ফাঁকা হাড়ি। ডাইনে বাঁয়ে যেথা খুঁজি, হাহাকারই শেষ পুঁজি। মিথ্যা নয়, অপবাদ নয়, নিতান্ত আদরে যাহা সয়। লিখছি সত্য, হয়েছি ব্যর্থ, নিজেকে নিজেই করি কৃতার্থ। কেউ বলে সরস মূর্খ নধর, জানি নইতো বিজ্ঞের বংশ ধর। তথাপি কেন হানাহানি এত, দেখিলাম তো ঘুরে মরে কত। আমি নিজেই সামর্থ, কখনো খুজিনা স্বার্থ। আমি আনাড়ী গুটায়ে পাততাড়ি, নদী পারে বসে খুঁজি কান্ডারী। কেউ নাই কেউ নাই,এখানে ঠাঁই নাই, এখানে শুধুই জল আর আকাশ। প্রাণ ভরে নিলাম শীতল বাতাস, দিন শেষে গভীর ঘুমের আশ্বাস।       <--আমি আনাড়ি-->        <--©-আদ্যনাথ--> =========================

727>|| সময়ের মূল্য ||

  727>|| সময়ের মূল্য ||             <--©➽-আদ্যনাথ--> জানি আমি জানি আর কোন পাখি ফিরবেনা এই আকাশে, আর গাইবেনা গান এই শূন্য বাগানে। সকলেই উড়েগেছে দূরের আকাশে। রিক্ত আমি শিক্ত নয়ন জলে, বসেআছি একলা উদাস মনে। ভাবছি আকাশ পানে চেয়ে, কেউ যদি আসে পথ ভুলে, দুইহাত বাড়িয়ে দেব আদর করে। বুঝিয়ে দেব আমি ভালোবাসি, ভালোবাসি ওদের একান্ত আপন করে। কিন্তু হায়রে,ভাগ্য আমার, বোধ হয় কেউ বুঝলনা, আর কেউ ফিরে আসবে না। একদিন এই আকাশে উড়তো  ওরা আপন মনে খেলতো, কত রং-বে-রঙের পাখি আসতো। আজ শূন্য হৃদয়ে একলা বসে দেখি, কেউ নাই কেউ নাই শূন্য আকাশ খানি। বুঝি সময় বুঝিয়ে দিল  সময়ের মূল্য কতখানি। প্রকৃতিকেও সময়ের তালে চলতে হয়। ভাবনা ছিল, উপেক্ষা করেছিলাম, সময়ের নির্দেশ নামা ভুলে ছিলাম। স্বপ্ন দেখেছিলাম,  নুতন করে আবার করব জয়, উত্তরের ওই বরফঢাকা হিমালয়। নুতন নুতন শৃঙ্গে লিখন পরিচয়। ছিল ইচ্ছা ও দৃঢ় মনবল, কিন্তু ভাগ্য বিরূপ, তাই বুঝি সকল চেষ্টাই বিফল। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->  21/03/2021;; 11:50:pm ==========================

726>||ওরা ষোলআনা বোঝে |

726>||ওরা ষোলআনা বোঝে || ডিমের কুসুম টুকু খোঁজে। ওদের পেছন ভারী সামনে আনাড়ি। আর যাই থাক নিজের টুকু ঠিকঠাক। ঘি টুকু খাবে চেটে কম্বল দিয়ে ঢেকে। গল্পে ওরাবে জাহাজ খুঁজবে নিজের সমাজ। চিকেন দেখবে বলছেন এমন গল্প হয়ত শুনেছেন। ঘুমায়না চিৎ হয়ে, চাদরের বেশি জায়গা নোংরা হবে। কুথে হাগেনা, পেট বেশি খালি হলে বেশি খিদে পাবে। আর ব্যাংক ব্যালেন্স কমে যাবে। সব চিন্তার থেকে ব্যাংকের চিন্তা বেশি। যেটুকু হাসে জোরকরে তাও মুখের পেশীর কেরামতি। হাসলেই ফাসবে বেশি খরচ হবে।

725>|| ভালো থাকা ||

725>|| ভালো থাকা || ভালোথাকা কি সহজ ব্যাপার এটাইতো সম্পুর্ন মনের ব্যাপার। আবার মনে জুড়েথাকে কাছে দূরে সকলের ব্যবহার, সামান্য চাহিদা পূর্ণ নাহলেই মন উথলে ওঠে। চোখের কোনে অশ্রু জাগে, তাকে উপেক্ষা করতে কজন জানে। উপেক্ষা,অপেক্ষা,চাহিদা, সকলি মনের খোরাক, পুষ্টি না হলেই মনে প্রশ্ন জাগে। সেই প্রশ্নের উত্তর আবার মনেই লুকিয়ে থাকে। যে খুঁজে নিয়ে তুষ্ট হয় সেইতো সমাজে আনন্দে বেঁচে রয়। অন্যরা হারিয়ে যায় সময়ের সাথে কালের প্রবাহে। সর্ব শেষে এটাই মনে হয় শিশুদের সাথেই প্রানের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়।   <--©-আদ্যনাথ-->

724>||ভালোবাসা নয়তো অশ্লীল ||

 724>||ভালোবাসা নয়তো অশ্লীল ||                   <--©➽-আদ্যনাথ---> অনেক কিছুই ভুলবার নয়, তবুও ভুলে যেতে হয়। মন যারে চায় ,সদা কি তারে পায়! মনের আবেগ মনেই লুকায়। কিন্তু যে আসে মনের ভুলে, ক্ষনিকের ভালো লাগার কারনে, সেই হয়তো বেশি পেতে চায়। মনের চাওয়া বিচিত্র অতি, তাই কিছু পেলে ক্ষতি কি। যাকে ভুলবার নয়, সেই যদি ভুলে যায়, সময়ের প্রবাহে,  সমাজের আরম্ভরে। মনকে কাঁদিয়ে কি লাভ, যে নিজেই এল একান্ত কাছে, তাকেই নয় একটু ভালো বসলাম। আদরের সমাদর হয় ভালোবাসার টানে, সেই টানটি ফুরিয়ে গেলে ভালোবাসা কাঁদে। ভালোবাসা নয়তো অশ্লীল, ভালোবাসা এক একান্ত আদর, হৃদয়ের স্পর্শে অতিশয় কাতর, চাওয়া পাওয়ার উর্ধে সে আদর। তাইতো ক্ষণিক পলক স্পর্শে হৃদয়ে পুলক জাগে নুতন হর্ষে। আবার ফিরায়ে দিলে তারে অবহেলায়, মনযে কাঁদে তারে আবার পাবার আশায়। উলঙ্গ নয়নে মনের চাহিদা পূরণে একটু পরশ হয়তোবা ভালোবাসার চাহনে। কিবা হয় দোষের এই রক্ত মাংসের শরীরে, ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে যদি আদরে আদর মাখিয়ে। সমাজ তো অনেক বলে,  নাপেয়ে হিংসায় জ্বলে। তারা হয়তো ভালোবাসাকেই অশ্লীল ভাবে, হয়তো জানেনা ভা...

723>|| অর্থই অনর্থের মূল ||

723> || অর্থই অনর্থের মূল || জীবনের নিরলস পরিশ্রম উদ্যম চলতে থাকে জীবভর। শিশুকাল থেকে যৌবন চলে শিক্ষা, দীক্ষা, আদর, শাসন, লক্ষ্য জীবনে প্রতিষ্ঠা ও লক্ষ্য পূরণ। লক্ষ্য পূরণের শেন দৃষ্টিতে চলতে থাকে হাজার প্রচেষ্টা। চাই উচ্চ পদ প্রতিষ্ঠা সন্মান প্রচুর অর্থ গোপন মনের ইচ্ছা। জীবনে এহেন ইচ্ছা পূরণে কেউ চাকুরী, কেউ ব্যবসা আর কত চলতে থাকে প্রচেষ্টা। আরম্ভর পূর্ন জীবনে অর্থের চাহিদা ক্রমেই বাড়ে। সত্যপথে অর্থ উপার্জন থাকেনা কোন চিন্তার কারন। সৎকর্মের  অর্থ উপার্জন নিশ্চই গর্ভের বিষয় ভীষণ। অর্থ ,অর্থ--অর্থই অনর্থের মূল কারন, অর্থ বলে বলীয়ান হয়েও হয়না সার্থক জীবন পুরণ। অর্থের প্রকৃত অর্থ বড়োই কঠিন, অর্থ যখন "টাকা",অতিশয় চঞ্চল, সর্বদা হয় হাত বদল। অর্থ বা টাকার আসল সত্য একটাই যতটুকু করছো উপার্জন, সেই টাকার তুমি নও মহাজন। টাকার তুমি তত্ত্বাবধায়ক মাত্র একজন। (ইংরেজিতে যাকে বলে( " Trustee ")মাত্র।) এমন সত্যকে ভুলে অর্থ উপার্জনের তরে চলছে কত ন্যায়,অন্যায়,পাপ,পুন্য অকাতরে। অনেক পরিশ্রমের উপার্জন তোমার, তথাপি জানিও নিশ্চয় তোমার অর্জিত অর্থ...

722>||মানুষ মরণশীল ++ বিড়ম্বনা ||

 722>||মানুষ মরণশীল ++ বিড়ম্বনা || || মানুষ মরণশীল ||                  <--আদ্যনাথ-->22/07/2021 মানুষ মরণশীল। তথাপি জন্ম-মৃত্যুর কথা ভেবে  সময় নষ্ট করা নয়তো উচিত। যতদিন ছিলাম কর্মক্ষম, এগিয়ে চলার লক্ষ্যে ছিলাম বীর। চলেছিলাম কর্ম করার তাগিদে, ভাবিনি নিজের কোন স্বার্থের দিকে। রাস্তাও ছিলনা সহজ সরল, তবুও কর্ম নিষ্ঠাতেই ছিল মন বল। এতো পথ পাড়ি দিলাম, মৃত্যুকে তুচ্ছ ভেবে ছিলাম। সকল বাঁধাকে দম্ভে পিষেছিলাম, এগিয়ে চলার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ  সপ্ততি বৎসর করেপার, বুঝলাম কি লাভ হলো আমার? চাইছি এই সংসার হতে মুক্তি আর বেঁচে থাকার নাই কোন যুক্তি। মনের জ্বালার মুক্তির পথ নাই, আবর্জনার মাঝে বসে পথ খুঁজি তাই। অসহ্য কীটের মতন কিছু অহঙ্কার, ঘিরে আছে চারিদিকে আমার। আমার সকল অনুভূতি গুলো, বহুদিন অনেক আদরে ছিলো। আজ বোধ হয় সকল শক্তি হারিয়ে, ঝাপসা দৃষ্টিতে খুঁজি মৃত্যুপুরীর পথকে।  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ==========================   || বিড়ম্বনা ||               <--আদ্যনাথ-->2...