Posts

Showing posts from February, 2020

747>|| প্রকৃতি রহস্য ময় ||

   747>|| প্রকৃতি রহস্য ময় ||                     <--©➽--আদ্যনাথ--> এই জগৎ প্রকৃতি রহস্য ময়, সকল রহস্যের শ্রেষ্ঠ রহস্য মানব জীবন। যেখানে জন্ম মৃত্যু সবটাই রহস্য ময়। বীজথেকে অঙ্কুরোদ্গম, অঙ্কুর থেকে বৃক্ষ। বীজ কিন্তু অঙ্কুর বা বৃক্ষ কোনটাই নয়,আবার অঙ্কুর থেকে বীজ ভীন্নও নয়। এমনিই সমগ্র জীবের জন্মরহস্য। কারণ ছাড়া কোন কর্মই হয় না। জীবের অন্নময় দেহের জন্মই নিশ্চিত রূপে দেহের মৃত্যুর কারণ।  যেমন, বীজ বপণই ফল ও ফুল ফোটার  কারণ। আবার কারণই সকল বস্তুর উৎপত্তির উৎস। উৎপত্তিই ধ্বংসের কারণ। অর্থাৎ উৎপন্ন হইলেই লয় অবশ্যম্ভাবী, সেই কারনে সকল বস্তুই অনিত্য, অবাস্তব। এই অনিত্য, আবাস্তবকে আঁকড়ে ধরে আমরা সুখের সন্ধানে দৌড়ে বেড়াই। যা অবাস্তব,অনিত্য সেখানে সুখ পাওয়া কী করে সম্ভব! আর সেই কারণেই আমাদের দুঃখ মেটে না। দুঃখের সাগরে হাবুডুবু খেতে খেতে অলীক স্বপ্নে গড়া স্বর্গ রাজ্যের চিন্তা করি। আসলে স্বর্গের পুরো ধারণাটি স্বপ্নের জগতে বিচরণ করার মত।         <--©➽--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--> ============...

746> || সময় ও অর্থ ||

        746> || সময় ও অর্থ ||                <--©➽--আদ্যনাথ--> সময় ও অর্থ উভয়ই মূল্যবান, অর্থ দিয়ে হয়না সময়ের মূল্যায়ন। জীবনের শ্রেষ্ঠ ভুল, সময় কে ভুলে যাওয়া, জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা, সময়ের মূল্য বোঝা। অর্থ,সম্পত্তি যার সে হিসাব রাখে তার, সকল সঠিক মূল্যায়ন জানা থাকে তার। কিন্তু নিজের কত সময় আর আছে, সেই হিসাব কী তার জানা থাকে? সময় বয়ে চলে নিজের মতন করে, অর্থ সম্পত্তি কিছুই রবেনা শেষের দিনে। তথাপি মন মানেনা আশার ছলনে ভুলে, ভালোবাসতে পারিনা মনের দুয়ার খুলে।  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ----------03/12/2020----00.37 am----- ==========================

745>|| | স্বপ্ন নয় ||

  745>|| স্বপ্ন নয় ||               <--©➽-আদ্যনাথ--> দেখেছি তোমায় মনের দরজা খুলে, দেখেছি ফুলের বাগিচায় খেলার ছলে। দেখেছি খানিক নিজের উদাস মনে, দেখেছি ফাল্গুনে শিমুল,কৃষ্ণচূড়ার বনে।  দেখেছি ওই লাল ফুলেদের মাঝে, দেখেছি প্রভাতের কিরণের সাথে। দেখেছি বসন্তের গোধূলি লগণে, দেখেছি একলা সুরভিত আঙ্গনে। দেখেছি শুভ্র বসনে ফুল দোলে, দেখেছি ওই প্রজাপতি দের সাথে। দেখেছি দিগন্তে তাল তমালের ছায়ে, দেখেছি অশান্ত নদীর প্রবাহের সাথে। আকাশের নিচে,শিশির মাখা ঘাসে, গ্রীষ্মের তাপদহনে মরীচিকা ভ্রমে। প্রবল বর্ষণে পাহাড়ি নদীর খরস্রোতে, হিমবাহের হিম-শৈল প্রবাহের মাঝে। দেখেছি গঙ্গোত্রীর চঞ্চল ধারার সাথে, দেবপ্রয়াগে অলকানন্দার জলস্রোতে। দেখেছি সেই পূর্নকুম্ভে  ত্রিবেণী সঙ্গমে, কপিল মুনির আশ্রমে ওই গঙ্গাসাগরে। তুমি চির সত্য, চির সুন্দর, চির তরুণ, জানি হৃদয় মাঝে তুমি আছ নিরন্তর। তথাপি খুঁজেছি অমরনাথে শ্রাবণী পূর্ণিমায়, মনের ভ্রমে,বৈষ্ণোদেবীর ঠিকানায়। জেনেও চিনতে পারিনি তোমাকে, দেখেও বুঝিনি নিজের অহংকারে। কিশোর, যৌবন,সকলি গেল বিফলে, বুঝি শেষের তরী আজ লেগেছে ঘটে...

744> ।। দুটি পাখি ।।

        ।। দুটি পাখি ।।                 <----আদ্য নাথ ------> প্রকৃতির খেলা প্রকৃতি খেলে, ফুল পাখিরা পাখনা মেলে। ওই নীল পাখিটা উড়েজায়, মন পাপিয়া কী-জেন বলে যায় । দোদুল দোলায় দোলে মন, আনন্দিত শিশুর মতন। প্রভাতে সূর্যের রং মেখে গায়, পাখিরা আনন্দে গান গায়। সোনালী সূর্যের কিরণ, ঘরে থাকেনা মন। শান্ত মনে নিরালায় বসে, মন যখন মনকে খোঁজে। অসীম সমুদ্র মাঝে একবার ডোবে একবার ভাসে জীবন কি থেমে রয়, সদাই খুঁজে বেড়ায়। মন অশান্ত যদি হয়, সদাই বেদনা বাড়ায়। নূতনকে জানার তাড়নায়, ব্যাকুল মন যদি পথ হারায়। প্রকৃতির বিরূপ চিন্তায় যাতনাই আশ্রয় হয়। পথিক যদি  পথ হারায়, মরীচিকায় ছুটে বেড়ায়। কতো আশায়  বেঁধে ছিলো ঘর, শালিক দুটি প্রেমে বিভোর। ঝরে ভেঙে গেল যে বাসা, নূতন ঘর বাঁধবার আশা। ভাঙ্গা আর গড়া প্রকৃতির খেলা, পাখিরা গান গেয়েজায় দুই বেলা। প্রকৃতি নিত্য খেলার ছলে, প্রকৃতিরে ভাঙ্গে আর গড়ে। ====================           

743>|| পথ চলা ||

 743> || পথ চলা ||                 <--©➽-আদ্যনাথ--> জীবনকে বুঝে নেওয়া বড়ই কঠিন। পথে বেরিয়ে পড়াতেই আনন্দ অসীম, পথ ডেকেচলে সকাল সন্ধ্যা দুই বেলা, যে শোনে,বোঝে সে পথিক নিরালা। পথ তো চলতে হবে একলা, তবে কেন আর প্রতীক্ষা! প্রকৃতি সুন্দর নির্মল পরিবেশ, বসন্তের সকালে  শীতের আবেশ। হয়তো কারুর উপদেশ বা নির্দেশে, রাস্তা পাওয়া সম্ভব হলেও হতেপারে। লক্ষে পৌঁছতে হবে নিজের পরিশ্রমে, একান্ত দৃঢ়আত্ম বিশ্বাসের বলে। আত্মবিশ্বাস জরুরি, অহঙ্কার নয়, এভাবেই জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হয়। হৃদয়ে ভালোবাসা, মুখে সুন্দর হাসি, সর্বত্রই মিলবে চলার উপযুক্ত সাথী। পথ চলা সর্বদাই এক সুন্দর কলা, দৃঢ় মনোবল ও প্রচেষ্টায় পথ চলা। অজানা নিত্য নুতন দুর্গম পথে একলা, নুতন কে জানতে নির্ভয়ে এগিয়ে চলা। কিছু চাওয়া,পাওয়া, কিছু ফেলে আসা, চলারপথের সম্বল শুধুই ভালোবাসা। ফেলেআস স্মৃতির কি মূল্যায়ন হয়, পথের ভালোবাসা অন্তরেই লেখাহয়। স্থিরলক্ষে সীমাহীন পথ চলাই জীবন, বেঁচে থাকার জন্য লড়াই জীবন। অহঙ্কারের কারনেই অন্ধকার জীবন, জীবনকে ভোগ করে একাই জীবন। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ...

742>। বিধির বিধান ।।--W---

742>।। বিধির বিধান ।। ।। বিধির বিধান ।।        <-----আদ্য নাথ -------> সৎব্যবহার সুযোগের কে না চায় করতে সংসারে। সকলে কি আর পারে! ওরা তো খুব ভালো জানে। পাঁচ বছরের অপেক্ষায় কেন রইবে বসে। দেশের মানুষের অবস্থা, কি হবে ও সকল জেনে, মানুষ যে যার ভাগ্য নিয়ে চলে। ওদের একটু চিন্তা হলেও হতে পারে , পাঁচ বছর পরে আবার সুযোগ পেলে। এগুলো  কি কোন দোষের হল? ওরা সবাই করে খাচ্ছে, তোমার তাতে গায়ে লাগছে। হীনমন্না হয়োনা ভায়া হবু রাজার গবু ভাইয়া। দেশের মানুষ রাজার প্রজা, কেন ভাবছনা একটু সোজা। সোজা পথে ধাঁধা, একটু বেঁকিয়ে গিয়ে খোঁজা, কোথায় পাবে আসল মুক্তো, সুনামিতে সব হয়ে গেছে শুন্য। প্লাস্টিকের মুক্ত ঝুলিয়ে গলায়, আসল মুক্তর মতন শান্তি পেতে চাও। যাওনা সমুদ্রের বিচে ঝিনুক কুড়োও । সাজানো বাঁধানো কুলে, প্রেমালভ করো বসে। কি হবে সকল ভেবে, দেশের জনগণ অনেক ভাবে। ভেবে চিন্তেই ইভিএম টেপে এখন আর কি হবে ভেবে। জানতো টাকায় সব কিছুই হয়, মানুষের মতন মানুষ কিসে হয় ? সামনে যাকে দেখো সেতো বন্ধু নয় প্রকৃত বন্ধু পাব...

741> || রাধুঁনী ||

      741> || রাধুঁনী ||           <--©➽--আদ্যনাথ--> রান্না করাকে কেন করো ভয়, রান্না করে খাইয়ে সহজেই  অনেকের মন করা যায় জয়। তবুও সমাজে থাকে কিছু নিন্দুক ওদের কথা দিও বাদ, রান্নাকরেই মেটাও মনের স্বাদ। রান্না অর্থাৎ - রাঁধা, পাক, রন্ধন ইত্যাদি। যাই বলোনা কেন  যিনি রান্না করেন তিনি রাধুঁনী, পাচক, পাচিকা বা বাবুর্চি বলা হয় যেন। রাঁধুনী, পাচক,পাচিকা,অথবা বাবুর্চি  রাঁধেন খাবারের উপকরণের সমন্বয়ে,  বিভিন্ন তৈজসপত্র ব্যবহার,  বিভিন্ন পদ্ধতিতে রান্না করেন খাবার। রান্নার পদ্ধতিত যে যার নিজের এলাকাভেদে কিছু ভিন্নতা থাকে। আর রান্নার অত্যাবশ্যক  উপাদানগুলি - চুলা, ডেকচি, কড়াই, মশলা সহ খাদ্যের উপকরণসমূহ নিশ্চই থাকে। আর সেই রান্নার মাধ্যমে খাবারের স্বাদ,  রূপ রস,রঙ, গন্ধ মনকে লোভায়। রাঁধুনির সমাদর তখনই হয়, সুস্বাদু খবারে যখন মনকে মাতায়। ভালো রান্না করতে চাই ভাল মন সুস্বাদু রান্না করবে যখন। তেল ঝাল মসলা  সকলি তোমার মনের ফয়েশলা। রোজ রান্না করার সুযোগ পায় যেজন তার মতন ভাগ্যবান হয় কজন! একটু রান্না করেই সুনাম পেয়েজা...

740>|| || मेरा साथी ||

740 >|| मेरा साथी ||      <--©➽---आद्यनाथ--->  मेरा साथी तथा प्रिय दोस्त बिक्रम जी की आज 31/12/2020 दोपहर 12 बजे देहान्त हो गया। अतः बिक्रम जी और नेही रहे।  मेरा दोस्त देबेन्द्र बिक्रम शा, आसनसोल, बाराचक निबासी। हम लोगके दोस्त, देबेन्द्र बिक्रम शा,  आज औऱ नेही रहे,चलबसे सालके आखरी दिन में। 31दिसम्बर दोपहर ठीक 12 बजे, चले गये स्बर्ग तथा महा जागतिकके दिशामे। हमसे थोड़ा छोटा थे, मगर प्यारे दोस्त थे। आज ईयाद आते हैं, एकसाथ ड्यूटी करते थे। हमलोग सारे सुख दुःख वाट लेते थे, टिफिन में सबकोइ हिस्सा मंते थे। एक साथमे थे, बरे मजामे थे। कुछ परोया नही करते थे, किन्तु सबके प्यारे थे। हमलोग एक दुसरेके बात मानते थे, हरदम लड़ाई झगड़ा भी करते थे। फेर मेल मिलाव में रहते थे, दूसरे किसीको  दुःखमे  एकसाथ आगे बरते थे। दुसरो के सेवामे आगेई रहते थे, हम लोग सब एकसाथ रहते थे। रोज एकसाथ डियूटी करतेथे, हररोज मजा और आंनद लेते थे। बिक्रमजी हम लोगोके अच्छे साथी थे, एकसाथ आपना भाई के तरा रहते थे। मगर किउं कौन जाने आज सबेरेसे ही मन उदास थे, तभी उनका बेटी मेसेज दीये थे, ...