Posts

Showing posts from July, 2020

785>|| তিন জ্ঞানী বানর ||

785>|| তিন জ্ঞানী বানর ||            <---©-আদ্যনাথ--> আজ না হয় একটু জ্ঞানই দিলাম। যদিও আমি নিজেই জানি, একজন অতি নির্বোধ আমি। তথাপি বলছি কিছু জ্ঞানের কথা, হয়তো তোমরা মনে পাবে ব্যথা। আজ বলতে চাই সেই পুরোনো তিন বানরের কথা------ || তিন জ্ঞানী বানর || আমরা অনেক জানি, অনেক শুনি, অনেক কিছুই দেখি, তথাপি জ্ঞানের চিন্তায় বানরকে মনে করি। হয়তো আমাদের পূর্বপুরুষ ভেবে, নাকি দোষ গুন অন্যের ঘাড়ে দিতে। হোকনা যেমন তেমন করে  ভাবনা একটু ভাবি সেই তিন বানর জ্ঞানী-------- ‘দ্য থ্রি ওয়াইজ মাংকিজ’  বা তিন জ্ঞানী বানরের ম্যাজিক। প্রাচীন থেকেই কিছু প্রবাদ আছে জানি, তাদের চিত্র রূপে তিনটি বানরকে চিনি। প্রবাদটি এমন------- “See no evil, hear no evil, speak no evil”. "খারাপ কিছু দেখো না, খারাপ কিছু শুনো না, খারাপ কিছু বলো না”।  এটাই বানরের চরিত্র, তারা নিজেদের নামেই খ্যাত। প্রথমটি-- হাত দিয়ে রেখেছে চোখ ঢেকে,  তাকে সকলে ‘মিজারু’ নামেই জানে। দ্বিতীয়টি-- হাত দিয়ে কান রেখেছে চেপে, তাকে সকলে ‘কিকাজারু’ নামেই জানে। আর তৃতীয়টি-- তার মুখ রেখেছে চেপে,  তাকে ‘আইওয়...

784> || কথা কথা কথা ||-----( 1--3)

784> || কথা কথা কথা ||       2>।।--কথা --।।       3> ||  কথা নয় কেবল কথার কথা।  ====================  784> || কথা কথা কথা ||              <---©-আদ্যনাথ--> কথা কথা কথা, কথার কথা বুঝবে কি আর ভাই! কথার চাইতে শ্রেষ্ঠ কিছুই নাই। কথাই শ্রেষ্ঠ, কথাই উৎকৃষ্ট, কথাই বলিষ্ঠ কথাই নিকৃষ্ট। কথার বান, মুহূর্তে করে খান খান, কথাই কত উত্থান পতনের প্রমান। কথার ছলনায় ভীত বিধাতা, কথার তীব্রতায় কম্পিত সৃষ্টি কর্তা। অসির চাইতে কলমের তীক্ষ্ণ ধার, আর কথা, বজ্রের চাইতেও কঠিন প্রহার। কথার মাধুর্যে মানুষ নতুনভাবে বাঁচে,   কথায় তীক্ষ্ণ বানে মানুষ বেঘরে মরে। মানুষের মুখের কথার বিষ অতি বিষাক্ত, ভয়ঙ্কর সাপের বিষ থেকেও বিষাক্ত। কেউ হয়ত বলবে, কথায় কী হয়?  এ কথার জবাবটা বোধহয় সহজ নয়।  কথায় অনেক কিছু হয়। হতে পারে।  আবার নাও হতে পারে। বিজ্ঞজন বলেন,  ‘কথা শত,সহস্র ধারায় বয়’। আবার কথার মধ্যেই বিষ রয়, সেই কথার বিষ দ্রুত ছড়ায়। শত্রু কে করতে ঘায়েল, বুদ্ধিমান, প্রথমে কথার বিষ ছড়ায় কথার বিষ অস্ত্রের থেকে...

783>| আর কি হবে ভেবে ||

 | আর কি হবে ভেবে ||                     <--©➽-আদ্যনাথ--------> সুযোগের সৎব্যবহার করতে কে না চায় সংসারে কিন্তু সকলে কি পারে! ওরা তো খুব ভালো জানে, পাঁচ বছরের অপেক্ষায়  কেন রইবে বসে। দেশের মানুষের অবস্থা, কি হবে জেনে, মানুষ যে যার ভাগ্য নিয়ে চলে। তাই ওদের চিন্তা হবে পরে, পাঁচ বছর পরে আবার সুযোগ পেলে। এগুলো  কি কোন দোষের হল? ওরা সবাই করে খাচ্ছে, তোমার তাতে গায়ে লাগছে। হীনমন্না হয়োনা ভায়া হবু রাজার গবু ভাইয়া। দেশের মানুষ রাজার প্রজা, কেন ভাবনা একটু সোজা। সোজা পথে ধাঁধা, একটু বেঁকিয়ে গিয়ে খোঁজা, কোথায় পাবে আসল মুক্তো, সুনামিতে সব হয়ে গেছে শুন্য। প্লাস্টিকের মুক্ত ঝুলিয়ে গলায়, আসল মুক্তর মতন শান্তি পেতে চাও।  যাওনা সমুদ্রের বিচে ঝিনুক কুরও। সাজানো বাঁধানো কুলে, প্রেমালভ করো বসে। কি হবে সকল ভেবে, দেশের জনগণ অনেক ভাবে। ভেবে চিন্তেই ইভিএম টেপে এখন আর কি হবে ভেবে। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> =====================

782> || জীবনের রঙ ||

 782> || জীবনের রঙ || জীবনে খারাপ সময় তো আসতেই পারে। তবে খারাপ সময়েরও কিছু ভালো তো থাকে। যেটিকে খুঁজে নিতে হয়, জেনেনিতে হয় যে---- সবকিছুর সত্যের রঙ সহজেই জেনে নেওয়া যায়, জীবনে খারাপ সময়ে। তাই খারাপ সময় না আসলে ভালো থাকার মর্যাদা কোথায়? অন্ধকার আছে তাই আলোর আদর। নয়তো কেমনে বুঝতে আলোর কদর। দুঃখ,কষ্ট,আদর, সকলি থাকা চাই, নচেৎ অর্থ হীন হয়ে রবে জীবনটা। কর্মই ধর্ম, পরিশ্রমের নাই বিকল্প, জীবনে প্রতিষ্ঠা পাবার মূল দৃঢ় সংকল্প। পৌঁছে গেলে কর্মের শ্রেষ্ঠ শীর্ষে, খুঁজে পায় জীবনের রঙ নব হর্ষে। =====<---©-আদ্যনাথ-->======

781>| কেমন আছি ||

  || কেমন আছি ||               জীবন আছে তাই দুঃখ,কষ্ট তো থাকবেই, তবে সত্য এটাই যে দুঃখকে মেনে নিলেই মজা আছে, আর মজাতে আমি আনন্দে আছি। মজা এক মনের অহঙ্কার, দুঃখ, কষ্ট, ক্ষনিকের বিকার। বিকার কখনই চিরস্থায়ী না রয়, অহঙ্কার মনের গভীরে রয়। অহঙ্কারের বহিঃ প্রকাশ উচিত নয়। =======<---©-আদ্যনাথ-->======

780>| শম্ভুনাথ পালিত বাবুর স্বরণে |

   || শম্ভুনাথ পালিত বাবুর স্বরণে || কিছু বৎসর হয়েছিল পরিচয়,  ছিলেন বড়ই কাছের মানুষ। আমি তখন ছিলাম হস্পিটালে, চলেগেলেন পালিত বাবু নিরবে, মহাপ্রয়ানের পথে কিছু না বলে। সকাল বিকালের  আড্ডায় থাকতেন, প্রাণখোলা উদার ভাল মানুষ ছিলেন। সেনাবাহিনীর কত গল্প করতেন, শ্যামবিহারে এলেই আড্ডায় থাকতেন। শরীরের কষ্টগুলো চেপেই রাখতেন, ওনার সহ্যের ক্ষমতা দেখে অবাক হতাম। আজ জানলাম শম্ভু বাবু চলেগেছেন মহাপ্রয়ানের পথে। ভাবতে একটু কষ্ট হচ্ছে, তথাপি মানতেই হচ্ছে। আশা যাওয়ার এই খেলা চলতেই থাকবে। এই চিরসত্যকে মেনে নিতেই হবে। আমার বিশ্বাস শম্ভুনাথ পালিত বাবুর স্থান ঈশ্বরের পাদপদ্মেই হবে। আমরাও ওনার আশীর্বাদে সুখেই থাকব। ==আমি আদ্যনাথ রায় চৌধুরী==== ====শ্যমবিহার ফেজ 2 ---6/2A====

779>| স্মৃতির ভাবনা ||

    || স্মৃতির ভাবনা ||               <---©-আদ্যনাথ--> স্মৃতি মনকে জাগিয়ে রাখে, স্মৃতি মনের মাঝে লুকিয়ে থাকে। স্মৃতি অনেক কিছুই ভুলিয়ে রাখে, স্মৃতি গুলি স্বপ্নের সাথে সজাগ থাকে। স্মৃতিগুলি যখন মনকে সজাগ রাখে, স্মৃতির ভাবনাই মনকে ভরিয়ে রাখে। স্মৃতিকে নিয়ে কত পথ পার হয়ে যাই, স্মৃতিকেই হয়তো খুঁজে বেড়াই।   স্মৃতি যখন বেদনা---- হৃদয়ের অন্তরালে ঝড়ের ভাবনা, স্মৃতির আয়নায় নিজেকে খুঁজে দেখা। কত উদাস দুপুর,বিষন্ন গোধূলী, ভাবনা গুলি দাঁড়িয়ে স্মৃতির মুখোমুখি। স্মৃতির নীরব ভাবনা---- সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা-জোৎস্না-মাখা রাতে ফেলে আসা ক্ষণগুলো হৃদয়ে ভীড় করে স্বপ্নের পটভূমিতে। মনে পরে সেই সকল সকাল-সন্ধ্যা-নিশা, গভীর স্মৃতির মন বেদনাতে। যে স্মৃতি স্বপ্ন দেখায় বেঁচে থাকার, তাকে বেশী মনে পড়াটাই স্বাভাবিক হয়তোবা মানবিক। এমন ভাবনার পথ চলা হয়ত কঠিন, উজান না বাইলে চলাটাই মলিন। সময়ে ফুল ফোটে আবার ঝরে যায়, ভাবনা ও প্রীতি মনে রয়ে যায়, মানুষ মরে গিয়ে  রেখে যায় স্মৃতি, মন সেই ভাবনাই বয়ে বেড়ায়। রাতের আকাশে চাঁদের আলো, জোৎস্...

778>| আবার লকডাউনের বার্তা ||

   || আবার লকডাউনের বার্তা ||                       <---©-আদ্যনাথ--> মনে হয় বেঁচে থাকাই ঈশ্বরের দান, তবুও আমরা উদাসীন,মানিনা বারণ। করোনার ভাইরাসের যাতনা, শিশু,আর বৃদ্ধের ভয়ের ভাবনা। আমরা তো কেবল ক্ষনিকের যাত্রী, ঈশ্বর আমাদের পথের দিশারী। তবুও আমরা পথ হারাই নিজের ভুলে, সকল সাবধানতাকে যাই ভুলে। তাই বুঝি আবার শুরু সতর্কতা, শুরু আবার লকডাউনের বার্তা। কাছে থেকেও আমরা দূরে দূরে, পাড়াপড়শী ও বন্ধু দের থেকে দূরে। সকাল বিকালের সেই আড্ডা আর নাই, শিশু গুলির বিকেলে খেলাধুলাও নাই। বাচ্ছাদের স্কুল নাই, লেখাপড়াও নাই, জানিনা ওদের জীবন কিভাবে চলবে। পড়াশুনার নামে স্কুল গুলির বালাই, বাচ্ছাদের ধরিয়ে দিল মোবাইল। অনলাইনে লেখা পড়া হবে, শিশুদের ভবিষ্যতের কি হবে। সকলেই গৃহ বন্ধি নিজের মহলে, তবুও ভয় কেজানে কি আছে কপালে। মিলেমিশে করছি ঘরের কাজ, হারিজিতি নাহি লাজ। ঘরে বসেই রোজের কাজ করা, আর গিন্নির হুকুম তামিল করা। করোনা ভাইরাস শেখাল গৃহ কর্ম, ঘরে থেকে কর্ম করাটাই আজ ধর্ম। সাবধান চারিদিকে এত সতর্কতা, শুরু আবার ...

777>| নিউ-নর্মাল লাইফ ||

    || নিউ-নর্মাল লাইফ ||                      <--©-আদ্যনাথ--> শিষ্ঠীচরণ,হরিচরণ সব কাজেতেই করবে বারণ এমনি তাদের ছিল আচরণ, কে আর করবে ওদের বারণ। শিষ্ঠীচরণ ছেলে ভাল সমাজ সেবায় মন যে তার। হরিচরণ পেটুক ভারী খিদে পেলেই চাই মালাই করি। শিষ্ঠীচরণের সমাজ সেবা দুইবেলা চায়ের দোকানে ওড়ায় ধোঁয়া। মুখরোচক পেলে কিছু ভাষণ দেবে বেশ কিছু। হরিচরণ সেদিন সন্ধ্যায়, গম্ভীর ভারী নানান চিন্তায়। খাওয়া নাওয়া ভুলে গিয়ে বসে আছে ঘড়ের কোনে। কম্প দিয়ে জ্বর এলো তার, হরিচরণ ভয়েই একসার। শিষ্ঠীচরণ এসে বলে ভয় কেন একটু জ্বরে তোর মনে কি ভয় করোনার ভয়ে? হরিচরণ ভীত মনে থর থরিয়ে কাঁপছে জ্বরে। শষ্ঠীচরণ সুযোগ বুঝে শুরু করল ভাষণ দিতে। লড়াই লড়াই চলছে লড়াই, আমরা কিআর করোনারে ডরাই! আমাদের তো এগিয়ে যেতেই হবে, সাহসের সাথে শরীরে ইমিনিউটি বাড়াতে হবে। করোনা আছে সঙ্গে, থাকবে, এমনটাই মেনে নিতেই হবে। করোনা ভাইরাস নিয়ে চলাটাই আজ আমাদের "নিউ-নর্মাল লাইফ"। তাই নিজের সুরক্ষার সঙ্গে আপস নয়, না করাই উচিৎ শ্রেষ্ঠ ওয়ার্ক হাই ফাই। কোনটা ভুল কোন...