Posts

Showing posts from October, 2019

716>|| তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যা |

 716>|| তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যা ||                    <-----©-আদ্যনাথ---> আমরা চার ভুত চললাম তারাপীঠ। আমি বাংলার ভুত সাথে নিয়েছি তিন বিহারী ভুত। এক ডাক্তার ভুত, এক উকিল ভুত, এক পুলিশ ভুত। এই আমরা চার ভুত মিলে, চললাম তারাপীঠ মহা শ্মশানে, তারা রাত্রির একটু ফল কুড়াইতে। তারা মায়ের একটু স্নেহস্পর্শ পাইতে। ভাদ্র মাসের অমাবস্যা কৌশিকী অমাবস্যা অথবা তারা রাত্রি যাই বলো তোমরা। এই অমাবস্যা তে এবারে তারাপীঠে ভিড়ের চাপ থাকবে, তবুও আমাদের যেতেই হবে। এই কৌশিকী অমাবস্যাতে। যদি কিছু পারি তারা রাত্রির সুফল কুড়িয়ে নিতে। যেটুকু জানি তন্ত্র সাধনার জন্য, খুবই গুরুত্বপুর্ণ এই অমাবস্যা রাত্রি। হিন্দু শাস্ত্রে ও বৌদ্ধ শাস্ত্রে বর্ণিত আছে, এই অমাবস্যার বিশেষ গুরুত্ব আছে। শাস্ত্র মতে তন্ত্র সাধনার প্রয়োজনে এই অমাবস্যা খুবই গুরুত্বপুর্ণ বটে। সত্যি বলতে এই কৌশিকী অমাবস্যা অন্য দিনের থেকে একটু আলাদা। তন্ত্র ও শাস্ত্র মতে এই তিথিতে হয় অনেক কঠিন ও গুপ্ত সাধনা। কোন সাধক খালিহাত ফেরেন না। ফল মেলে আশাতীত নিশ্চি...

715>।।--গ্রাম বাংলা--।।

  715>।।--গ্রাম বাংলা--।। বৃষ্টি ভেজা গ্রাম বাংলার মেঠো পথে সন্ধ্যা সকালে তাল খেজুর গাছের নিচে বসে, সবুজ ধানের ক্ষেতের ধারে, মেঠো পথের দুই ধারে হলুদ ফুলের সমারহো মনকে উদাস করে তোলে। নির্মল আকাশে সন্ধ্যা সকালে বকেরা উরে চলে অাপন মনে। মনেহয় দিগন্তে পারি দেবে, একসাথে শাড়ি দিয়ে। গ্রাম বাংলার এমন ছবি সাথে বৃষ্টি ভেজা মাটির গন্ধে উদাসী মন করে চন মন আনন্দে দোলায় সারাক্ষণ। হৃদয়ের কাছে কেজেন ডাকে মনে হয় অতিশয় অাপন, থাকেনা কোন সংশয় তাইতো গ্রাম বাংলায় ফিরে ফিরে আসি বার বার, আকুলি বিকুলি করে। সাথে ভিজে মাটির গন্ধ মন প্রাণ করে তোলে শান্ত। পথিক তুমিকি পরিশ্রান্ত? একটু জিরিয়ে নিতে পারো একান্ত। সবুজ ধানের মিঠে হওয়া বাতাসে মাটির গন্ধ পাওয়া।          <--©-আদ্যনাথ-->      【--anrc-08/09/2019--】      【=রাত্রি:01:08:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 ==========================

714>।।-তুমি আছো-:।।

  714>।।-তুমি আছো-:।।              <--©-আদ্যনাথ-->  তুমি আছো পাশে, সেটাই আমার শক্তি। তাই আমি অফুরন্ত, ভুলেছি সকল আসক্তি। তুমি আছো পাশে, হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগরে। দেখলাম কতো সাধু সন্ত, কতো উলঙ্গ বর্বরতার অঙ্গ। তুমি আছো পাশে, ভুলিনি দিনের শেষে। ভুলিনি পথের দিশা, পথ চলা দিবা নিশা। তুমি আছো পাশে, সকল অনাসক্তি পাড়করে। আজ পৌঁছেছি নিজের লক্ষে, তোমার শক্তির পরশ মেখে। তুমি আছো পাশে , সকল কর্ম প্রায়শে। তাই অমি দুরন্ত সকল কর্মে, অফুরন্ত মনবল সদর্পে। তুমি আছো পাশে, তাই অজ আমি অশেষ । আমার জাকিছু তোমাতেই শেষ , তোমার স্পর্শ আমার স্পন্দন আবেশ। তুমি আছো পাশে। তাই আমি অফুরন্ত। দুরন্ত অসিমকে তুচ্ছ করি, দিগন্তে বনানতে ছুটে চলি । তুমি আছো পাশে, বলতে পারি ভয়হিন মুক্তকন্ঠে। চিরসত্য প্রকৃতি চিরনবিন অসিম, তুমিকত সুন্দর তুলনা বিহিন। তুমি আছো পাশে, তুমি আছ হৃদয়ে মনের গভীরে। তুমিছারা জীবন শূন্য হতাশা ভরা, তুমিছারা জীবন অন্ধকারে ভরা।      <--©-আদ্যনাথ-->      【--anrc---------20...

713>।।-ফিরেএস-।।

    713>।।-ফিরেএস-।।               <--©-আদ্যনাথ-->        যুগের হাওয়ায় নিজেকে, বদলাবার চেস্টার ত্রুটি কেন। এখনো যেটুকু সম্ভব, এগিয়ে রাখা নয় কি সম্ভব। মনের ইচ্ছা পুরণে, কেন পিছিয়ে থাকা। এখনোতো অনেক বাকি, অনেক কথা বলা। এগিয়ে তো যেতে হবেই, সাথে থাকবেনা কেহই। আস যাওয়া একলা পথে, মনোবল থাকবে সাথে। উদ্দেশ্য ইচ্ছা পুরণ, ভাবনার কিছু আবরণ। রয়ে গেলে কিছু বাকি, জীবন টাই হবে ফাকী। কিছু ভাবনা মন থেকে সরতে চায়না, সময়ের ফাঁকে ভাবায় কথা কয়না। পুরনো দিন দুপুর গভীর রাত্রি, এখন সকলি স্বপ্নের যাত্রী। চেষ্টার ত্রুটি না রেখে, সময়ের সাথে পাল্লাদিয়ে, ভাবনার পাখনা জুড়ে, এগিয়ে যাওয়া বহু দুরে। সীমানা ছাড়িয়ে ভাবনার অতিতে, যেথা ভয় শূন্য মুক্ত আকাশ, দিনান্তে একটু অবকাশ, অফুরন্ত আনন্দের প্রকাশ। কিছু তৃপ্ততার পরশে, মনের আবেশে, স্নিগ্ধতার শীতল আলিঙ্গনে, চাওয়া পাওয়া রুপ সাগর পাড়ে । দুই বাহু বাড়ায়ে উচ্চ স্বরে সাগরতীরে, নিজের প্রকাশ ঢেউ এর সাথে মিশে, অজানা কতো যুগ কতো কাল, চলবে এই অপেক্ষার কাল। অপেক...

712>।। ভুলে যেওনা মোরে, ।।

 ।। ভুলে যেওনা মোরে, ।।        -------- আদ্য নাথ-------- তোমার প্রতি ভালোবাসা জমেআছে  আমার অন্তর তম গভীরে, আমার হৃদয়ের এই ছোট্ট গোপন টুকু বোঝাই কেমনে তোমাকে। কত কথা কত স্বপ্ন ছিল দুজনের সকল কিছুই রয়েগেছে অপূর্ন, সময়ের সাথে সকল পাল্টে গেছে আজ সকল গেছে দূরে সময়ের স্রোতে। ছিলাম বন্ধু একসাথে ঘরের পাশে বন্ধু আজও আছি মোরা ফেস বুকে, জানা অজানা খবর টুকুই মেলে, মন যে সর্বদা পথের দূরত্ব মাপে। ভালোবাসি যাকে  মনচায় কিছু দিতে তাকে। বিনিময়ে চাইনা কিছু, চাই শুধু পূর্ণিমার পূর্ন চাঁদের মতন হাসি টুকু থাকুক তার ঠোঁটে। শুখে থাকো বন্ধু তুমি নূতনদের সাথে, আমি নাহয় বেদনা টুকু রাখব গোপনে। বাসনা বল ইচ্ছা বল একটাই আছে ভুলে যেওনা মোরে, নুতন কে পেয়ে।    ★<----©--●আদ্য নাথ রায় চৌধুরী ●--->★     রাত্রি 12:10 am::11/02/2020 =========================

711>।।| আজকের চিন্তা ||----to fb

  711> || আজকের চিন্তা ||----to fb              <---আদ্যনাথ--> অতীতের চিন্তা কাঁদায়, ভবিষ্যতের চিন্তা ভাবায়, বর্তমানকে নিয়েই চলা ভাল, কিছু সময় সুখে থাকা যায়। করোনা আছে, থাকবে, আর কটা ভাইরাসের মতন। সুস্থ রাখতে হবে নিজেকে নিজে, সাবধানতার নিয়ম গুলি মেনে। বৃথা ভয়ে ভীত না হয়ে  চলতে হবে সাবধান হয়ে। সদা ব্যস্ত শুভ কর্মের চেষ্টায়, প্রকৃত সুখ,আনন্দ দুস্থের সেবায়।        <--©➽--আদ্যনাথ--> ==========================

710>|| প্রকৃতির খেলা ||

 710>|| প্রকৃতির খেলা ||           <--©➽-আদ্যনাথ--->          প্রকৃতির খেলা প্রকৃতি খেলে, ফুল ফোটে, পাখিরা পাখনা মেলে। ওই নীল পাখিটা উড়েজায়, মন পাপিয়া কী-জেন বলে যায় । দোদুল দোলায় দোলে মন, আনন্দে  শিশুর মতন মন। প্রভাতে সূর্যের রং মেখে গায়, পাখিরা আনন্দে গান গায়। সোনালী সূর্যের কিরণ ঘরে থাকেনা মন। জীবন কি থেমে রয়, সদাই খুঁজে বেড়ায়। মন অশান্ত যদি হয়, সদাই বেদনা বাড়ায়। শান্ত মনে নিরালায় বসে, যখন মন মনকে খোঁজে। নূতনকে জানার তাড়নায়, ব্যাকুল মন পথ হারায়। প্রকৃতি রুষ্ট হলে হায় যাতনা ই আশ্রয় হয়। কতো আশায় বেঁধে ছিলো ঘর, শালিক দুটি প্রেমে বিভোর। ঝরে ভেঙে গেল যে বাসা, নূতন ঘর বাঁধবার আশা। ভাঙ্গা আর গড়া প্রকৃতির খেলা, পাখিরা গান গেয়ে যায় দুই বেলা। প্রকৃতি নিত্য খেলার ছলে, প্রকৃতিরে ভাঙ্গে আর গড়ে।    <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ===================

709>||-আমার বাবা-||--( 1 to 9 )

709>1>||-আমার বাবা-||  ( 1 to 7 ) 2>||--পিতৃ দিবস--2018-|| 3>||পিতৃ দিবস16ই জুন 2019 4>।। পিতৃ তর্পণ।। 5>.||আজ Happy Father's day2017-|| 6>|| পিতৃ দিবস 2021 || 7>||  পিতৃ দিবস 2022 || 8>|| পিতৃ দিবস ||---18/06/2023 9> ||  পিতৃ দিবস ||---2025 ============================ 1>||-আমার বাবা-|| জুনের তৃতীয় রবিবার, পিতৃ দিবসে, পিতাকেই মনে পড়ে বার বার। আজ আমার সকলই আছে, শুধু তাঁর অভাবটাই মনে বাজে। তিনি ছিলেন আমার বীর শ্রেষ্ঠ, সর্বকার্যে পটু, সর্বকর্মে শ্রেষ্ঠ। সকল জ্ঞানের সাগর,সর্ব শক্তিমান, শুধু দিয়েই গেছেন, ছিলনা অভিমান। শুধু তাঁর চাওয়া ছিল একটু, " মানুষের মতন মানুষ হও" শুধু। এইটুকুই মাত্র ছিল তাঁর আশা, ছিল প্রাণ ভরা ভালোবাসা। আমার বাবা শ্রেষ্ঠ বাবা, ছিলেন মহা বীর। দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম, ছিলেন শান্ত অতি ধীর। ছিলনা ত্রুটি আদরের, সকল আবদারের। থাকত নজর সকল দিক জুড়ে, আমাদের ছোট্ট আনন্দ নীড়ে। একলাই পরিশ্রম অক্লান্ত,  আমরা ছিলাম দুরন্ত অশান্ত। সেদিন  পারিনি দিতে কিছু, নিয়েছি প্রাণ মন যা চেয়েছে শুধু। দিয়েছেন প্রাণ খুলে করেনি কার্পণ্য, নানান...

708>||- আমরা আছি ||

  708> || আমরা আছি ||           <--©➽--আদ্যনাথ--> রোজ দেখা নাইবা হোলো, তবুও আমরা আছি। মুখ ঢাকা থাকলেও আছে কিন্তু হাসি। রোজ দেখা নাইবা হোলো মোবাইলেইতো  আছি। মুখ ঢাকা থাকলেও আছে চোখের হাসি। রোজ দেখা নাইবা হোলো, সকলের সুখ দুঃখের খবরতো রাখি। মুখ ঢাকা থাকলেও আছি সকলের মনের কাছা কাছি। রোজ দেখা নাইবা হোলো, সকল অনুষ্ঠানের খবরতো রাখি। মুখ ঢাকা থাকলেও ভুঁড়ি ভোজের আগেই থাকি। রোজ দেখা নাইবা হোলো, ভালো মন্দ খাবার খোঁজতো রাখি। মুখ ঢাকা থাকলেও চেটে-পুটে খেতে কি আর ভুলি? রোজ দেখা নাইবা হোলো, সকল কাজেই থাকি। মুখ ঢাকা থাকলেও সত্য কথা একটাই জানি। রোজ দেখা নাইবা হোলো, যা দেবে অঙ্গে তাই যাবে সঙ্গে। মুখ ঢাকা থাকলেও, হাত ধোও, দুরত্ব বজায় রাখ একে অপরের সঙ্গে।  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ---------02/12/2020---11.56pm--- =========================== fb & whatsapp এতে প্রশংসিত। ============================