Posts

Showing posts from June, 2020

776>|| ভাগ্য ||

     || ভাগ্য ||              <--©-আদ্যনাথ--> ভাগ্য, সৌভাগ্য কি দুর্ভাগ্য, ভাগ্যের ভালো মন্দ, সহজ কি বিচার করা? আজ যা ভালো কাল সে মন্দ। এইতো বিধাতার নিত্য খেলা, তাকে কখনই করা যায়না অবহেলা। সাময়িক ভাবনায় হয়না ভাগ্যের বিচার। সেই চাষির সাদা ঘোড়ার মতন। ভাগ্যের শুভ হয় শুভ কর্ম ফলে, শুভ কর্ম করাচাই শুভ চেতনার গুনে। ভাগ্য নিয়ে করে খেলা নিয়তি আনমনে, ভাগ্যে পরিহাস কর্মের ফাঁস জানে কজনে। ঐ ছেড়াঁ জামাটার মতন, ভাগ্য নিয়ে ভাবি, ভাবি আর দেখি, মাঝে মাঝে নিজেকে স্বান্তনা দিয়ে ভাবি, হয়তো আবার মনে মনে ছবি আকিঁ। ওই জামাটা ছিল ভাগ্যের লাকি, আজ ওটাকেই দূরে দূরে রাখি। মন্দিরে আছেন ভাগ্য দেবতা, রোজ চড়াই ফুল,বেল পাতা। দুইবেলা ঠেকাই মাথা, ঘন্টা বাজাই, নিত্য দিন কত ভাগ্যের দোহাই। যদিও ফল শূন্য নিজেরই ব্যার্থতায়, তাই দোষ দেব কাকে অযথায়। চেষ্টাতো করিনা ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে, সময় পাই কোথায় ভালো কাজ করতে। খুঁজতে ভাগ্যের  সংজ্ঞার সঠিক পথ, খুঁজে পাই নানামুনির নানা মত। তাইত শুভ কর্মই শ্রেষ্ঠ পথ, চালাতে শুভ কর্ম গুনের রথ। ত...

775>| ককটেল সন্ধ্যা ||

    || ককটেল সন্ধ্যা ||                 <--©-আদ্যনাথ--> আর নাই ভয়, নাই ভয় এখন, খুলেগেছে আদরের দোকান এখন, করোনার সাথে এল আমফান, ওই দেখ খুলেছে হুইস্কির দোকান। এবারে এস বস আহারে, ককটেলের পেগ নিয়ে বসরে, থাকুক করোনা বাইরে দূরে, একপেগেই সব যাবে ভুলে। হুইস্কির আসল নাম অমৃত সুধা, বেশি চাইলে নিতে পারে কারন সুধা, বেসামাল হলে, দোষ দেবে কোন গাধা, সদাই নির্দোষ কারন আর অমৃত সুধা। থাক ভালো, আনন্দে কাটুক সন্ধ্যা, মন মেতে গেলে হাতে নিও রজনী গন্ধা, বয়সকে ভুলে  আনন্দে কাটুক সন্ধ্যা, জীবন সার্থক হোক, হোক অমৃত সন্ধ্যা। আজকের সন্ধ্যা কাটুক ফুর্তিতে, হুইস্কির সাথে ভাল জমে টার্কিতে, আমফানের পরে এই শীতল সন্ধাতে, ককটেল সন্ধ্যা রঙিন মনের ফুর্তিতে। টার্কি না পেলে চিকেনের রোস্ট, আনন্দে বসে কর য়্যাপে পোস্ট, হুইস্কির ককটেল মনের মতন টেস্ট, পেগে পেগে বাড়ন্ত হুইস্কির টেস্ট। হুইস্কির ককটেলের অমৃত সুধা, সন্ধ্যার শীতল হাওয়া তৃপ্তির ক্ষুধা, হুইস্কির হিস্কি, আনন্দের তর্জা পেগে পেগে খুলে যাবে মনের দর্জা। আনন্দ পূর্ন মনে দেখ রঙ...

774>|| করোনায় স্তব্ধ জীবন || f,

   || করোনায়  স্তব্ধ জীবন || f,                <--©-আদ্যনাথ--> করোনা আতংকে বন্ধী এবারে আছি অ্যাপোলোর নির্জন ঘরে। দুই - দুইবার করোনা পরীক্ষার পরে, এবারে ফিরতে পারলাম ঘরে। এখানেও  গৃহ বন্ধী জীবন, স্তব্ধ হল এই ভবোঘুরে জীবন। কত পথ এখন চলতে হবে, জানিনা আবার কবে দেখা হবে। হয়ত একদিন করোনা ঘুমাবে, হয়ত সেদিন আবার দেখা হবে। আশার স্বপ্ন দেখেই কাটছে দিন, আতঙ্কের এই নিঃসঙ্গ দিন। বিশ্বপ্রকৃতি আজ করোণায় আতঙ্কিত মানুষ মাত্রেই ভীত সন্ত্রস্থ । চারিদিকে মৃত্যুর হাহাকার, রাজনীতি অর্থনীতি একাকার। এক চিন্তা  সকলের মনে বাঁচতে হবে ,কিন্তু কি ভাবে? আজ কেযেন ডাকে অন্যভাবে শেষের তরী আসবে বুঝি করোনায়  ভর করে। বাড়ন্ত মৃত্যুর বিভীষিকা চারিদিকে হাহাকার আর হতাশা। শিশুরাও আজ গৃহ বন্ধী নাই বন্ধু, নাই খেলার সঙ্গী। নিঃসঙ্গ জীবন,করুন মন, সদাই আতঙ্কিত মন। বাবা মা ব্যস্ত নিজেদের কাজে, শিশুমনের স্বপ্ন হাওয়ায় ভাসে। শিশু মন, দুরন্ত,বাড়ন্ত জীবন, বব্ধ ঘরে নিঃসঙ্গ ভীত মন। ভাবনা গুলো হারিয়ে গেছে, সব কিছু  থেমে...

773> || নীরবতা ||

    || নীরবতা ||              <--©-আদ্যনাথ--> শব্দ যখন স্বতঃস্ফূর্ততা হারায়, নীরবতা তখন মেনেনিতে হয়। ভালোবাসি যাকে তার কথা ভালো লাগে, প্রয়োজনটুকু ধরেরেখে, বাকিটুকু হারিয়ে ফেলে। কথা কি আর থেমে থাকে, সেতো চলতেই থাকে। কথাও এক শক্তি তার রূপান্তর ঘটে বার বার, কথারুপ শব্দ চলছে চিরকাল। এই প্রকৃতির মাঝে শব্দই ব্রহ্ম, কথাতো শব্দের শৃঙ্খলা মাত্র, কথার কতই প্রকার ভেদ, ব্রহ্ম সদাই অচ্ছুৎ অভেদ। নীরবতার সীমারেখায় না বলা কথা। কজন পৌঁছতে জানে সেই কথার গভীরে। আগ্নেয়গিরির গভীরে মূলাধার চক্রে স্ফুলিঙ্গ বং বং বং শব্দের কম্পনে, ক্রমে জাগ্রত স্বাধিষ্ঠান , নাভি, হৃদয়, বিশুদ্ধ , আজ্ঞা চক্র ভেদকরে, সহস্রার চক্র হতে নির্গত প্রবল শক্তির অগ্নিউদ্গার । সেওতো এক ধ্বংস লীলার শব্দরূপ। ত্রিব্রহ্ম, সপ্তম আকাশ, ভেদিতে পারে মুহূর্তে, বহু কালের নিস্তব্দে দন্ডায়মান ওই যে ভূধর, তার অগ্নিউদ্গার। নীরবতা সদাই ক্ষনিকের তরে, নীরবতার অন্তরদহনে শব্দের ঝঙ্কারের প্রবল ঘর্ষণের অগ্নি উদ্গার। মুহুর্তে সপ্ত সমুদ্রে উথাল, পাথাল শেষনাগের উদ্গারিত গড়ল, ক...

772>| আজকের চিন্তা ||

|| আজকের চিন্তা ||           <--©-আদ্যনাথ--> করোনার যাতনা, লকডাউনের তাড়না। দৈনন্দিন জীবনের হাজার যাতনা, কোন কারনেই আমরা হারবনা। আমরা দেখেছি বিশ্বযুদ্ধ, আমরা সয়েছি প্রকৃতির রোশ। আমরা মরার আগে মরবো না, আমরা করোনাকে ডরাইবনা, এমনটাই আমাদের পন আর ভাবনা। বাঁচার জন্য লড়াই, জীবনের জন্য লড়াই, প্রাণী মাত্রেই নিত্য চলছে লড়াই, তবে আজ কেন করোনারে ডরাই? মৃত্যু আসবেই, হয়ত অকালেই আসবে। শোক তাপও থাকবে, ওই আনন্দ, উল্লাসের মতন। কাজ থেমে থাকবে না। যত দিন বাঁচব কাজ করে যেতে হবে, আরব্ধ কাজ আমাদের করে যেতেই হবে। এটাই পরম সত্য, এটাই সমাজের জন্য কর্তব্য। এটাই জীবনের জন্য সত্য। এই সত্যকে মেনে নিতে হবে হাসি মুখে, হাসি-- মুখের হাসি,প্রাণের হাসি, হৃদয়ের হাসি, সকল বুঝে নেওয়ার হাসি, সকল ভালো থাকার হাসি, সকলকে ভালো বাসবার হাসি, সকল বিশ্বাসের শ্রেষ্ঠ প্রকাশের হাসি। মনসুন্দর হলেই হাসি সুন্দর হয়, ফুলেরা হাসলেই প্রকৃতি হাসে, প্রকৃতি হাসলেই মৃদুমন্দ শুদ্ধ বায়ু বয়। প্রাণী মাত্রেই বাঁচার নুতন পথ পায়। নুতন পথে নুতন উদ্যোমে, আমরাও বাঁচব নুতন ভাবে। চরৈবেতি চরৈ...

771>|| জীবনকে চেনা ||

 771>|| জীবনকে চেনা ||            <--©➽-আদ্যনাথ----> জীবনকে যদি যুদ্ধ মনেকর, তাহলে রক্তক্ষরণ হবেই। জীবনকে যদি নদী মনে কর, তাহলে সকলকে নিয়েই বইতে হবে। জীবনকে যদি পাহাড় মনে কর, তাহলে সকলের ভার বইতে হবে। জীবনকে যদি পাপ মনে কর, তাহলে পাপেই জীবন ভরে যাবে। জীবনকে যদি দুঃখের আখড়া মনে কর, তাহলে দুঃখের বোঝাই বইতে হবে। জীবনকে যদি চন্দন গাছ মনে করো তাহলে ঘর্ষণ মাত্র সুগন্ধ ছড়াবে। জীবনকে যদি আনন্দ ময় মনেকর, তাহলে সকলের সাথে আনন্দে দিন কাটাবে। তাই জীবন ঠিক তেমন যেমনটি তুমি ইচ্ছা কর। ঈশ্বর কেবল তোমার ইচ্ছাশক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করেন। তাই তোমার ইচ্ছাতেই গড়ে উঠবে তোমার জীবন। কিছু করলেই অনুভন করাজায়। জীবন যখন শুধুই নিজের জন্য সেই জীবন পশু তুল্য। জীবন যখন অপরের জন্য সেই জীবনই হয় সমাজে ধন্য।    <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->        10/11/2019 =========================             

770>|| ভাবনা ||

       || ভাবনা ||                <--©-আদ্যনাথ--> মানুষ মাত্রেই ভাবনার অধীন, ভাবনাই জীবনকে ভাবায়, ভাবনাই জীবনকে দেখায়, ভাবনাই নিত্য নুতন স্বপ্ন দেখায়। ভাবনা ই চলার পথ দেখায়, ভাবনাই প্রতিমুহূর্তে শেখায়, ভাবনাই মানুষের পরিচয় জানায়, ভাবনাই জীবনকে বাঁচতে শেখায়। ভাবনার দুই শর্ত, যুক্তি তর্ক আর আন্তরিক। এই সংসার আত্মীয় পরিজন সামাজিক, এদের ভাবনায় যুক্তি তর্ক স্বাভাবিক। দেশের দশের ভাবনা, সমাজ কল্যাণের ভাবনা, নিজেকে উজাড় করে দেবার ভাবনা, এত মহৎ প্রাণের আন্তরিক ভাবনা। এহেন আন্তরিক ভাবনার সমাধানে কজন মানুষ ছুটে বেড়ায়? সকলেই ওই যুক্তি তর্কে ব্যস্ত রয়। এই কল্পে জীবনলাভ কতটুকু ভাবায়? নিজের ভাবনা ভাবতে ভাবতেই জীবন যায়। তাইত বারবার আসা যাওয়া, কলুর বলদের মতন ঘুরে মরা। ভাবনা চলতে থাকা এক যাতনা, ভাবনা এক চক্র বুহের মতন যাতনা, ভাবনা এক শর্ত বিহীন মনের কামনা, ভাবনা এক রাত জাগা অনিদ্রার যাতনা, ,ভাবনা এক পলকহীন জেগে থাকা, ভাবনা এক নিশুতি রাতেও জেগে থাকা, ভাবনা এক ভুলতেচাইলেও না ভোলা। ভাবনার মৃত্যু হয়না, সকল ...