Posts

Showing posts from March, 2020

762>|| বাঁচার এক মাত্র উপায় ||

  || বাঁচার এক মাত্র উপায় ||             <-------আদ্যনাথ------> আমি নিজেকে করেছি গৃহবন্ধি গল্পের বইয়ের সাথে করে সন্ধি। দিন কাটে লিখে আর বই  পড়ে, রাত্রে একটু প্রায়াণাম আর নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে। চাইছি কাট আউট করতে করোনাকে জানিনা কবে এর শেষ হবে কি ভাবে। তবুও চেষ্টা করতে ক্ষতি কি চেষ্টায় হয়না এমন কিছু আছে কি? তাই দূরে রেখে সকল ভাবনা চিন্তা একটাই যেন না ছড়ায় করোনা। করোনা রুপি রাক্ষস মানুষকে করছে গ্রাস বাঁচবার উপায় খুঁজতেই এই টুকু প্রয়াস। করোনা রাক্ষস প্রথিবীকে করছে গ্রাস ধীরে ধীরে বাড়ন্ত ভয়ের ত্রাস। আমাদের সামান্য অসতর্কতা সহায়ক হতে পারে পৃথিবী ধ্বংসের বার্তা। ===24/03/2020::03:22:18pm===

761>|| ভগবানের ঠিকানা ||

  || ভগবানের ঠিকানা ||         <-----আদ্যনাথ----> আজ সকল মন্দির বন্ধ, মন্দিরে লাগিয়ে তালা ভগবানেরা সাদাকোট পরে হাজির সকল হস্পিটলে। বাঁচাতে হবে মানুষদের নাহলে কে পূঁজা করবে ওনাদের। মানুষ ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি তারা না বাঁচলে কে গাইবে ভগবানের গুন কৃত্তি। তাই আজ ভগবান ছের নিজের আসন নেমে এসেছেন পৃথিবীর বুকে হস্পিটলে,হস্পিটলে, ক্যাথিটার গলায় ঝুলিয়ে সাদা কোট গায়ে জড়িয়ে নাকে মুখে মাস্ক লাগিয়ে হাতে দস্তানা লাগিয়ে । কত মুনি ঋষি গন করে যতন হাজার  বৎসরের প্রচেষ্টা পারেননি ভগবানকে নামাতে মর্তে। করোনা অসুর ভয়ানক বটে টেনে নামালো ভগবানদের পথে। তাইতো ভগবানও আজ ভয়ে ভীত বুঝি স্বর্গ লয় লুটে করোনা অসুর যত। মানুষ বাঁচলেই ভগবান বাঁচবেন এতদিনে ভগবান সেই সত্য বুঝেছেন। তাইতো ভগবান আজ নেমে এসেছেন, মানুষের সেবায় জুটেছেন। ===23/03/2020::10:39:10pm====

760> ||বোধ হয় এমনি করেই আসে প্রলয়

বোধ হয় এমনি করেই আসে প্রলয়, পৃথিবীতে করোনার ভয়। দেশবাসী ভীত সন্ত্রস্ত, তার উপরে ক্রোয়েশিয়ার ভূমিকম্প। ধীরে ধীরে কাল করছে গ্রাস পৃথিবী জুড়ে ভয়ের ত্রাস। বাঁচে  থাকবার লড়াই সয়, এভাবেই পৃথিবীর সমতা রক্ষা হয়। তাইতো হেথায় কেহ কারুর নয়। কেহ কারুর নয়। পৃথিবী এক,ঈশ্বর এক জীব জগৎ রইবে এক, আবার হবে সৃষ্টির শুরু প্রলয়ের শেষে আবার হবে শুরু এক হতেই হবে বহুর শুরু।           <-----আদ্যনাথ------->

759>|| করোনা ভীতি ||

   || করোনা ভীতি ||         <---আদ্যনাথ----> মেনে নিয়ে সকল শর্ত ফন্দি নিজেরে করেছি ঘর বন্ধি। ডুবন্ত মানুষ খর কুটো ধরেও বাঁচতে চায়, তাইতো সত্তরেও বসে আছি বাঁচার আশায়। ডাক্তারের নির্দেশ করোনার হুমকি পালাবার পথ খুঁজে পাব কোথাও কি। টিভি মোবাইল শুধু করোনার ভয় দেখায় দিনরাত কেবলি তর্কযুদ্ধ হেথায় হোথায়। দিনেদিনে কত ফন্দি আটবে ওতে কিআর করোনা থামবে? করোনা থামাতে দরকার বোধ বুদ্ধি কিন্তু আমরা সবজান্তা বুদ্ধির ঢেকি। দিনে দিনে জনজীবন হচ্ছে স্তব্ধ মিডিয়া এখনো তর্কে ব্যস্ত। বাড়ন্ত কালো বাজার আছে প্রচার নাই প্রতিকার। পথ ঘাট জনমানব শূন্য ভূতের প্রায় গৃহবন্ধি হয়ে জীবন ওষ্ঠাগত প্রায়। পয়সা ওয়ালারা মজুত করছে আনাজ গরিবের দিন গুজার করা মুস্কিক আজ। প্রশাসন ব্যস্ত জ্বর মাপতে সেনিটাইজার বিলাইতে, বিজ্ঞান ব্যস্ত প্রতিষেধক খুঁজতে। আরম্ভর হরেক রকম ফাঁকা হাড়িতে অন্ধের হাতি দর্শনের ব্যাখ্যা বোঝাতে। কিআর করি ঘর বন্ধি হয়ে, তোমরা থেকো সাবধানে সতর্ক হয়ে। আমার লেখাতে করোনা রাগ যেওনা চোটে, আমি অনাথ মূর্খ বুদ্ধি নাই ঘটে।    <------আদ্যনা...

758>|| তুমি চলে গেলে ||

        || তুমি চলে গেলে ||                       <-----©-আদ্যনাথ---> তোমাকে পেতে চেয়েছিলম হৃদয়ের কাছে একান্ত অাপন করে, তুমি চলেগেল আমাকে অবহেলা করে। আজও আছো তুমি হৃদয়ের কোনে অতীতের ঘুম ভাঙানো স্বপ্ন ঘিরে। অতীতে যেটুকু  সত্যি ছিলো, আজ তাই কেমন যেন স্বপ্ন হলো। পথে ঘাটে দেখি তোমায় চলার পথে তোমার চলার গতি পাল্টে গেছে। সেদিন তোমার চলনে ছিলো চঞ্চল হরিণীর মতন। আজ দেখলাম উদাসী হওয়ায় আলুথালু বেশে চলেছো অাপন মনে। আজওকি একবার আমায় পড়েনা মনে তুমি এমন নিষ্ঠুর কেমন করে হলে। সেদিন সন্ধ্যায় হারিয়ে যেতাম আউট্রাম ঘাটে একলা দুজনে মিলে। আজও মনে পড়ে কলেজ ছুটির পরে রোদ জল ঝড় কিছুই না মেনে পরে, বেরিয়ে পড়তাম দুজনে গঙ্গার পারে। সেদিনের কথা গুলি ভুলবো কি করে। আজ একচিন্তাই মনে ঘোরে কি করে তুমি এত নিষ্ঠুর হলে। কোন কূহলিকার ছলনার ছলে, তুমি চলে গেলে।       <-----©-আদ্যনাথ--->    【--anrc--20/03/2020--】      【=রাত্রি:01:03:18am=】 【=তেঘড়িয়া...

757>|| না হয় একটু হারিয়ে গেলে ||

    || না হয় একটু হারিয়ে গেলে ||                             <---©-আদ্যনাথ---> চিন্তারবোঝা দুরন্ত হলে না হয় একটু হারিয়ে গেলে। হারিয়ে গেলে একটু দূরে মন থেকে খানিক দূরে। একলা নিরালায় খোলা আকাশের নিচে, প্রাণ খুলে কথা বলে ভালোলাগা ওই ফুলেদের সাথে। প্রজাপতি আসে যদি ঘ্রাণে দিও একটু আদর তারে মনে প্রাণে। না হয় একটু হারিয়ে গেলে | মৌমাছি উরেজাবে ফুলের মধু খেয়ে। পিছু ডেকোনা তারে, ব্যস্ত জীবন কি থামতে পারে। ডেকোনা তারে, বোলনা কোন কথা। শুনতে চাও শোনো তার ব্যস্ততার গুণ গুণ কথা। তার আর সময় কোথায়। না হয় একটু হারিয়ে গেলে | ফুল যদি হাসে আলতো হাতের ছোঁওয়া আদর মিশিয়ে দিও তারে। শোনাও প্রাণের কথা একলা হৃদয় উজাড় করে ক্ষণিক বিশ্রামের ফাঁকে। চিন্তার বোঝা দূরে রেখে নিদ্রা আলিঙ্গনের স্পর্শ দিলে শীতল শরীর হয়তো ঘুমের পরশ পাবে। না হয় একটু হারিয়ে গেলে | স্বপ্ন গুলি একে একে আসবে যাবে হয়তো হারিয়ে যাবে, গভীরে। তুমিও একলা ঘুমিয়ে রবে ফুলের স্পর্শ নিয়ে। না হয় একটু হারিয়ে গেলে |...

756>|| একলাই চলো পথ ||

     || একলাই চলো পথ || কে বলতে পারে আজ যে আছে সাথে কালকেও সে থাকবে তোমার সাথে। আনাড়ীর আবেদন টুকু রেখো মনে। জীবন এক নদীর মতন, এগিয়ে চলাই তার ধর্ম, পিছনের টান গুলি থেকেজায় সর্বক্ষণ। তবুও এগিয়ে যেতে হয় ইচ্ছা শক্তির বলে, লক্ষ পূরণের তাগিদে বর্তমানের জোয়ার ভাটার টানে। নদীর ইচ্ছা সাগরে মিলতে, জীবনের ইচ্ছা লক্ষ পূরণে। নদীর প্রবাহ  জলের উৎসের বলে, জীবনের অগ্রগতি ইচ্ছা শক্তির বলে। যদিও এহেন ভাবনা ছিলো একান্ত নিজের জীবনে, তাইতো পৌঁছতে পেরেছিলাম হিমালয়ের শিখরে। প্রথম জীবনের লক্ষ ছিল শিক্ষার সাথে সাথে ঘুড়ে দেখবো পাহাড় জঙ্গল, করবো অসাধ্য সাধন। ছিলোনা প্রচার মাধ্যম, ছিলোনা অর্থ আর সহায়ক বল। যাছিল তা হল নিজের ইচ্ছা শক্তির বল। ওই এক শক্তিই পৌঁছে দিয়েছে আমাকে লক্ষ পূরণের শিখরে। সেই হতে শুরু, আজ আমি পূর্ন জীবনের সকল আশাই করেছি পূর্ন। যা চেয়েছি সকলই পেয়েছি এই সব পেয়েছির দেশে।

755>|| ভাইরাস ||

       || ভাইরাস ||                <--©-আদ্যনাথ--> করুণায় কম্পমান দেশ কে জানে কোথায় হবে এর শেষ। এ-লড়াই বাঁচার লড়াই এ-লড়াই সর্বস্তরের লড়াই। সোয়াইফ্লু,চিকেন বুনিয়া ভাইরাস নিয়ে লড়ছে দুনিয়া। খাবারে বিষ, বাতাসে বিষ এখন ছোয়া ছানিতেও বিষ। ভীত সন্ত্রস্ত সকল দেশবাসী স্কুল কলেজ সকল ছুটি। সকলের মুখে নাকে মাস্ক পকেটে সেনিটাইজার বস্ক। অফিস বাজার হচ্ছে বন্ধ ক্রমে সকল যাত্রায় ধন্দ। সকল উৎসব ক্রমে বন্ধ সকল মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। এমন করেই বোধহয় আসবে প্রলয় এই পৃথিবীর জীবনের হবে লয়। বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির শক্তি সকলি অহঙ্কারের যুক্তি। সকল দেশে সকল স্তরে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই নেতাদের আসন আর পদ নিয়ে লড়াই। সকলেই ব্যস্ত নিজেকে দেখতে শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানও বোধ হয় আজ ভীত সন্ত্রস্ত। বিজ্ঞানের বলে খুঁজে ঈশ্বর কণা, বিজ্ঞান ভগবান সম হবার কল্পনা। সকল দেশের শক্তির প্রদর্শন শুধু মানুষ মারার যন্ত্রের বর্ণন। কেউ করেনা জীবন দানের উপায় ব্যস্ত সকলে মানুষ ধংসের ব্যবস্থায়। আমরা শ্রেষ্ঠত্বের করি বড়াই মানুষে মানুষে হিংসা ছড়াই। মানু...

754>|| শ্রেষ্ঠ মূর্খ পুরুষ ||

    ||শ্রেষ্ঠ মূর্খ পুরুষ || বর্তমান যুগে সেই পুরুষই মূর্খ শ্রেষ্ঠ, যে পুরুষ নিজের বউকে জ্ঞান দিতে চায়।           <--------আদ্যনাথ-----> আমি কোন সত্য যুগের কথা বলছি না বা রামায়ণ মহাভারতের যুগেরও কথা বলছিনা। বলছি বর্তমান যুগের কথা। একজন পুরুষ মানুষের পৌরুষ,জ্ঞান, অহঙ্কার, তথা সকল গুন ততক্ষণ থাকে যতক্ষণ সে ব্যাচেলর বা অবিবাহিত। বিয়ে করলেই তাঁর গুন জ্ঞান সকলি ভেসেজায় বউরুপি নোনা জলের জোয়ারে। যে জল কোন কাজেই লাগেনা আর বউয়ের আজ্ঞা ব্যতিরেকে। বিয়ের পরেই শুরু হয় তার আসল শিক্ষা দীক্ষা, কর্ম কাণ্ডের সংস্কার ও জ্ঞান। তখন পুরুষের পৌরুষ বজায় থাকে ঘড়ের বাইরে,অফিসে,আদালতে। ঘড়ের ভিতরে সে বউয়ের আজ্ঞাকরি নিতান্ত ভেজা বেড়াল।        <-----আদ্যনাথ------>

753>| শ্রী মদ স্বামী বিবেকানন্দ ||

    || শ্রী মদ স্বামী বিবেকানন্দ || fb, wa D (12 January 1863----4 th July 1902)  " মৃত্যু বা কালীকে উপাসনা করিতে সাহস পায় কয়জন? এস, আমরা মৃত্যুর উপাসনা করি। আমরা যেন ভীষণকে ভীষণ জানিয়াই আলিঙ্গন করি—তাহাকে যেন কোমলতর হইতে অনুরোধ না করি, আমরা যেন দুঃখের জন্যই দুঃখকে বরণ করি।" ------স্বামী বিবেকানন্দ। ========================   ||-বীরেশ্বর বিবেকানন্দ-||D               <--©➽-আদ্যনাথ--->                     হে বীর বীরেশ্বর বিবেকানন্দ, জগৎকে দেখাইলে আলো ও আনন্দ। গুরুর আজ্ঞা করতে পালন, প্রতিজ্ঞা বদ্ধ ছিলে আজীবন। হে বীর মনেপরে সেই  4ঠা জুলাই, তুমি হাসতে হাসতে নিয়েছো বিদায়। তোমার সকল বানী আমাদের প্রেরণা, এই জীবনে তোমায় ভুলতে পারবনা। পৃথিবীর যেদেশেই পৌঁছেছি, সর্বত্রই তোমার ছবি দেখেছি। দেখেছি তাঁদের, যাদের কাছে তুমি ঈশ্বর, তুমিই জীবন, যাদের তুমি করেছ আপন। যাদের তুমি বেসেছ ভালো, যাদের তুমি দেখিয়েছ আলো। জগৎকে দেখিয়েছ জীবন মুক্তির আলো, তোমার শ্বাশত বাণী দিগ্-দিগন্তে জাগিয়েছে প্রাণের আ...

752>|| || হে বন্ধু ফিরেএস ||

    || হে বন্ধু ফিরেএস ||           <--©➽-আদ্যনাথ---> মনের ইচ্ছা পুরণে, কেন পিছিয়ে থাকা। এখনোতো অনেক বাকি, অনেক কথা বলা। এগিয়ে তো যেতে হবেই, সাথে থাকবেনা কেহই। আস যাওয়া একলা পথে, মনোবল থাকবে সাথে। উদ্দেশ্য ইচ্ছা পুরণ, ভাবনার কিছু আবরণ। রয়ে গেলে কিছু বাকি, জীবনটাই হয়ে যাবে ফাকী। কিছু ভাবনা মনে থেকেই যায়, সময়ের ফাঁকে ভাবায়, কথা কয়না। পুরনো দিন দুপুর গভীর রাত্রি, এখন সকলি স্বপ্নের যাত্রী। চেষ্টার ত্রুটি না রেখে, সময়ের সাথে পাল্লাদিয়ে, ভাবনার পাখনা জুড়ে, এগিয়ে যাওয়া বহু দুরে। সীমানা ছাড়িয়ে ভাবনার অতিতে, যেথা ভয় শূন্য মুক্ত আকাশ, দিনান্তে একটু অবকাশ, অফুরন্ত আনন্দের প্রকাশ। কিছু তৃপ্ততার পরশে, মনের আবেশে, স্নিগ্ধতার শীতল আলিঙ্গনে, চাওয়া পাওয়ার রুপ সাগর পাড়ে । দুই বাহু বাড়ায়ে উচ্চ স্বরে সাগরতীরে, নিজের প্রকাশ ঢেউ এর সাথে মিশে, অজানা কতো যুগ কতো কাল, চলবে এই অপেক্ষার কাল। অপেক্ষাকে করে উপেক্ষা, হাসি খুশিতে ভরা জীবনটা, ভুলেগিয়ে ব্যনজনার অতীত, নুতন ভাবনায় জীবন ব্যতীত। হে বন্ধু ফিরেএস, বারেক দেখ ফিরে মনের গভীরে, কেউ হয়তো আছে তোমাকে ঘিরে, জীবনতো ক্ষনিকের...

751>|| শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের 186 তম জন্মতিথি।

 751>  আজ 15ই মার্চ 2021  শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের 186 তম  জন্মতিথি। ঠাকুরের জন্ম তিথিতে জানাই  আসমার প্রণাম। নিবেদন করি আমার অন্তরের কিছু কথা।           ||  ঠাকুর ||                     <--©➽-আদ্যনাথ--> অতি আশ্চর্য আনন্দময় পুরুষ তিনি, শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবকে জানি। আনন্দ পূর্ন হৃদয় ছিল তাঁর স্বরূপ, অধ্যাত্মসাধনায় তাঁর অনুভব ছিল সৎ, 'চৈতন্যময়' এই বিশ্বের সমগ্র জীব-জগৎ। অজস্র মানুষের হৃদয় আনন্দিত হর্ষে, সৎ-চিৎ-আনন্দস্বরূপ রামকৃষ্ণ রূপী অমৃতকুম্ভের স্পর্শে।  আজও তাঁর  মননে, চিন্তানে সকল স্থানে ‘আনন্দের হাট’ বসে।  সেই হাটে মেলে প্রেম ও করুণার আধান, আর সেথায় রামকৃষ্ণ রূপ আনন্দ সাগরের স্বাদ নিতে অগণিত মানুষের হয় সমাগম।  জাতী ধর্ম নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায় হয় ধন্য তাঁর করুণা স্পর্শে,  সকল হৃদয় হয় আনন্দিত সদা হর্ষে। রামকৃষ্ণ রূপী মহা সাগরের জলে হৃদয় পূর্ন করে। যে ঘাটের অমৃত জল নিতে নাই কোন শর্তাবলী।  শুধু মনের ভক্তি টুকুই যথেষ্ট কেবলি। আজ এহ...

750>|| এই ফাল্গুনে ||

       || এই ফাল্গুনে ||             <--©-আদ্যনাথ--> আগুন আগুন, শুরু হলো ভ্রমরের গুন গুন। পলাশের ডালে ডালে লেগেছে আগুন, আঙ্গনে ভরেছে পলাশ ফুলের রঙ, শীতকে সরিয়ে, এসেছে ফাগুন। প্রেম নিবেদনের ফাল্গুন, দুটি মন এক সুরে গুন গুন। বসন্ত আজ দাড়ায়ে দুয়ারে এসো-হে প্রেমিক এস দুইবাহু বাড়ায়ে। তোমার অপেক্ষায় আছি যে দাঁড়ায়ে, নীরবে নিভৃতে দেব প্রেম উজার করে। বসন্তের প্রথম ক্ষণে,তোমার আলিঙ্গনে, মন প্রাণ পূর্ন হোক বসন্তের গানে। মধুময় হোক মন, পলাশের রঙে রাঙ্গিয়ে, ওই ঠোঁটে প্রথম চুম্বনের শিহরনে। মনে প্রাণে অনুভব বসন্তের সমীরণ, তাই বুঝি পলাশের আগমন। আজ বসন্তে মন চায় অঙ্গে অঙ্গে রঙ ভরিয়ে দিতে, দুটি মনকে এক রঙে রাঙিয়ে দিতে। ঝুমুরের তালে তালে খোঁপায় পলাশ দোলে, কৃষ্ণচূড়া ষোড়শীর বেনির বাঁধনে। মালতি লতা আর কনকচাঁপার মালা গলে, বসন্তে প্রথম প্রেমস্পর্শে অঙ্গে অঙ্গে শিহরন জাগে। প্রেমের উষ্ণতায় মন ব্যাকুল ঘনিষ্ঠ আলিঙ্গনের তরে, প্রতীক্ষা কেবল দোলপূর্ণিমা নিশির। দোলের আবিরে অঙ্গ রাঙিয়ে, প্রেমের আবেশে মন রাঙিয়ে, ফাল্গুনী পুর্ণিমায় ব...

749>|| আজ আমি অনাথ ||

|| আজ আমি অনাথ ||           <--আদ্যনাথ---> সে যতদিন ছিল, বুঝতে চাইনি তারে, তথাপি সে রাখতো  সামলে যতনে আদরে। দশ মাস ছিলাম জঠরে, লাথি, ঘুষি,চালাতো সজোরে। তখন তো না হয় নিতান্ত অবুঝ, ভ্রুণের চঞ্চলতা  জানান দিত জীবনের বার্তা। তারপর জন্ম লগ্ন থেকেই, দিন প্রতিদিনের বাড়ন্ত অন্যায়, তার আঁচল টুকু ছিল সর্ব সহায়। তিনি ঢেকে নিলে বুকের কাছে সব ভুলে শান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম স্নেহ মাখা সেই আঁচলে। কোনদিন বিচলিত হননি তিনি, করেননি কোন প্রতিবাদ। তিনি যে মা। করতেন শাসন প্রয়োজন  মতন, বুঝতে দেননি কোন অভাব অনটন। ঘরের প্রতিটি খুঁটি নাটি থেকে পরিবারের সকল আবদার, কোথাও রাখতেন না খামি, সকাল থেকে সন্ধ্যা নিখুঁত পরিপাটি। তাঁর নিজের ছিলোনা কোন চাহিদা, না ছিল বিশ্ৰাম,না ছিল ক্লান্তি, দিনরাত কর্ম ব্যস্ত অবিরাম প্রশান্তি। তিনি ছিলেন মা আমার মা। তাকে হারিয়ে আজ বুঝতে পারি তার অবদান গুলি। মা হারা সন্তানের জীবন ভীষণ ভারী, যত দিন ছিলেন বুঝিনি তারে, সন্তানের সকল কষ্টের ভার  বয়ে চলতেন সাদরে। তাকে হারিয়ে ...

748>|| || মানুষ চেনা দায় ||

    || মানুষ চেনা দায় ||                    <--©➽--আদ্যনাথ--> মন চায় কিছু বলতে, আজকের দিনটিই হোক শ্রেষ্ঠ তবে। আগামী কাল তো এটাই ইতিহাস হবে, যেদিন আসছে কে তারে জানতে পারে! ভেবেছিলাম আমি বলবো তুমি শুনবে, সময়ের কালচক্রে, কে কাকে বুঝবে। বুঝতে পারাটাই আসল সার্থকতা, মানুষকি বোঝে সকলের মনের কথা? সবাই নিজের স্বার্থ নিয়েই করছে লড়াই, বাক বিতণ্ডা যত নিজেই নিজের বড়াই। সকলেই ব্যস্ত নিজের মতন নিজেকে গুছিয়ে নিতে। ভুলে গেছি সমাজকেও  আমাদের কিছু হবে দিতে। আমরা সরেগেছি দূরে, একে অপরের থেকে, সরেগেছি আমরা করোনার ভয়ে শুধু গুড মর্নিং,গুড নাইট বলেই  সম্পর্ক মেটাতে চাই। এই গুলি কি সম্পর্ক জিইয়ে রাখতে, নাকি দূরে থাকতে? নাকি লোক দেখানো পাশ কাটিয়ে যেতে? তাই বলি মানুষ চেনা দায়, বলতে পার, কি আছে মানুষ চেনার উপায়? =====<--©➽--আদ্যনাথ-->===== =========================