Posts

Showing posts from September, 2020

797> ভাগ্য লিপি ++ভালোবাসর কোন বিকল্প নাই, ।

 797>  1>||  ভাগ্য লিপি  || 2>।। ভালোবাসর কোন বিকল্প নাই, ।। =================== 1>||  ভাগ্য লিপি  || শিশু কালে শুনেছি,  ষষ্ঠ দিনে ঈশ্বর লেখেন ভাগ্য লিপি। আজ জীবনের সত্তরের কোঠায় পৌঁছে,   উপলব্ধি করেছি, কিছু সত্য বলি। জীবনের প্রতি দিন ক্ষণের কর্ম সমষ্টিই  নির্দিষ্ট করে ভাগ্য লিপি। কেমন বলি,কেমন চলি,সকল চিন্তা গুলি, এই নিয়েই তৈরি পথ চলার সোপান গুলি।      ★<----©--●আদ্য নাথ●--->★to fb ======================= 2>।। ভালোবাসর কোন বিকল্প নাই, ।। -------------আদ্যনাথ --------- ভালোবাসর কোন বিকল্প নাই, ভালোবাসাতেই মেলে সকল স্থানে ঠাই। তাইতো ভালো বাসতে জানাচাই, ভসলবাসতে পারা শিখতে হয় তাই। ভালোবাসার প্রথম পাঠ ও শিক্ষা নিজেকে নিজে ভালোবাসার শিক্ষা। তবেই পারাযায়  অপরকে ভালোবাসতে । তাইতে ভালোবাসা  অমূল্য রতন, নিজেকে ভালোবাসতে জানা অতি প্রয়োজন। ভালোবাসা নিজেই ভীষণ স্পর্শকাতর, ভালোবাসতে প্রয়োজন হৃদয়ের আদর। ভালোবাসার অক্ষর চারটি, জীবনের শুরু থেকে অন্ত সিঁড়ি ও চারটি। ভালোবাসাই জীবন গড়ে তোলে, ভালোবাসতে না জানলে জীবন...

796>|| চিন্তা শক্তি || +আমরা যেন কেমন

   796>|| চিন্তা শক্তি || +আমরা যেন কেমন চিন্তার শক্তি অসীম। জল তরঙ্গেরন্যায় প্রবাহিত  সূক্ষ্ম চিন্তার কম্পন বলয়। সদা সকলের শুভ কামনা করতে হয়। যার জন্য শুভ চিন্তা করবো,  চিন্তায় যদি গভীরতা থাকে,  তার নিশ্চিত শুভ হবে। সাথে নিজেরও শুভ হবে। আবার কারুর অশুভ বা অকল্যাণ চিন্তায়, নিজেরও অশুভ বা অকল্যাণ হয়। এমনি বিধির বিধান কার্য কর হয়।        <--©-আদ্যনাথ--> "=====================  || আমরা যেন কেমন হয়েগেছি ||                     <--©➽--আদ্যনাথ--> আমরা যেন কেমন হয়েগেছি আজ সকলেই ব্যস্ত নিজের মতন নিজেকে গুছিয়ে নিতে। ভুলে গেছি সমাজকেও  আমাদের কিছু হবে দিতে। শুধু গুড মর্নিং,গুড নাইট বলেই  সম্পর্ক মেটাতে চাই। এই গুড মর্নিং গুড নাইট, একি সম্পর্ক জিইয়ে রাখতে,নাকি দূরে থাকতে? নাকি লোক দেখানো পাশ কাটিয়ে যেতে? এর  কারণটি যে কি ! শুধু সেই টুকু বুঝতে  আমি হতভাগা, ভেবেই পাগল।     ★<---©➽--আদ্যনাথ---->★ ======================  

795>|| জীবন ও সময় ||

  795>|| জীবন ও সময় ||+हिन्दी          <--©➽--আদ্যনাথ--> জীবনের অর্থ ও সংজ্ঞা জানা নাই, সময়ের অর্থ ও সংজ্ঞা ও জানা নাই। বিজ্ঞানের চিন্তায় সময় যদি হয় কাল্পনিক, মুনি ঋষিগণের চিন্তায় জীবন সময়ের মন্থন খানিক। কল্পনার চিন্তাতে কিছুটা যাই এগিয়ে। সময় নিত্য,সদাই সত্য। জাগতিক সকল কিছু, চলিছে সময়ের পিছু। সময় মহা মূল্যবান, সময়ের জ্ঞান শ্রেষ্ঠ জ্ঞান। কাল চক্র চলিছে দেখ সময়ের টানে। সময় নাচিছে দেখ কাল চক্রের আগে। তবুও বার বার প্রশ্ন জাগে মনে, সময় গতি পায় কার বলে! জীবন আসেকি নিজে, নাকি প্রকৃতি আনে তারে খেলার ছলে। আবার চলেযায় হঠাৎ নিজের মনে, জীবন কেন, আসে যায় কোন চক্র বলে।  সময় কি  গতি পায় প্রকৃতির ঘূর্ণনে? প্রকৃতির প্রেম আর সময়ের নিষ্ঠাতে? সময় চলে নিজের গতিতে,প্রকৃতির সাথে, কাল চক্রের অবিরাম গতি সময়ের সাথে। সৃষ্টির প্রাক্কালে শক্তির গর্ভ ভেদের কালে, সৃষ্টিরগর্ভের আলোর উৎসারিত ক্ষণে। উৎসারিত শব্দব্রহ্ম রূপে সত্য জ্ঞান, সময়ের অন্তরের অমূল্য রতন। সময়ই বলবান,সময়ই শক্তিমান, সময় সৃষ্টি কে করে মহান। সময় সীমা হীন কর্ম প্রসারণ, সময় অসীম অনন্ত, নাই শুরু নাই অন্ত। ...

794>|| স্বাধীম হল বাংলাদেশ ||

 794>|| স্বাধীম হল বাংলাদেশ ||                 <--©➽--আদ্যনাথ--> সেদিন শেখ মুজিব ও ইয়াহিয়া খানের  আলোচনা হল ব্যর্থ। 1971 সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত, পাকিস্তানি সৈন্যরা মেতেউঠল  মর্মান্তিক বাঙালি হত্যাযজ্ঞে।   দেখেছি যুদ্ধ ওই নদীর ওপারে, দেখেছি অসহায় মানুষের হাহাকার, শুনেছি শিশুদের চিৎকার, মা হারিয়ে শিশুকে, শিশু পায়নি খুজে মাকে। বন্ধুকছিল, তবুও মেরেছে ওরা বাবাকে। এবার সাহসে ভর করে, সকল মানুষ এক সাথে মিশে, খাওয়া ভুলে রাত দিন পাহারা, যখন চালালো বন্ধুক, দিশেহারা, গুলি করতে গিয়ে পড়লো ধরা। তারপরে,1971 এর 26 মার্চ মাস বাতাসে বারুদের গন্ধের আশ্বাস। বোধ হয় বর্ডার খুলে গেল যাছিল বন্ধ। আমাদের পড়ল ডাক করতে হবে কিছু, সেই কর্মের সুবাদেই দেখেছি অনেক কিছু। কাশিপুর থানায় অস্থায়ী দপ্তর  সেখানেই দিতে হবে যোগ অতি সত্তর। আমরা NCC র মাধ্যমে ওয়ারলেস শিক্ষা প্রাপ্ত। পালাতে পারেনি ওরা, অত্যাচারের জবাব দিল মুক্তি যোদ্ধারা। বাবা,মা হারিয়ে শিশুরা ঘরে বসে কাঁদে। শিশুরা ফৌজ দেখলেই আতকে ওঠে, ক্রমশ মুক্তিযোদ্ধা বাড়তে  থাকে। একে একে সেক্ট...

793> || সমুদ্র মন্থন ||

        793> || সমুদ্র মন্থন ||                     <--©➽--আদ্যনাথ--> সুর অসুর মিলিয়া সমুদ্র করিল মন্থন, অমৃত লইয়া দেবতারা হইলেন অমর। হলাহল গ্রহণ করিয়া কণ্ঠে, শিব হইলেন নীল কন্ঠ। বিষের জ্বালায় অস্থির শিব,           কি হবে নিদান, 'মা মহা শক্তি' শিবেরে সন্তান রূপে         দিলেন স্তন দান। মাতৃ কৃপায় বাচিল সংসার, দেবতারা পাইলেন অমৃতের অধিকার। সময়ের মন্থনে ব্যাপৃত শক্তি ও প্রকৃতি মিলিয়া, চলিছে প্রচেষ্টা আলোকে রজ্জু করিয়া, সৃষ্টির প্রাক্কাল হতে, ব্রহ্মান্ড ঘিরিয়া চলিছে মন্থন স্বর্গ,মর্ত,পাতাল ভেদিয়া। প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের আপ্রাণ চেস্টা, সে চায় সময় মন্থনের ফল সবটা। কিজানি কবে কোন শুভক্ষণে, সেই অমৃত শ্রেষ্ঠে মানুষের অধিকার হবে। সেদিন রবে না দূরে গ্রহপুঞ্জ, মানুষ মুহূর্তে পৌঁছিবে ব্রহ্মাণ্ডের সর্বত্র। ইহকাল, পরকালে থাকবেনা ভেদ, নুতন করে লেখা হবে পুরান বেদ। বিশ্ব সমগ্র মিলিবে এক আসনে, থাকবেনা আর কোন ভেদা ভেদ জ্ঞানে। মানুষের লালশা পৌঁছবে ভগবানের উর্দ্ধে, পৌঁছ...

792> || আত্মারাম ||

  792>  || আত্মারাম ||          <--©➽--আদ্যনাথ--> জীবন বড়ই কঠিন, বেঁচে থাকাটাই  সহজ। বাকি সব নিতান্ত কঠিন, মৃত্যু যেন হাজার শৃঙ্খলে বেষ্টিত মহা প্রলয়ের মতন কঠিন। তাইতো ওই কঠিন পথে, কে চায় চলতে? সাধনা ঈশ্বর লাভ হয়ত বা সহজ, কি হবে নিজে ঈশ্বর হয়ে? পেয়েছি মনুষ্য জীবন, মানুষের পাশেই থাকব সারা জীবন। কি লাভ ছবি হয়ে সিংহাসনে বসে, ফুল বাতাসা লয়ে হাসি মাখা মুখে বসে থেকে। নির্জনে সাধনা, হিমালয়ে, গভীর জঙ্গলে সকলি নিজেকে ঈশ্বর বানাতে, কি লাভ এমন জীবনে। জীবন তো জীবনের জন্য, জীবন তো অপরের জন্য। নিজের বলতে শুধু অহং টুকুই সার, সেই অহং কে ছেড়ে দিলে পরে রবে লাশ। তাইতো ভোলেনাথ হলেন "শিব", শিবের "ঈ"-কার না রইলে রয় শুধু "শব", আবার ঈ-কার যোগেই হয় ব্রহ্মান্ড চরাচর সৃষ্টি, স্থিতি, লয়। এভাবেই ভোলে নাথ শিব হয়। শ্মশানের ভষ্ম মেখে ধ্যানে বিভোর রয়। ব্রহ্মা, বিষ্ণু দুই বাজীগর মানুষকে নাচিয়ে বেড়ায়। নচেৎ জীবন তো জীবের আত্মারাম, তথাপি ভোলেনাথ গায়ে ভস্ম মেখে শ্মশানে মশানে ধ্যানে বিভোর থাকেন। শিবতো পরাশক্তি,তিনি অজ্ঞেয়, চির-উদাসীন, তিনি ভস্মভূষণ। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুর...