751>|| শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের 186 তম জন্মতিথি।
শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের 186 তম
জন্মতিথি।
ঠাকুরের জন্ম তিথিতে জানাই আসমার প্রণাম।
নিবেদন করি আমার অন্তরের কিছু কথা।
|| ঠাকুর ||
<--©➽-আদ্যনাথ-->
অতি আশ্চর্য আনন্দময় পুরুষ তিনি,
শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবকে জানি।
আনন্দ পূর্ন হৃদয় ছিল তাঁর স্বরূপ,
অধ্যাত্মসাধনায় তাঁর অনুভব ছিল সৎ,
'চৈতন্যময়' এই বিশ্বের সমগ্র জীব-জগৎ।
অজস্র মানুষের হৃদয় আনন্দিত হর্ষে,
সৎ-চিৎ-আনন্দস্বরূপ রামকৃষ্ণ রূপী অমৃতকুম্ভের স্পর্শে।
আজও তাঁর মননে, চিন্তানে সকল স্থানে ‘আনন্দের হাট’ বসে।
সেই হাটে মেলে প্রেম ও করুণার আধান,
আর সেথায় রামকৃষ্ণ রূপ আনন্দ সাগরের স্বাদ নিতে অগণিত মানুষের হয় সমাগম।
জাতী ধর্ম নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায় হয়
ধন্য তাঁর করুণা স্পর্শে,
সকল হৃদয় হয় আনন্দিত সদা হর্ষে।
রামকৃষ্ণ রূপী মহা সাগরের জলে হৃদয় পূর্ন করে।
যে ঘাটের অমৃত জল নিতে নাই কোন শর্তাবলী।
শুধু মনের ভক্তি টুকুই যথেষ্ট কেবলি।
আজ এহেন পরম সত্যের উপলব্ধিতে,
সদা আনন্দময় হৃদয়ে পরিপূর্ন হতে,
প্রকৃত সত্যের উৎস সন্ধানে তৃপ্ত,
মুগ্ধ ও পরম আনন্দে আনন্দিত।
ঠাকুরের ভাবনায় মানুষ অমৃতের সন্তান,
ঠাকুর মানুষকে ভালবেসেছেন তাঁর
অন্তরের প্রেরণায়।
ঠাকুরের এই প্রেমে, ভালোবাসার আকর্ষণ,
যে প্রেম কে সহজে বলতে পারি
নিষ্কাম প্রেমের আকর্ষণ।
এই নিষ্কাম প্রেমের গভীর আকর্ষণ,
উপেক্ষা করা কঠিন ভীষণ।
আজ সমগ্র বিশ্ব একাগ্র চিত্ত হয়ে
ঠাকুরের স্নেহ স্পর্শ চাইছে।
ঠাকুর করেননি ঘৃণা কাউকে,
মানুষের দুঃখ তাঁর হৃদয়কে ছুঁয়েছে।
ঠাকুর সদাই ছিলেন অতি ব্যস্ত,
সকলকে পরম আনন্দের আস্বাদ দিতে।
তিনি বলেছেন বার বার, অন্তর থেকে,
ওঠো, জাগো,মনে প্রাণে হও শিবময়,
হৃদয় হবে তৃপ্ত আনন্দময়।
ঠাকুরের অনন্ত আশ্বাসে ভরা চাহনি,
সদা সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয় জাগায় মনে।
তিনি একান্ত নিজ মনের প্রেরণায়
মানুষের জন্য জ্বালিয়ে রেখেছেন,
মনুষ্যত্ব থেকে শিবত্বে উত্তরণের দীপশিখাটি।
আমাদের অজান্তে মনের গভীরে।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
15/03/2021;; 10:00: am
=========================
Comments
Post a Comment