778>| আবার লকডাউনের বার্তা ||
|| আবার লকডাউনের বার্তা ||
<---©-আদ্যনাথ-->
মনে হয় বেঁচে থাকাই ঈশ্বরের দান,
তবুও আমরা উদাসীন,মানিনা বারণ।
করোনার ভাইরাসের যাতনা,
শিশু,আর বৃদ্ধের ভয়ের ভাবনা।
আমরা তো কেবল ক্ষনিকের যাত্রী,
ঈশ্বর আমাদের পথের দিশারী।
তবুও আমরা পথ হারাই নিজের ভুলে,
সকল সাবধানতাকে যাই ভুলে।
তাই বুঝি আবার শুরু সতর্কতা,
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
কাছে থেকেও আমরা দূরে দূরে,
পাড়াপড়শী ও বন্ধু দের থেকে দূরে।
সকাল বিকালের সেই আড্ডা আর নাই,
শিশু গুলির বিকেলে খেলাধুলাও নাই।
বাচ্ছাদের স্কুল নাই, লেখাপড়াও নাই,
জানিনা ওদের জীবন কিভাবে চলবে।
পড়াশুনার নামে স্কুল গুলির বালাই,
বাচ্ছাদের ধরিয়ে দিল মোবাইল।
অনলাইনে লেখা পড়া হবে,
শিশুদের ভবিষ্যতের কি হবে।
সকলেই গৃহ বন্ধি নিজের মহলে,
তবুও ভয় কেজানে কি আছে কপালে।
মিলেমিশে করছি ঘরের কাজ,
হারিজিতি নাহি লাজ।
ঘরে বসেই রোজের কাজ করা,
আর গিন্নির হুকুম তামিল করা।
করোনা ভাইরাস শেখাল গৃহ কর্ম,
ঘরে থেকে কর্ম করাটাই আজ ধর্ম।
সাবধান চারিদিকে এত সতর্কতা,
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
আজ হারিয়ে গেছে বিকেলের আড্ডা,
অফিসের মাঝে ফাঁকি আর আড্ডা।
সকালে ঘুমথেকে উঠেই বাজার,
কিছুখেয়ে,দৌড় অফিস যাবার।
উইকেন্ডে একটু আলাদা ভাবনা,
ভুলে গেছি সব অনুষ্ঠানের ভাবনা।
প্লান ছিল পুরীর রথের মেলা,
কার্ফু আর লকডাউনের ঝামেলা।
সেখানেও শুনি বিপদের বার্তা।
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
নানান ভাবনার পাইনা কোন অন্ত,
দিকে দিকে করোনার প্রভাব বাড়ন্ত।
ভুলে গেছি সেই খোলাহাওয়ার দিন,
আজ মুখে ম্যাক্স লাগিয়ে কাটে দিন।
বাইরে বেরহলেই সদা ভীত সতর্ক,
গৃহ বন্ধি জিবনে ভুলেছি সকল তর্ক।
সবজি কাটা,কাপড় কাঁচা,বাসন মজা,
এ যেন সেই জেলের আসামির সাজা।
দিকে দিকে শুনি বিপদের বার্তা,
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
=======<--©-আদ্যনাথ-->=======
<---©-আদ্যনাথ-->
মনে হয় বেঁচে থাকাই ঈশ্বরের দান,
তবুও আমরা উদাসীন,মানিনা বারণ।
করোনার ভাইরাসের যাতনা,
শিশু,আর বৃদ্ধের ভয়ের ভাবনা।
আমরা তো কেবল ক্ষনিকের যাত্রী,
ঈশ্বর আমাদের পথের দিশারী।
তবুও আমরা পথ হারাই নিজের ভুলে,
সকল সাবধানতাকে যাই ভুলে।
তাই বুঝি আবার শুরু সতর্কতা,
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
কাছে থেকেও আমরা দূরে দূরে,
পাড়াপড়শী ও বন্ধু দের থেকে দূরে।
সকাল বিকালের সেই আড্ডা আর নাই,
শিশু গুলির বিকেলে খেলাধুলাও নাই।
বাচ্ছাদের স্কুল নাই, লেখাপড়াও নাই,
জানিনা ওদের জীবন কিভাবে চলবে।
পড়াশুনার নামে স্কুল গুলির বালাই,
বাচ্ছাদের ধরিয়ে দিল মোবাইল।
অনলাইনে লেখা পড়া হবে,
শিশুদের ভবিষ্যতের কি হবে।
সকলেই গৃহ বন্ধি নিজের মহলে,
তবুও ভয় কেজানে কি আছে কপালে।
মিলেমিশে করছি ঘরের কাজ,
হারিজিতি নাহি লাজ।
ঘরে বসেই রোজের কাজ করা,
আর গিন্নির হুকুম তামিল করা।
করোনা ভাইরাস শেখাল গৃহ কর্ম,
ঘরে থেকে কর্ম করাটাই আজ ধর্ম।
সাবধান চারিদিকে এত সতর্কতা,
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
আজ হারিয়ে গেছে বিকেলের আড্ডা,
অফিসের মাঝে ফাঁকি আর আড্ডা।
সকালে ঘুমথেকে উঠেই বাজার,
কিছুখেয়ে,দৌড় অফিস যাবার।
উইকেন্ডে একটু আলাদা ভাবনা,
ভুলে গেছি সব অনুষ্ঠানের ভাবনা।
প্লান ছিল পুরীর রথের মেলা,
কার্ফু আর লকডাউনের ঝামেলা।
সেখানেও শুনি বিপদের বার্তা।
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
নানান ভাবনার পাইনা কোন অন্ত,
দিকে দিকে করোনার প্রভাব বাড়ন্ত।
ভুলে গেছি সেই খোলাহাওয়ার দিন,
আজ মুখে ম্যাক্স লাগিয়ে কাটে দিন।
বাইরে বেরহলেই সদা ভীত সতর্ক,
গৃহ বন্ধি জিবনে ভুলেছি সকল তর্ক।
সবজি কাটা,কাপড় কাঁচা,বাসন মজা,
এ যেন সেই জেলের আসামির সাজা।
দিকে দিকে শুনি বিপদের বার্তা,
শুরু আবার লকডাউনের বার্তা।
=======<--©-আদ্যনাথ-->=======
Comments
Post a Comment