769>|| মা আমার মা || ---( 1 to 22 )

769>|| মা আমার মা ( 1 to 22)
1> || মা আছেন অন্তরে  || 
2>|| আমার "মা" ||
3> || "মা "স্বর্গের থেকেও সুন্দর। ||
4>|| মা আমার মা ||
5>||-'মা'কে মনে পড়ে-||--( 1 to  )
6>||-"মা"এর দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী-||
--------18ই মে 2018---------
7>||-"মা" দিবস-||-
8>  ---"মা" 9th May মাতৃ দিবস।
9>||<-----||-মা-||------->
10> ||-বিশ্ব মা দিবস’ ||
11>||-"মা"এর আশীর্বাদ -||
12>||"মা" আমার "মা"|| 
13>|| আমাদের আদরের মা, || -- to fb
14>|| মায়ের বোঝা ||  D
15>|| মা ও শিশু ||  D.fb.
 16>||  " মা " ||2022
17>|| Mother's Day 2024:||
18>|| मातृ दिवस ||2024
19>||  আজ বিশ্ব মাতৃত্ব দিবস  ||2025
20>|| মা ||
21>|| মা ||
22> | |মা + हिंदी

=================================
1> || মা আছেন অন্তরে  || 
        <---আদ্যনাথ---->

মাতৃ দিবসে মাকে মনে পরে।
জানি সে আজও আছে আমার অন্তরে,
আজ বারবার তাঁকেই মনেপরে।
আমি ছিলাম তাঁর অতি আদরের,
আমার সকল অন্যায় করতেন ক্ষমা সাদরে।

তাই বুঝি মনে পড়ে তারে বারেবারে।
কত অন্যায় অত্যাচার,শাসন না মানার,
সকাল থেকে সন্ধে,চলতো তার সাথে।
তার ছিলোনা ক্লান্তি,
তথাপি তার মনে ছিল শান্তি।
রাত্রে রাখতেন আঁচলে ঢেকে,
দিন ভর নজর থাকতো আমার দিকে।
পারতাম না তার নজরের বাইরে যেতে,
নজর থাকতো সকল ফাই ফর্মাসের ফাঁকে
আজ বারবার মনেপরে আমার মাকে।

আজ বুঝতে পারি কেন বলে
 "মা" স্বর্গের থেকেও সুন্দর।
সত্যই "মা" থাকতে বুঝিনি তারে
আজ বুঝেছি হারায়ে তাকে।
আগামী কাল মাতৃ দিবস,
তাই বার বার  মাকে মনেপরে।
 ★<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
    08/05/2021::সকাল 06:29:12:
=====================

2>|| আমার "মা" ||

আজ মাতৃ দিবস  তাই কিছু লিখলাম আবোল তাবোল।
(ছোটবেলায় আমাদের ছিল একান্নবর্তী পরিবার , আমার মা ছিলেন একমাত্র
সকল কর্মের নীরব কর্মী)

দেখেছি মা এর সেই কর্ম ব্যস্ত দিন গুলি
ক্লান্তি হীন,কর্ম ব্যস্ত দিন গুলি,
ছিলোনা কোন অভিযোগের বুলি।
বিশ্রাম কি নাই জানতো,
রাতদিন পরিশ্রম অক্লান্ত,
রাতেও চলতো দাদু দিদার সেবা,
তথাপি শুনতে হতো কতো কটু কথা,
কর্মব্যস্ত হাত,মুখে থাকতো না কথা।

একান্নবর্তী পরিবার,মা ই একমাত্র শ্রমিক
ছুটি নাই, বিশ্রাম হীন,মুখ বন্ধ শ্রমিক।
ছিলোনা কোন শখ আল্লাদ,
জানতেন না সিনেমা কি
কোন মেলার কোথায় কি।

গোয়ালার যেদিন ছুটি নিত,
ভোর হতে না হতে, গরু গুলি ঠিক বুঝত,
আজ গরুগুলির ভারী মজা,
পাবে আদর করে সবজি তাজা।
আজ কেউ পা বেঁধে দুইবে না দুধ
কি মজা কি মজা মা দুইবেন দুধ।
গরুগুলির খুশির থাকতো না  অন্ত
ভোর হতে না হতেই মা মা ডাকে
গোয়াল মাতিয়ে দিত।

ঠাকুরদা চেঁচিয়ে বলতেন বৌমা দেখো,
গোয়ালা বুঝি আসেনি আজও,
তাই গরুগুলি ডাকছে।
মা বলতেন,
আমার কি দুর্গার মতন দশ হাত আছে?
মানুষের খাবার যোগাই আগে,
আপনার ছেলে অফিস যাবে,
বাচ্ছা গুলি ঘুম ভাঙলেই খাবার চাইবে।

আর, আপনি চ্যাবনপ্রাশ খেলেন?
"কি কিরে খাই, কে দেবে!
আমাকে কে আর দেখে বলো।
আমি তোমাদের বোঝা।
তানা হলে সকালে এতগুলি কথা কি
শোনাতে আমাকে"!!

ঐতো মা বসে রামায়ন খুলে বসেছেন,
এখনো বোধ হয় ওষুধ খায়নি।
"কি,বললে আমি কি এখনো তোমাদের সংসরের ঘানি টানবো"?
মা বলতেন না না  এই সংসার তো আমি বাপের বাড়ি থেকে এনেছি।
তাই আপনি কেন পরের ঘানি টানবেন।
সে ঘানি না টানুন নিজের ওষুধ টুকু তো
নিজে নিয়ে খেতে পারেন।
ঠাকুর মা রেগে গিয়ে বলতেন  "কি বললে
আমি কিছু করিনা।
বৌমা তোমার মুখে লাগাম দেও,
বড্ডো কথা বলতে শিখেছো।
একটু ভাত ফুটিয়ে দেও তাই এত কথা।
ঠিক আছে ছেলে উঠুক আজ তোমার এক দিন কি আমার।"

মা আর কথা না বাড়িয়ে চলে যেতেন রান্না ঘরে,
তরকারি বসিয়ে এসেছে, পুড়ে না যায়।
সকালের জল খাবার বানিয়েই যেতেন গোয়াল ঘড়ে।
গরু গুলি মাকে পেয়েই মায়ের হাত,পা,গা,
চাটতে শুরু করতো।
মা ঝুড়ি ভর্তি করে সবজি ওদের খাবার দিত।
কি অদ্ভুত গোয়ালা ওদের পা বেঁধে দুধ দোয়ায়,
কিন্তু মা দুধ দোয়ালে ওরা যেন নিজেরাই
দুধ ছেড়ে দেয় মায়ের বাল্টি তে।
দশ টা গরু, চারটিতে দুধদেয়।
বাড়ির সকলের দুধ চাই।
এক এক বাটি দুধ নাহলেই ঠাকুরদা ঠাকুরমা এর মুখ ভার।
ঠাকুর দা বলতেন বৌমা তুমি দুধ দোয়ালে দুধের স্বাদ কি সুন্দর হয়।
আর বেটা গোয়ালা নিশ্চই জল মেশায়।

সকালে জল খাবার খেতে যাবো, তখন জেঠিমা ডেকে বলেন খোকন মাকে বলো আমার জন্য যেন একটু লাউয়ের ঘন্ট পাঠিয়ে দেয়।
বড় বৌমার রান্না খুব ভালো।
মুখে রুচি নাই তাই একটু লাউয়ের ঘন্ট খেতে ইচ্ছা করছে।
মা ও এক বাটি তরকারি, একবাটি লাউয়ের ঘন্ট পাঠিয়ে দিলো।
আর সকলের খাবার পরে সেই বেলা চারটের সময় কোন মতে বাটিতে করে একটু গোগ্রাসে গিলে ই বসতেন বাসন মাজতে।
সেই ভোর পাঁচটা থেকে রাত্রি দশটা
এই ছিল মায়ের ডিউটি।
রাত দশটায় শুতে গিয়েও বাবা বলতেন একটু পা টিপে দিতে।

তাই রাতেও মায়ের ফুসরত ছিলোনা,
এই ছিল আমার মা ।
যার মুখে কোনদিন কোন অভিযোগ
ছিল না।
মুখে হাসিটুকু থাকতো সদাই।
এইছিলেন আমার মা।

সেদিন বিকেলে হঠাৎ দেখি মা শুয়ে আছেন।
আমি অবাক হয়ে ভাবলাম এখন তো তুলসিতলায় ধুপ দেবার সময় ,
এখন মা কেন শুয়ে পড়েছে।
তাড়াতাড়ি গেলাম মাকে ডাকতে।
মা এর গায়ে হাত দিতেই বুঝলাম
মা এর গা জ্বরে আগুন।

দৌড়ে গিয়ে বড়দা কে বললাম
বড়দা বললেন ঠাকুর মাকে বলতে।
গেলাম ঠাকুর মায়ের কাছে,
ঠাকুর মা বললেন পাচন খেয়ে নিতে।
আমি বললাম তোমার জ্বর হলে
ডাক্তার ,আর মায়ের বেলায় পাচন।
ঠাকুর মার উক্তি  "যেমন মা তার তেমন ছেলে।
কথায় ফুলঝুরি ছোটে।
মাকে গিয়ে বল ন্যাকামি ছেড়ে পাচন বানিয়ে যেন খায়।
আগামী কাল আমার বোনপোরা
আসবে, ওরা যেন তোর মায়ের ন্যাকামি না দেখে।"
এমনি ছিল আমাদের "মা"
আমাদের ছোট বেলা।

তখন বুঝিনাই
আজ মা নাই তাই অনুভব করি মনে মনে,
মায়ের মতন সুন্দর কেউ নাই ভুবনে
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
  10/05/2020::সকাল  05:29:12::::
====================

3> || "মা "স্বর্গের থেকেও সুন্দর। ||
        <---আদ্যনাথ---->

মা আমার মা
জানি সে আজও আছে আমার অন্তরে,
বারবার তাঁকেই মনেপরে।
আমি ছিলাম তাঁর অতি আদরের,
আমার সকল অন্যায় করতেন ক্ষমা সাদরে।
তাই বুঝি মনে পড়ে তারে বারেবারে।
কত অন্যায় অত্যাচার,শাসন না মানার,
সকাল থেকে সন্ধে,চলতো তার সাথে।
তার ছিলোনা ক্লান্তি,
তথাপি তার মনে ছিল শান্তি।
রাতেতে রাখতেন আঁচলে ঢেকে,
দিন ভর নজর থাকতো আমার দিকে।
পারতাম না তার নজরের বাইরে যেতে,
নজর থাকতো সকল ফাই ফর্মাসের ফাঁকে
আজ বারবার মনেপরে আমার মাকে।
দেখেছি মা এর সেই কর্ম ব্যস্ত দিন গুলি
ক্লান্তি হীন,ছিলোনা কোন অভিযোগের বুলি।
বিশ্রামের সময় কোথায়,রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম,
রাতেও চলতো দাদু দিদার সেবা শ্রম।
তথাপি শুনতে হতো কতো কটু কথা,
মায়ের কর্মব্যস্ত হাত,মুখে থাকতো না কথা।
একান্নবর্তী পরিবার,মাই একমাত্র শ্রমিক
ছুটি নাই, বিশ্রাম হীন,মুখ বন্ধ শ্রমিক।
ছিলোনা কোন শখ আল্লাদ,
জানতেন না সিনেমা কি
কোন মেলার কোথায় কি।
গোয়ালার ছুটির দিনে,
ভোর হতে না হতে গরু গুলি ঠিক বুঝত
 কি মজা
আজ পাবে আদর করে সবজি তাজা।
আজ তাদের কেউ পা বেঁধে দুধ দুইবে না
মা দুইবেন দুধ তাই ওদের খুশির অন্ত নাই,
তাই ভোর হতেন হতেই মা মা ডাকে
গোয়াল মাতিয়ে দিত।
ঠাকুরদা চেঁচিয়ে বলতেন বৌমা দেখো গোয়ালা আজও বুঝি আসেনি,তাই গরুগুলি ডাকছে।
মা বলতেন আমিতো মা দুর্গা নই দশ হাত নাই।
আপনার ছেলে অফিস যাবে, বাচ্ছা গুলির ঘুম ভাঙলেই খাবার চাইবে।
আর আপনি চ্যাবনপ্রাশ খেলেন,
কিকরে খাই কে দেবে,
আমাকে কে আর দেখে বলো।
আমি তোমাদের বোঝা।
তানা হলে সকালে এতগুলি কথা কি
শোনাতে আমাকে।
ঐতো মা বসে রামায়ন খুলে বসেছেন
এখনো বোধ হয় ওষুধ খায়নি।
কি, বললে আমি কি এখনো তোমাদের সংসরের ঘানি টানবো?
মা বলতেন না না  এই সংসার তো আমি বাপের বাড়ি থেকে এনেছি।
তাই আপনি কেন পরের ঘানি টানবেন।
সে ঘানি না টানুন নিজের ওষুধ টুকু তো
নিজে নিয়ে খেতে পারেন।
ঠাকুর মা রেগে গিয়ে বলতেন  কি বললে
আমি কিছু করিনা।
বৌমা তোমার মুখে লাগাম দেও।
বড্ডো কথা বলতে শিখেছো।
একটু ভাত ফুটিয়ে দেয় তাই এত কথা।
ঠিক আছে ছেলে উঠুক আজ তোমার এক দিন কি আমার।
মা আর কথা না বাড়িয়ে চলে যেতেন রান্না ঘরে,
তরকারি বসিয়ে এসেছে, পুড়ে না যায়।
সকালের জল খাবার বানিয়ে ই যেতেন গোয়াল ঘড়ে।
গরু গুলি মাকে পেয়েই মায়ের হাত,পা,গা,
চাটতে শুরু করতো।
মা ঝুড়ি ভর্তি করে সবজি ওদের খাবার দিত।
কি অদ্ভুত গোয়ালা ওদের পা বেঁধে দুধ দোয়ায়,
কিন্তু মা দুধ দোয়ালে ওরা যেন নিজেরাই
দুধ ছেড়ে দেয় মায়ের বাল্টি তে।
দশ টা গরু, চারটির দুধদেয়।
বাড়ির সকলের দুধ চাই।
এক এক বাটি দুধ নাহলেই ঠাকুরদা ঠাকুরমা এর মুখ ভার।
ঠাকুর দা বলতেন বৌমা তুমি দুধ দোয়ালে দুধের স্বাদ কি সুন্দর হয়।
আর বেটা গোয়সলা নিশ্চই জল মিশিয়র দেয়।
সকালে জল খাবার খেতে যাবো তখন জেঠিমা ডেকে বলেন খোকন মাকে বলো আমার জন্য যেন একটু লাউয়ের ঘন্ট পাঠিয়ে দেয়।
বড় বৌমার রান্না খুব ভালো।
মুখে রুচি নাই তাই একটু লাউয়ের ঘন্ট খেতে ইচ্ছা করছে।
মা ও এক বাটি তরকারি, একবাটি লাউয়ের ঘন্ট পাঠিয়ে দিলো।
আর সকলের খাবার পরে সেই বেলা চারটের সময় কোন মতে বাটিতে করে একটু গোগ্রাসে গিলে ই বসতেন বাসন মাজতে।
সেই ভোর পাঁচটা থেকে রাত্রি দশটা
এই ছিল মায়ের ডিউটি।
রাত দশটায় শুতে গিয়েও বাবা বলতেন একটু পা টিপে দিতে।
তাই রাতেও মায়ের ফুসরত ছিলোনা।
এই ছিল আমার মা ।
যার মুখে কোনদিন কোন অভিযোগ
শুনিনাই।মুখে হাসিটুকু থাকতো সদাই।
এইছিলেন আমার মা।
সেদিন বিকেলে হঠাৎ দেখে মা শুয়ে পড়েছে।
আমি অবাক হয়ে ভাবলাম এখন তো তুলসিতলায় ধুপ দেবার সময় ,
এখন মা কেন শুয়ে পড়েছে।
তাড়াতাড়ি গেলাম মাকে ডাকতে।
মা এর গায়ে হাত দিতেই বুঝলাম
মা এর গা জ্বরে আগুন।
দৌড়ে গিয়ে বড়দা কে বললাম
বড়দা বললেন ঠাকুর মাকে বলতে।
গেলাম ঠাকুর মায়ের কাছে,
ঠাকুর মা বললেন পাচন খেয়ে নিতে।
আমি বললাম তোমার জ্বর হলে
ডাক্তার ,আর মায়ের বেলায় পাচন।
ঠাকুর মার উক্তি  যেমন মা তার তেমন ছেলে।
কথায় ফুলঝুরি ছোটে।
মাকে গিয়ে বল ন্যাকামি ছেড়ে পাচন বানিয়ে যেন খায়।
আগামী কাল আমার বোনপোরা
আসবে, ওরা যেন তোর মায়ের ন্যাকামি না দেখে।
এমনি ছিল আমাদের মা আমাদের ছোট বেলা।
আজ বুঝতে পারি কেন বলে
 "মা" স্বর্গের থেকেও সুন্দর।
সত্যই "মা" থাকতে বুঝিনি তারে
আজ বুঝেছি হারায়ে তাকে।
      <---আদ্যনাথ-->
       24/02/2020::রাত্রি 10:29:12::::
=====================
4>|| মা আমার মা ||
        <-©---আদ্যনাথ---->

        মা আমার মা,
জানি "মা " আজও আছে আমার অন্তরে,
বার বার তাঁকেই মনেপরে।
আমি ছিলাম তাঁর অতি আদরের,
আমার সকল অন্যায় করতেন ক্ষমা সাদরে।
তাই বুঝি মনে পড়ে তারে বারে বারে।
কত অন্যায় অত্যাচার,শাসন না মানার,
সকাল থেকে সন্ধে,চলতো তার সাথে।
তার ছিলোনা ক্লান্তি,
তথাপি তার মনে ছিল শান্তি।
রাতেতে রাখতেন আঁচলে ঢেকে,
দিন ভর নজর থাকতো আমার দিকে।
পারতাম না তার নজরের বাইরে যেতে,
নজর থাকতো সকল ফাই ফর্মাসের ফাঁকে,
আজ বার বার মনেপরে আমার মাকে।
দেখেছি মা এর সেই কর্ম ব্যস্ত দিন গুলি
ক্লান্তি হীন,ছিলোনা কোন অভিযোগের বুলি।
বিশ্রামের সময় কোথায়,রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম,
রাতেও চলতো দাদু দিদার সেবা শ্রম।
তথাপি শুনতে হতো কতো কটু কথা,
মায়ের কর্মব্যস্ত হাত,মুখে থাকতো না কথা।
একান্নবর্তী পরিবার,মাই একমাত্র শ্রমিক,
ছুটি নাই, বিশ্রাম হীন,মুখ বন্ধ শ্রমিক।
আমরা চার ভাই বোন ,
জেঠতুতো ও খুড়তুতো মিলিয়ে নয় ভাই বোন।
জেঠা জেঠি ও কাকা কাকিমা চারজন,
ঠাকুরদা ঠাকুরমা আর আমার বাবা মা,
আমাদের সংসারে মানুষ ছিলো সতের জন।
আর গোয়ালে গরু ছিল দশ টি।
আমার মাই একমাত্র শ্রমজীবী,
মা এর ছিলোনা কোন শখ আল্লাদ,
জানতেন না সিনেমা কি,
কোন মেলার কোথায় কি।
গোয়ালার ছুটির দিনে,
ভোর হতে না হতে গরু গুলি ঠিক বুঝত,
আজ পাবে আদর করে সবজি তাজা ।
আজ তাদের কেউ পা বেঁধে দুধ দুইবে না,
কেউ পিঠে ঘুষি মেরে দুধ দুইবে না।
মা দুইবেন দুধ, তাই ওরা যে খুশি তা জানিয়ে দিত,
ভোর হতেনা  হতেই মা মা ডাকে গোয়াল মাতিয়ে দিত।
ঠাকুরদা চেঁচিয়ে বলতেন বৌমা দেখো,
গোয়ালা আজও বুঝি আসেনি,তাই গরুগুলি ডাকছে।
মা বলতেন আমিতো মা দুর্গা নই দশ হাতও আমার নাই।
আপনার ছেলে অফিস যাবে, বাচ্ছা গুলির ঘুম ভাঙলেই খাবার চাইবে।
আর আপনি চ্যাবনপ্রাশ খেয়েছেন ?
"কি করে খাই কে দেবে,আমাকে
কে আর দেখে বলো।
আমি তোমাদের বোঝা।
তানাহলে সকালে এতগুলি কথা কি
শোনাতে আমাকে।"
ঐতো মা বসে রামায়ন খুলে
এখনো বোধ হয় ওষুধ খায়নি।
কি, বললে আমি কি এখনো তোমাদের সংসরের ঘানি টানবো?
মা বলতেন না না  এই সংসার তো আমি বাপের বাড়ি থেকে এনেছি।
তাই আপনি কেন পরের ঘানি টানবেন।
সে ঘানি না টানুন নিজের ওষুধ টুকু তো নিজে নিয়ে খেতে পারেন।
ঠাকুর মা রেগে গিয়ে বলতেন  কি বললে আমি কিছু করিনা।
বৌমা তোমার মুখে লাগাম দেও।
বড্ডো কথা বলতে শিখেছো।
একটু ভাত ফুটিয়ে দেও  তাই এত কথা।
ঠিক আছে ছেলে উঠুক আজ তোমার এক দিন কি আমার।
মা আর কথা না বাড়িয়ে চলে যেতেন রান্না ঘরে,
তরকারি বসিয়ে এসেছে, পুড়ে না যায়।
সকালের জল খাবার বানিয়ে ই যেতেন গোয়াল ঘড়ে।
গরু গুলি মাকে পেয়েই মায়ের হাত,পা,গা,
চাটতে শুরু করতো।
মা ঝুড়ি ভর্তি করে সবজি ওদের খাবার দিত।
কি অদ্ভুত গোয়ালা ওদের পা বেঁধে দুধ দোয়ায়,
কিন্তু মা দুধ দোয়াতে  শুরু করলেই ওরা যেন নিজেরাই
দুধ ছেড়ে দিতো  মায়ের বাল্টি তে।
দশ টা গরু, চারটির দুধদেয়।
বাড়ির সকলের দুধ চাই।
এক এক বাটি দুধ নাহলেই ঠাকুরদা ঠাকুরমা এর মুখ ভার।
ঠাকুর দা বলতেন বৌমা তুমি দুধ দোয়ালে দুধের স্বাদ কি সুন্দর হয়।
আর বেটা গোয়ালা ঘোষ নিশ্চই জল মিশিয়র দেয়।
সকালে জল খাবার খেতে যাবো তখন জেঠিমা ডেকে বলেন
খোকন মাকে বলো আমার জন্য যেন একটু লাউয়ের ঘন্ট পাঠিয়ে দেয়।
বড় বৌমার রান্না খুব ভালো।
মুখে রুচি নাই তাই একটু লাউয়ের ঘন্ট খেতে ইচ্ছা করছে।
মা ও এক বাটি তরকারি, একবাটি লাউয়ের ঘন্ট পাঠিয়ে দিলো।
আর সকলের খাবার পরে সেই বেলা চারটের সময়
কোন মতে বাটিতে করে একটু গোগ্রাসে গিলে ই বসতেন বাসন মাজতে।
সেই ভোর পাঁচটা থেকে রাত্রি দশটা
এই ছিল মায়ের ডিউটি।
রাত দশটায় শুতে গিয়েও বাবা বলতেন একটু পা টিপে দিতে।
তাই রাতেও মায়ের ফুসরত ছিলোনা ঘুমোতে।
এই ছিল আমার মা ।
যার মুখে কোনদিন কোন অভিযোগ শুনিনাই।
মুখে হাসিটুকু থাকতো সদাই।
এইছিলেন আমার মা।
সেদিন বিকেলে হঠাৎ দেখি  মা শুয়ে আছেন ।
আমি অবাক হয়ে ভাবলাম এখন তো তুলসিতলায় ধুপ দেবার সময় ,
এখন মা কেন শুয়ে আছে ।
তাড়াতাড়ি গেলাম মাকে ডাকতে।
মা এর গায়ে হাত দিতেই বুঝলাম
মা এর গা জ্বরে আগুন।
দৌড়ে গিয়ে বড়দা কে বললাম
বড়দা বললেন ঠাকুর মাকে বলতে।
গেলাম ঠাকুর মায়ের কাছে,
ঠাকুর মা বললেন পাচন খেয়ে নিতে।
আমি বললাম তোমার জ্বর হলে
ডাক্তার ,আর মায়ের বেলায় পাচন।
ঠাকুর মার উক্তি  যেমন মা তার তেমন ছেলে।
কথায় ফুলঝুরি ছোটে।
মাকে গিয়ে বল ন্যাকামি ছেড়ে পাচন বানিয়ে যেন খায়।
আগামী কাল আমার বোনপোরা আসবে,
ওরা যেন তোর মায়ের ন্যাকামি না দেখে।
এমনি ছিল আমাদের মা আমাদের ছোট বেলা।
আজ বুঝতে পারি কেন বলে
 "মা" স্বর্গের থেকেও সুন্দর।
সত্যই "মা" থাকতে বুঝিনি তারে
আজ বুঝেছি হারায়ে তাকে।

বুঝেছি আমাদের " মা "
আমাদের এই সমাজে শ্রেষ্ঠ শ্রমজীবী,
যার কাজে নাই ছুটি, নাই কোন মজুরি ,
যার নাই কোন দাবি, কোন শর্ত ,
যে দেখেনা কখনো নিজের স্বার্থ ,
সেশুধুই  দিতে জানে শ্রম নিঃস্বার্থ।
      ★<--©--●-আদ্যনাথ-●->★
       24/02/2020::রাত্রি 10:29:12::::
=====================
454>
5>||-'মা'কে মনে পড়ে-||--( 1 to  )
6>||-"মা"এর দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী-||
--------18ই মে 2018---------
7>||-"মা" দিবস-||-


=======================
5>||-'মা'কে মনে পড়ে-||

জীবন তো একটাই,
শিশুকাল খেলার ছলে,
যৌবন নিয়ে খেলা করে।
দিন,মাস, বৎসর গুলি পার করে,
বার্ধক্যের দরজায় দাঁড়িয়ে।
বারে বারে কড়া নেড়ে,
নিজের ঘরের দরজা নিজে খুঁজে,
ভ্রমিলাম জীবন ভরে।
আজও বয়ে চলেছি একলা,
সময়ে জড়ো করা পোটলা।
অধিকারের ক্ষোভ,
কত না পাওয়ার লোভ,
কত বলার অহঙ্কার,
কত বলতে না পারার অহঙ্কার,
তথাপি চলছি বয়ে দিনের পর দিন।
কত ভাবনা প্রতিদিন।
মনুষ্য জন্ম শ্ৰেষ্ঠ জন্ম,
শ্ৰেষ্ঠত্ত্বের পরিচয়।
কি দিলাম প্রতিদান তাঁরে,
যে দিয়েছে এই জীবন।
অবহেলায় নিজের অহঙ্কারে,
কতটুকু হাঁসাতে পেরেছি তাঁরে!
যে দিয়েছে প্রাণ করে আপ্রাণ,
সে তো চলেগেছেন কিন্তু ,

চলেগেছেন আমাদের ছেড়ে বহুদূরের।
জানি তাঁর দেহ মিশে আছে পঞ্চ ভূতে,
মন প্রাণ বায়ু আজো আছে,
আছে অলক্ষে স্নেহের আঁচল বিছিয়ে।
সর্বংসহা  করুনার সাগর যিনি।
হাতে নিয়ে আশীষের ডালি,
স্নেহ মধু মাখা স্নিগ্ধ আঁচলে ঢাকি,
আমাদের রেখেছিলেন বহু যতন করি।
দশভূজার মতন দুইহাতে সামলে সংসার,
কখনো লাগতে দেয়নি কোন আঁচড়।
তিনি "মা" তিনিই জননী,
"জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী”

কিন্তু আজ বেদনায় জর্জরিত,
মাতৃ চিন্তা করে,দেখে তাঁরে পটে।
থাকতে বুঝিনি তাঁর আদরের মহিমা,
আজ হৃদয় মাঝে তাঁর অনুভব ঘটে।

সেই মাতৃ ভাবনা গুলি, একে একে,
ধীরে ধীরে উইয়ের মতন খাচ্ছে,
কুড়ে কুড়ে হৃদয় বেদনা অন্তরে,
মাতৃ স্নেহ স্পর্শ অনুভব অন্তরে।

||""""'" -----©--●অনাথ●-------""""""'||
||--anrc-----17/05/2018:-----------||
||=======02:34:52 am===44 L===||

6>||-"মা"এর দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী-||
--------18ই মে 2018---------

জন্ম::--4th June 1921
মৃত্যু::--18th May 2016

অবহেলায় নিজের অহঙ্কারে,
কতটুকু হাঁসাতে পেরেছি তাঁরে!
যে দিয়েছে প্রাণ করে আপ্রাণ,
সে তো চলেগেছেন কিন্তু ,-----.  
আমরা আট ভাই বোন ছিলাম যতনে,
আমাদের মাতৃ ক্রোড়ে অনেক আদরে।
চলেগেছেন আমাদের রেখে বহুদূরের।
ব্রহ্মলোকের সেই নিজআবাস গৃহে,
জানি তাঁর দেহ  আছে লীন পঞ্চ ভূতে,
মন প্রাণ বায়ু আজো আছে ব্রহ্ম লোকে,
আছে অলক্ষে স্নেহের আঁচল বিছিয়ে,
আমাদের আটটি হতভাগার তরে।
95 টি বৎসর ছিলেন ধরাধামে তিনি,
সর্বংসহা  করুণার সাগর যিনি।
হাতে নিয়ে স্নেহাশিসের ডালি,
স্নেহ মধু মাখা স্নিগ্ধ আঁচলে ঢাকি,
আমাদের রেখেছিলেন বহু যতন করি।
দশভূজা সম দুইহাতে সামলে সংসার,
কখনো লাগতে দেয়নি কোন আঁচড়।
তিনি "মা" তিনিই জননী,
"জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী”

কিন্তু আজ বেদনায় জর্জরিত,
মাতৃ চিন্তা করে,দেখে তাঁরে পটে।
থাকতে বুঝিনি তাঁর আদরের মহিমা,
আজ হৃদয় মাঝে তাঁর অনুভব ঘটে।

আজ নির্লজ্জ অশ্রু আর বেদনা,
চোখ থাকতে বুঝিনাই চোখের মর্ম।
"মা" "স্বর্গাদপি গরীয়সী” শ্রেষ্ঠ সাধনা,
স্বরূপ বুঝি আজ অন্তর হৃদয় বেদনা।

ধ্যানে,নিদ্রায়, জাগরণে,সর্বদা অনুভূতি,
এক স্নিগ্ধ প্রশান্তির আবেশ হৃদয় মাঝে।
বুঝতে ভুল হয়না "মা" আছেন নিকটে,
তাঁর শীতল স্নিগ্ধ আঁচল বিছায়ে।

মাতৃ হারা হতভাগাই বোঝে"মা"কে,
কত অভিযোগ আবদার করা তাঁকে।
সকল অনুভূতি টঙ্কারে মাতৃ হারর হৃদয়ে,
সেই স্নেহময়ী মাতৃ তিরোধানের পরে।

আজ হল অনুভব একান্ত মনে,
মাতৃ পূজাই শ্ৰেষ্ঠ পূজা অন্তরে।
মাতৃ চিন্তা অন্তরে,মনে প্রশান্তি আনে,
মাতৃ ধ্যানে প্রাপ্য ত্রিধা প্রশান্তি সর্বজনে।

মাতৃ আরাধনা ধ্রিয়মাণ সর্বজনে,
মাতৃ পদাম্বুজ বরেণ্য শ্রেষ্ঠ আরাধ্য।
সর্ব ধর্ম পরিত্যাজ্য মাতৃপূজা কেবলম,
সর্ব চিন্তা পরিত্যাজ্য মাতৃ পদাম্বুজ স্মরন্যং।

||"'"""'' -----©--●অনাথ●-------""""""'||
|--anrc-----18/05/2018:-----------||
||=======08:20:14 am===47 L===||

7>||-"মা" দিবস-||-

‘জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী’
কলিযুগে -----
"মা" ই শ্রেষ্ঠ আরাধ্যা।
"মা" সর্বংসহা,অতুলনীয়া।
"মা" য়ের সমতুল  হয় না কেহই।
সন্তানের মঙ্গলে, সাফল্যে,
ভালোবাসায়,শিক্ষায়,
ভোলাকি যায়!--"মা" য়ের অবদান।
"মা" দুই হাতে দেন সামাল,
ঘর-সংসার,সন্তান ধারন,
সন্তান লালন-পালন।
মাদুর্গার দশ হাতের সমান।
"মা" তো একজন পূর্ণাঙ্গ নারী,
"মা "ইত করেন গর্ভধারণ,
সন্তানকে জন্ম দেয়ার অধিকারীনি,
"মা" ইত করেন সন্তানের লালন পালন,
"মা" ইত শ্রেষ্ঠ অভিভাবক ।
বর্তমানের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে,
আমরা অতি আধুনিকতায়,
" মা বাবা" কে পাঠাই  বৃদ্ধাশ্রমে।
দেখে শুনে জেনে ও করিনা ইতস্তত,
" মা বাবা" বৃদ্ধাশ্রমে হন বিধ্বস্ত।
যাঁরা বইলেন আমাদের বোঝা গুলো,
যাঁরা দেখালেন পৃথিবীর আলো,
আমরা তাঁদের রেখে বৃদ্ধাশ্রমে,
ঝাড়া হাতেপায়ে থাকতে চাই  ভাল।
"মা"তাঁর জীবনদিয়ে আমাদের বাসেন ভালো,
"মা"স্বস্নেহে সন্তানদের করেন লালন পালন।
মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার,
"মা দিবস" হয় পালন।
----------------------------
কিছু তথ্য--" মা দিবস" এর ------
সাদা কার্নেশন ফুল খুব জনপ্রিয় "মা দিবসের" উপহারের জন্যে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে "মা দিবস"-এ অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি ফোন করা হয়।
আর বাণিজ্যিকভাবে, "মা দিবস" বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কার্ড আদান-প্রদানকারী দিবস।
জতো দূর জানাগেছে, সাতের শতকে "মা দিবস" উদযাপনের সূত্রপাত ঘটান মার্কিন সমাজকর্মী জুলিয়া ওয়ার্টস।
"মা"য়ের সঙ্গে সময় দেওয়া আর "মা"য়ের জন্য উপহার কেনা ছিল তাঁর দিনটির কর্মসূচিতে।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে প্রথম "মা দিবস" পালন করা হয় 1858 খ্রিস্টাব্দের 
  2জুন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উহলসন সর্বপ্রথম "মা দিবসকে" সরকারি ছুটির দিন হিসাবে ঘোষণা করেন।
মে মাসের 2nd SUNDAY  কে "মা দিবস" হিসাবে উদযাপনের ঘোষণা করে  1914 খ্রিস্টাব্দের 8আট মে মার্কিন কংগ্রেসে। আর তখন থেকেই এই দিনে সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে "মা দিবস"। বিশ্বের প্রায় ৪৬টি দেশে প্রতিবছর দিনটি পালিত হয় । কথিত আছে, ব্রিটেনেই প্রথম শুরু হয় "মা দিবস" পালনের রেওয়াজ, কেননা সেখানে প্রতিবছর মে মাসের চতুর্থ  রবিবারে  "মাদারিং সানডে" হিসাবে পালন করা হতো।।         
||=============================||
আরও একটু লিখলাম ----
মা'য়ের আঁচল জগত সংসারে,
শক্তিরউৎস ও অটুট ভরসার
সর্ব শ্রেষ্ঠ আচ্ছাদন।।          
ভাই এর থেকে বড় ভাগিদার কেউ নাই।
বোনের থেকে শুভ চিন্তক কেউ হয়নাই।
স্ত্রীর থেকে বড় বন্ধু কেউ হয় না।
একান্ন-বর্তী পরিবারই
শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
" মা " এর অবদান জীবন ধন্য করে।
বর্তমানের সচ্ছতার প্রচেষ্টায়,
ডিজিটালের অগ্রগতিতে,
আমরা হারিয়ে ফেলছি,
একান্ন-বর্তী পরিবারের শ্রেষ্ঠত্ব,
সুন্দর ঐশ্বর্যের অধিকার।
আমরা ভুলতে চলেছি "মা" এর অবদান।
একান্ন-বর্তীপরিবারের থেকে
বড় ধন কিছু হয়না।
পিতার থেকে সৎচিন্তক,
সৎ উপদেশ দাতা কেউ নাই।।        
"মা"এর থেকে শ্রেষ্ঠ বন্ধু কেউ হয় না।
আমি, আমার,আমার চিন্তায়,
সময় ও জীবন বয়ে যায়।
তোমার আমার করতে করতে
দিন চলে যায়।
পরিবারে একমাত্র  "মা" ভিন্ন অন্য কেউ
করেনা সকলের চিন্তা।
"মা" এর চিন্তা নিঃস্বার্থ চিন্তা,
"মা" এর আশীষ সর্ব শ্রেষ্ঠ।
শুভকর্ম ও শুভচিন্তা জীবনকে
অমর করে দেয়।
আমি আমার চিন্তা থেকে
আমরা চিন্তা করা অনেক শ্রেয়।
শ্রধ্যা ভরে যে ছোঁয় পিতার চরণ,
তাঁর দূর হয় সকল দারিদ্রতার কারণ।
ছোঁয় যদি রোজ মায়ের চরণ,
তা হবে ভাগ্য প্রসন্নতার শ্রেষ্ঠ কারন।। 
ভাগ্য হবে অতী উজ্জ্বল,
তাতে নাই কোন সন্দেহের কারণ।
রোজ 'বড়ভাইয়ের' চরণ স্পর্শে,
ভাগ্য হয় প্রসন্ন থাকে চির হর্ষে।
যে ছোঁয় রোজ 'ভগ্নির' চরণ,
সে তো থাকে মহান চির দিন,
দূর হয় চরিত্র হননের সম্ভবনার কারন।
যে স্পর্শ করে রোজ 'গুরুদেবের'  চরণ,
তাঁর মতন ভাগ্যবান আছে কজন।
সুন্দর রূপের চিন্তা নাকরাই শ্রেয়,
সুন্দর চরিত্র গঠনের চেষ্টাই শ্রেয়।
নম্র স্বভাব সর্বত্র জয়ী,
এমন আদর্শ সর্ব জন গ্রাহী।
রোজ প্রত্যুষে মাতৃ প্রনামে জীবন ধন্য হয়।
জীবন চলিষ্ণু, চলাই জীবন,
জলও বিষাক্ত হয়ে যায় জমে থাকে জখন।
মিথ্যা আশা প্ৰদান থেকে স্পষ্ট 'না' কারা শ্রেয়।
শুভ চেতনা,শুভ চিন্তা,শুভ কর্ম,      
জীবনকে করে সচ্ছতা প্রদান,
মনকে করে হালকা শুদ্ধ বায়ুর মতন।
যাঁর মন হয় জতো হালকা,
সে ততোই উচ্চতা ছুঁতে পারে।
মাতৃ চিন্তাই সন্তান কে দিতে পারে
জীবনে শ্রেষ্ঠ  উচ্চ সম্মানের আসন।
পাখিরা হালকা তাই আকাশে উড়তে পারে।
মুশকিল, বাধা তো জীবনে আসবেই।
কেউ নিজ প্রচেষ্টায় তাকে অতিক্রম করে,
কেউ নিজে নিজে হতাশায় ভোগে।
এমম শুভ প্রচেষ্টায় মাতৃ প্রনাম
শ্রেষ্ঠ পাথেয়।
লোহা তো শক্ত কঠিন বলে জানি।
যে সক্ষম ধরে রাখতে বৃহদ অট্টালিকা।
আবার সক্ষম কিছু কাটতে আয়াস তরে,
আগুন লোহাকেও গলিয়ে দিতে পারে।
আবার জল আগুনকে নেভাতে পারে।
সেই জল মানুষ সহজে হজম করে।
মাতৃ হৃদয় কখন লোহার মতন,
কখন বিশুদ্ধ জলের মতন পবিত্র ।
মৃত্যু মানুষকে বিনাশ করে।
আশীর্বাদ মৃত্যুকেও খন্ডনে সক্ষম,করে যতন,
মাতা, পিতা ও গুরুর আশীর্বাদ অমূল্য রতন।
এই তিন আশীর্বাদ জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ মূল্যবান।
সর্বশেষে লিখতে হল ----    
Father Retires at ---60
Mother Retires ------NEVER
She works for Husband.
She works for her Children.
She Looks after her Grand children.
She Looks after EVERY ONE.
EVERY ONE RETIRES
But Mother Never Retires.    
Knowledge will give you Power.
Character will give you Respect.
Mother Give her children Blessing for
Long Life.
Mother help her children  to make Character  at  Home.     
""""'"""'' ------©--●অনাথ●----------""""""'
||---anrc--10/05/2018:::-------||
         আদ্য নাথ রায় চৌধুরী--
বেলঘরিয়া, কলিকাতা 700056,
(শ্যাম বিহার ফেজ 2, কলি 700059 এর ক্লাব ঘরে বসে লিখলাম)
------রাত্রি 9টা 40মিনিট-----
||=============================||
মিমি ( বুলির মেয়ে ) চেয়েছে "মা" দিবসের জন্য কিছু একটু লেখা।
তাই এই টুকুই লিখে পাঠালাম মিমি কে।
10/05/2018::রাত্রি 9টা 40 মিনিট
============================

মাতৃ দিবস উপলক্ষে লেখাটি আরো সুন্দর করতে একটি অনুবাদ তুলে ধরলাম--------

||-এক মালি-|| ( অনুবাদ )

লেখাটির নাম টি আমি দিলাম " মালি"
কিন্তু প্রকৃত লেখাটি ইংরেজি থেকে সনুবাদ করে লেখা হয়েছে----


লোকটি একটি আন্তর্জাতিক মানের স্কুলের সুবিন্যস্ত বাগানের গাছগুলিতে জল দিচ্ছিল । রোদের উত্তাপ ও বাতাসের ধুলো সম্ভবত তাকে কাবু করতে পারেনি ।

'গঙ্গা দাস, প্রিন্সিপাল ম্যাডাম তোমাকে ডাকছেন - এক্ষুনি -'
বিষয়টি খুব বেশী বেশী গুরুত্বপূর্ন এটা বোঝাতে পিয়ন তার শেষ শব্দটার  অনেক বেশি জোর দিয়েছিল ।

লোকটি তাড়াতাড়ি জলের পাইপ বন্ধ  করে ভালভাবে হাত ধুয়ে  গামছায় হাত মুছে প্রিন্সিপাল ম্যাডামের চেম্বারের দিকে ছুটল ।
বাগান থেকে স্কুলের অফিস ঘরের  দূরত্ব পার হওয়ার সময়টা তার কাছে অন্তহীন মনে হচ্ছিল, তার বুকের খাঁচার ভিতর থেকে হৃৎপিন্ডটা যেন লাফিয়ে বের হয়ে আসতে চাইছিল ।

সে  মনে মনে নানা অঙ্ক কষে চলছিল কি এমন ভুল সে করে ফেলেছে যাতে প্রিন্সিপাল ম্যাডাম তাকে অবিলম্বে ডেকে পাঠিয়েছেন ।
সে খুব দায়িত্বশীল কর্মচারী ছিল, এবং কাজে কখনো ফাঁকি দেয়নি ।

সে প্রিন্সিপাল ম্যাডামের চেম্বারের দরজায় ঠক ঠক করল ।
'ম্যাডাম, আমাকে ডেকেছেন ? '
'ভিতরে এস । 'গম্ভীর আওয়াজ শুনে সে আরো  ঘাবড়ে গেল ।

ম্যাডামের চুল ঈষৎ লালচে  উঁচু করে বাঁধা,  হালকা নক্সা যুক্ত সুন্দর শাড়ি পরনে, নাকের একটু উপরে চশমাটা আটকে আছে ।

টেবিলের উপরে রাখা একটা কাগজের দিকে নির্দেশ করে তিনি বললেন :
'ওটা পড় । '

' কি .. কিন্তু ম্যাডাম, আমি মুখ্যু মানুষ ।..
 আমি ইংরেজি পড়তে পারি না । ...
ম্যাডাম দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন । না জেনে  হয়তো কোন ভুল করে ফেলেছি ... আমাকে আর একবার সুযোগ দিন ।....
আপনি আমার মেয়েকে  বিনা খরচে এই স্কুলে পড়বার সুযোগ দিয়েছেন ।,.. সে জন্য আমি চির ঋণী হয়ে আছি ।... আমার মেয়ের জন্য এমন সুযোগ আমি স্বপ্নেও ভাবি নি । '

লোকটি  প্রায় বাকরুদ্ধ হয়ে ভেঙে পড়ল ।

' থাম থাম, তুমি অনেক কিছু ভেবে ফেলেছ ... আমরা তোমার মেয়েকে সুযোগ দিয়েছি কারন সে খুব মেধাবী আর তুমি আমাদের বিশ্বাসী কর্মচারী ..   এখন আমি একজন  শিক্ষিকাকে ডেকে পাঠাচ্ছি ... তিনি ওই কাগজটা পড়ে  অর্থটা তোমাকে বলে দেবেন ... ওটি তোমার মেয়ের লেখা  ..আমি চাই তুমি সেটা পড় ।

একটু পরেই একজন শিক্ষিকা সেখানে এসে উপস্থিত হল । প্রিন্সিপাল ম্যাডামের অনুরোধে তিনি কাগজটা নিয়ে পড়লেন এবং  অনুবাদ করে শোনালেন ।

কাগজটায় লেখা ছিল .....

' আজকে আমাদের মাতৃ দিবস সম্পর্কে লিখতে বলা হয়েছে।

বিহারের একটা ছোট গ্রামে আমার বাড়ী যেখানে চিকিৎসা ও শিক্ষা  একটা দূর গ্রহের স্বপ্ন বলে মনে হয় । অনেক মহিলা  সন্তানের জন্ম  দিতে গিয়ে যখন তখন  মারা যায় । আমার মাও তাদের মত একজন যিনি আমাকে কোলে  নিতেও পারেন নি ।  প্রথমে আমার বাবাই  আমাকে কোলে তুলে নিয়েছিলেন এবং সম্ভবত তিনি একমাত্র পুরুষ যিনি আমাকে কোলে নিয়েছিলেন ।

প্রত্যেকেই মনে দুঃখ পেয়েছিল  কারন আমি মেয়ে হয়ে জন্মেছিলেন আর জন্ম নেবার পরেই আমার মাকে খেয়ে ফেলেছিলাম ।

আমার বাবাকে আবার বিয়ে করতে বলা হয়েছিল , কিন্তু তিনি রাজী হননি ।
আমার ঠাকুরদা ও ঠাকুরমা নানা যুক্তি দিয়ে  ও চাপ দিয়ে বাবাকে রাজী করাতে চেয়েছিলেন  কিন্তু তাকে ভাঙতে পারেননি ।

 আমার ঠাকুরদা ঠাকুরমা বংশধর হিসাবে একটি নাতি চেয়েছিলেন এবং বাবাকে ভয় দেখিয়েছিলেন যদি তিনি  পুররায় বিয়ে না করেন তবে তাকে পারিবারিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হবে ।

বাবা দ্বিতীয়বার ভেবে দেখেন নি ..  কয়েক একর জমি , সাজনো ঘরবাড়ী, সুখী জীবনযাত্রা, অসংখ্যা গবাদি পশু  এবং গ্রামে সুখী জীবন যাপনের জন্য যা কিছু প্রয়োজন তার সব কিছুই তিনি ত্যাগ করেছিলেন ।

তিনি  একেবারে শূন্য হাতে  শুধু আমাকে কোলে  নিয়ে এই বড় শহরে চলে এসেছিলেন । এখানে জীবন খুব কঠিন, কিন্তু তিনি দিন রাত কঠোর পরিশ্রম করে  কোমল ভালোবাসা আর অসীম যত্ন দিয়ে আমাকে বড় করে তুলেছেন ।

এখন বুঝতে পারি আমি যে খাবার খুব পছন্দ করি সেটা পাতে এক পিস মাত্র থাকলে হঠাৎ কেন তিনি সেটাকে অপছন্দ করতে শুরু করেন  .. তিনি বলেন ওই খাবার খেতে তিনি খুব অপছন্দ করেন । আমিই যেন সেটা খেয়ে নিই । কিন্তু আমি  বড় হয়েছি , তাই আসল কারণটা বুঝতে পারি ।

তিনি তার সাধ্যের বাইরে গিয়েও আমাকে যতটা  সম্ভব আরামে রাখার চেষ্টা করেন ।
স্কুল ওনাকে একটা থাকার জায়গা দিয়েছে , শ্রদ্ধা দিয়েছে আর তার মেয়েকে স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিয়ে  সবচেয়ে বড় উপহারটা দিয়েছে ।

 যদি ভালবাসা ও যত্ন মায়ের সমার্থক হয় তবে আমার বাবাও সেটার জন্য উপযুক্ত ...
যদি  মায়ের সংজ্ঞা হয় সহমর্মিতা তবে আমার বাবা সেটার জন্যও  যথাযথ..
যদি মায়ের সংজ্ঞা হয় ত্যাগ তবে আমার বাবার ক্ষেত্রেও সেটা খাটে ...

সুতরাং, এক কথায় বলতে গেলে যদি মা  ভালোবাসা যত্ন সহমর্মিতা আর ত্যাগ দিয়ে তৈরি হয় তবে আমার বাবাই হল জগতের শ্ৰেষ্ঠ মা ।
 পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অভিভাবক হওয়ার জন্য আমি আমার বাবাকে মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে চাই । আমি তাকে অভিবাদন জানাই এবং গর্বের সঙ্গে বলতে চাই যে স্কুলের পরিশ্রমী মালী ই হল আমার বাবা ।
আমি জানি  শিক্ষিকা আমার  এই লেখাটি পড়ার পরে আমি হয়তো এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারব না কিন্তু আমার বাবার মত একজন নিঃস্বার্থ  মানুষের ভালোবাসাকে  শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষেত্রে সেটা আমার কাছে অকিঞ্চিতকর হবে ।'

ঘরের মধ্যে অসীম নিঃশব্দতা বিরাজ করতে লাগল ... শুধুমাত্র গঙ্গা দাসের  অস্ফুট কান্নার শব্দ পাওয়া গেল ...
সূর্যের উত্তাপ জনিত ঘামে তার পরনের পোশাককে ভেজাতে পারেনি কিন্তু নিজের মেয়ের কোমল ভাষায় লেখা চিঠির বক্তব্য  শুনে চোখের জলে তার বুক সিক্ত হয়ে গেল ...  সে জোড় হস্তে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকল ।

সে শিক্ষিকার হাত থেকে কাগজটা নিয়ে বুকের কাছে ধরে ফোঁফাতে লাগল ।
প্রিসিপাল  তাকে একটা চেয়ারে  ও এক গ্লাস জল এগিয়ে দিলেন ।
কিন্তু কথা বলার সময় আশ্চর্যজনক ভাবে তার কন্ঠস্বরে গাম্ভীর্যের পরিবর্তে মৃদু ও মাধুর্যমন্ডিত হয়ে উঠল ।

গঙ্গা দাস, তোমার মেয়ে এই প্রবন্ধ লেখার পরীক্ষায় দশে দশ নম্বর পেয়েছে । এ স্কুলের ইতিহাসে মাতৃ দিবস সম্পর্কিত এ পর্যন্ত যত রচনা লেখা হয়েছে, এটা তাদের মধ্যে সেরা । আগামীকাল আমাদের স্কুলে মাতৃ দিবস উপলক্ষে একটা বড় অনুষ্ঠান হবে যাতে স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তোমাকে প্রধান অতিথির হিসাবে উপস্থিত থাকার জন্য  আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ।
একজন মানুষ যেভাবে  ভালোবাসা ও ত্যাগ দিয়ে নিজের মেয়েকে মানুষ করেছে  এটার মাধ্যমে তাকে সম্মান জানানো হচ্ছে আর এটাও দেখানো  হচ্ছে যে  আদর্শ অভিভাবক হওয়ার জন্য একজন  আদর্শ মা হওয়ার দরকার নেই ।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এই যে তোমার মেয়ের মধ্যে যে দৃঢ় বিশ্বাস,   স্বীকৃতি দানের প্রবল আগ্রহ আছে সেটা তোমার মধ্যে সঞ্চারিত করা যাতে তোমার মেয়ে গর্ববোধ করতে পারে,  সেইসঙ্গে তোমার মেয়ের বিস্বাস মতে  সমস্ত পৃথিবীর মধ্যে সেরা অভিভাবক আমাদের স্কুলেই  আছে বলে গোটা স্কুল যাতে গর্ববোধ করতে পারে ।

তুমি প্রকৃত অর্থেই একজন মালি, যে শুধু স্কুলের গাছপালার যত্ন নেয় না  এমন সুন্দর উপায়ে তার জীবনের সবথেকে মূল্যবান ফুলটির ও দেখাশোনা করে ।

সুতরাং , গঙ্গা দাস , তুমি আমাদের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হতে রাজি আছ তো ?
--------------------------
লেখাটি  ইংরেজি থেকে অনুবাদ করা হয়েছে এবং সেই  পোস্ট অনুসরণে লিখিত ।
সংগ্রহ:<-----● अनाथ ●----->
==============================
8>  ---"মা" 9th May মাতৃ দিবস।


"মা"-এই শব্দটির অন্তরে লুকিয়ে আছে , 

এক অকৃপণ নিঃস্বার্থ ভালোবাসার

অসীম ক্ষমতা।

সন্তানের জন্য মায়ের আত্মত্যাগের তুলনা

করা চলেনা। 

এক মাত্র 'মা' ই পৃথিবীতে সবথেকে শ্রেষ্ঠ কর্মজীবী নারী।

"মা" এর নাই কোন মজুরি, নাইকোন বোনাস,নাই কোন ওভার টাইম, নাই কোন দাবি, নাই কোন ছুটি, নাই কোন শর্ত, নাই কোন স্বর্থ নাই কোন স্বার্থ।

শুধু নিঃস্বার্থ ভাবে খেটে চলেন সারাটা জীবন,

সেই কাক ভোর থেকে নিশুতি রাত্রী।

তাইতো বলে গর্ভবতী হওয়া সহজ,

কিন্তু ' মা ' হওয়া বড়ই কঠিন।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

      ------7/12/2020::09:55 pm--

===========================

9>||<-----||-মা-||------->
            <----আদ্যনাথ--->( © )

"মা" সর্বংসহ,বিশ্বজনীন,সর্ব দীপ্ত,সর্বশ্রেষ্ঠ,
"মা" জগতে মাতৃ শক্তি ই শ্রেষ্ঠ।
"মা" এর তুল্য কোন শক্তিই নাই,
মাতৃ আরাধনায় অতুলনীয় সুখ পাই।
মাতৃ শক্তি ভিন্ন সংসার অচল,
মাতৃ আশীষ বিনা সকল শক্তি বিফল।
নিষ্কাম, নির্লোভ,নিরহঙ্কার,নিঃস্বার্থ,
আশীর্বাদ দিতে একমাত্র "মা" ই সমর্থ।
মাতৃ আশীষ র্ভিন্ন জগৎ অন্ধকার,
নিঃস্বার্থ আশীষ দিয়ে"মা" করেন উপকার।
সংসার রূপ কর্ম যজ্ঞে মা এর শ্রেষ্ঠ অবদান,
সংসার মাত্রেই মায়ের করুনার আধার।
সন্তান কৃত শত অপমানেও মা হননা অধিক্লিষ্ট।
পিতার সামান্য বিদ্রূপে  মা এর মনঃকষ্ট।
যে সন্তান প্রভাতে করে মাতৃ প্রনাম,
তার থাকেনা কোন কষ্ট বাড়ে সম্মান।
রোজ মায়ের চরণ ছুঁয়ে করো প্রনাম।
সকল কার্য হইবে সফল,বারিবে মান।
মায়ের সমতুল্য কেহ নাই সংসারে,
মাতৃ সেবা শ্রেষ্ঠ সেবা সংসারে।
মাতৃ সেবায় তুষ্টপিতা সকল দেবতা গন,
রোজ মাতৃ প্রনাম শ্রেষ্ঠ পূজর আয়োজন।
    "মা"তো সংসারে সর্বজনীন,
      "মা" সর্বংসহ,বিশ্বজনীন,
       "মা" তুলনা বিহীন সার্বজনীন।
   <--©--●অনাথ●--->
     【--anrc-26/09/2018--】
     【=রাত্রি:01:08:22am=】 【=তেঘরিয়া=কোলকাতা -59=】
      =======24 L=======

=========================================

10> ||-বিশ্ব মা দিবস’ ||
        <--©--●আদ্য নাথ●--->

12 ই মে 2019
আজ ‘বিশ্ব মা দিবস’,
মা এর মতন  প্রকৃত যোদ্ধা
পৃথিবীতে কেউ হয়না।
মা সন্তানের কোন বিপদ
আসতেই দেয়না।
সন্তানের সুখের জন্য মা হাসিমুখে
সকল ত্যাগ স্বীকারে কুণ্ঠিত হয় না,

তিনি ই হচ্ছে ন ‘মা' যিনি
সন্তানগর্ভে ধারনের পর হতে
যতদিন বেঁচে থাকেন,
নিঃস্বার্থভাবে সন্তানকে আগলে রাখেন।

সন্তানের জন্য মায়ের অন্তহীন ভালোবাসা অনন্তকালের।
সন্তান যত বড়ই হোক না কেন মায়ের কাছে শিশু হয়েই থাকে চির কালের।

মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও স্নেহ,
যার তুলনা হয়না কখনো।
সন্তানের কাছে মায়ের কোল পৃথিবীর
শ্রেষ্ঠ নিরাপদ আশ্রয়।

মা আর সন্তানের সম্পর্ক চিরন্তন
শ্রেষ্ঠ আশ্রয়।
সকল সন্তানের ভাবনা
আমার মায়ের মতো মা
পৃথিবীতে আর কেউ নেই।

"মা" সর্বংসহ,বিশ্বজনীন,সর্ব দীপ্ত,সর্বশ্রেষ্ঠ,
"মা" ও মাতৃ শক্তি জগতে শ্রেষ্ঠ।
"মা" এর তুল্য কোন শক্তিই নাই,
মাতৃ আরাধনায় অতুলনীয় সুখ পাই।

মাতৃ শক্তি ভিন্ন সংসার অচল,
মাতৃ আশীষ বিনা সকল শক্তি বিফল।
নিষ্কাম, নির্লোভ,নিরহঙ্কার,নিঃস্বার্থ,
আশীর্বাদ দিতে একমাত্র "মা" ই সমর্থ।

কতো শত ফুলদিয়ে একটি মালা হয়,
কত বিন্দু বিন্দু জল দিয়ে নদী হয়,
পঞ্চ প্রদীপ ছরা কি আরতি হয়,
একমাত্র এক "মা"য়েই সংসার সুন্দর হয়।

নিঃস্বার্থ আশীষ দিয়ে"মা" করেন কল্যাণ,
সংসার রূপ কর্ম যজ্ঞে মা এর শ্রেষ্ঠ অবদান।
সংসার মাত্রেই মায়ের করুনার আধার,
মাতৃ আশীষ র্ভিন্ন জগৎ অন্ধকার।

সন্তান কৃত শত অপমানেও মা হননা অধিক্লিষ্ট।
পিতার সামান্য বিদ্রূপে  মা এর মনঃকষ্ট।
যে সন্তান প্রভাতে করে মাতৃ প্রনাম,
তার থাকেনা কোন কষ্ট, বাড়ে সম্মান।

রোজ মায়ের চরণ ছুঁয়ে করো প্রনাম,
সকল কার্য হইবে সফল,বারিবে মান।
মায়ের সমতুল্য কেহ নাই সংসারে,
মাতৃ সেবা শ্রেষ্ঠ সেবা জগৎ সংসারে।

"মা" তুলনা বিহীন সার্বজনীন,
" মা" কভু নয় কাহারো অধীন।
সকল ত্যাগ স্বীকারে মা কুণ্ঠিত নন,
মাত্রী পূজায় তুষ্ট সকল দেবতা গণ।

মাতৃ সেবায় তুষ্টপিতা সকল দেব দেবী,
রোজ মাতৃ প্রনাম শ্রেষ্ঠ পূজা জানি।
    "মা"তো সংসারে সর্বজনীন,
      "মা" সর্বংসহ,বিশ্বজনীন।

বিশ্ব মা দিবসে" বিশ্বের সকল মাকে
জানাই আমার অন্তর তম প্রণাম।
মাতৃ হারা যেজন তাদের জন্য রইলো
হৃদয়ের অফুরন্ত ভালোবাসা
আর একফোটা অশ্রু জল।

   <--©--●আদ্য নাথ ●--->
     【--anrc-12/05/2019--】
     【=রাত্রি:01:08:22am=】 
【=বেলঘরিয়া=কোলকাতা -56=】
      ================================
11>||-"মা"এর আশীর্বাদ -||


'জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী’।
হে জননী নিত্য দিন তোমারে নমি,
পূবাকাশে প্রভাতের স্নিগ্ধ কিরণ,
মনেহয় তোমার পুষ্পরাঙা চরণ।
তোমারে প্ৰণমি বারে বারে হৃদয় মাঝে,
তোমারে প্ৰণমি সকল কাজের মাঝে।
এই তনু মনে লুকায়ে যে আত্মার আধার,
সেওত দিবা রাত্র করিছে পূজা তোমার।
ক্ষনিকের এই মনুষ্য জীবন,
এওতো আমার মায়ের দান।
হলেও ক্ষনিকের ক্ষুদ্র জীবন,
ভোলা যায়কি মায়ের দান?

"মা" চিন্ময়ী রূপে ঈশ্বর হইতেও শ্রেষ্ঠ,
"মা"এর আশীর্বাদ জীবন পথে সর্বশ্রেষ্ঠ।
মাতৃ রূপ  ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ ভাবনার দান,
জগৎ বিস্তারে জননীর শ্রেষ্ঠ অবদান।

জগতে একমাত্র "মা" ই সক্ষম
দিন, মাস, প্রতি ক্ষন----
নিজের সকল সত্তার দিয়ে বলিদান,
গড়ে তুলতে নুতন জীবন।

"মা" সর্বংসহা।
সন্তানের মঙ্গলে, ভালোবাসায়,
সাফল্যে, শিক্ষায়-
ঘর-সংসার, সন্তান লালন-পালন।
সবেতেই মায়ের অবদান চিরন্তন।

দশভূজ রূপে গৃহে মা ইতো করেন,
সকল নৈতিক দায়িত্ব পালন।
সৃষ্টির লীলা প্রকৃতির খেলা মাত্র,
সেথা পুরুষ সৃষ্টির অহংকার মাত্র।

মাতৃ ক্রোড় নিষ্কলঙ্ক শ্ৰেষ্ঠ মন্দির সম,
মন্ত্র তন্ত্র ত্যাগ তপস্যার আধার যেন।
মাতৃ জঠরের সুপ্ত চেতনা,
মাতৃ ক্রোড়েই ব্যাপৃত ভাবনা।

 বিশ্বের সকল জননী কে জানাই,
আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।।

        <--©--●অনাথ●--->
        【--anrc-03/07/2018--】
        【02:24:20 am==35 L=】
============================
||=============================||

 12>||"মা" আমার "মা"|| 

           || আমাদের আদরের মা ||

======================

805>||"মা" আমার "মা" ||  D

                <--©➽-আদ্যনাথ--->

"মা" নয় শুধু মাত্র একটি অক্ষর,

মায়ের সমতুল নাই কোন অক্ষর।

"মা" এই অক্ষরটির বিশালতা,

 জানা অসম্ভব তাঁর গভীরতা।


"মা" নয় শুধু মাত্র একটি অক্ষর,

"মা" অন্তহীন এক বিশাল অক্ষর।

মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা এক অক্ষর,

সন্তানের হৃদয়ে আনন্দপূর্ন এই অক্ষর।


"মা" নয় শুধু মাত্র একটি অক্ষর,

"মা" মানে অসীম অনন্ত একটি অক্ষর।

"মা" মানে অনেক আদর ও অনুভবের এক অক্ষর।

"মা" মানে ভাষায় প্রকাশে অক্ষম  এক অক্ষর।


"মা" নয় শুধু মাত্র একটি অক্ষর,

"মা"আছেন তাই আমরা আছি।

"মা"শিখিয়েছেন প্রথম ভাষার অক্ষর,

"মা"এর কোলে শুয়েই জগৎ দেখেছি।


"মা" এর অন্তরে অফুরন্ত ভালোবাসা,

"মা" এর কোলেই সুন্দর স্বপ্ন দেখা।

"মা" এর মুখে আদরের ডাক শোনা,

"মা" এর চোখেই পরিবেশ কে চেনা।


"মা"এর স্নেহ আর আদরে বুকভরা,

"মা" এর হাত ধরে প্রথম পথ চলা।

"মা"এর নির্দেশেই সকলকে চেনা,

"মা"এর আজ্ঞাতেই ভালোবাসা শেখা।


"মা" নয় শুধু মাত্র একটি অক্ষর,

"মা" প্রভাতের সূর্য কিরণের মতন। 

"মা" ধ্রুব তারার মতন সত্য,

"মা" জগতের শ্রেষ্ঠ আনন্দ নিত্য সত্য।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

--------30/12/2020::-08:40pm-------

=========28 L=============



   13>|| আমাদের আদরের মা, || -- to fb

             <--আদ্যনাথ-->

আমাদের আদরের মা,

নিদারুণ অসহায় এক মা।

যে পারেনা প্রকাশ করতে

রাগ, অভিমান, নিজেরকষ্ট।

ভীষণ দুঃখে,মনের কষ্টে,

একটু চিৎকার,একটু কান্না,

তাও পারেনা।

সে আমাদের মা-----

নিতান্ত লোক লজ্যার কারণে,

শুধু একটু মৃদু হাসির আড়ালে।

ঝড়ে পরে দুফোটা চোখের জল,

তাও লুকিয়ে রাখেন অতি সহজে,

সর্বক্ষণ,সকলের চোখের আড়ালে।

তিনি আমাদের অসহায় এক মা।

যিনি নিজের সর্বস্ব দিয়ে বিসর্জন,

গড়ে তোলেন সংসার,পরিজন, সন্তান।    

            <--©➽--আদ্যনাথ-->

==========================

14>|| মায়ের বোঝা ||  D

               <--©➽-আদ্যনাথ--->

মাতৃ গর্ভে দিনে দিনে বাড়ন্ত ভ্রুণ,

সন্তানের অস্তিত্ব অনুভূতির স্বপ্ন,

"মা"তিলে তিলে গড়ে চলেন,

আসন্ন সন্তানের সুখের স্বর্গ।


দশ মাসের অনুভব আর স্বপ্ন,

নিতান্ত 'মা'এর এক অনুভূতির স্বপ্ন।

তিলে তিলে বাড়ন্ত কষ্টের বোঝা,

সকল কষ্টই যেন তাঁর সুখের বোঝা।


সন্তানের ইস্কুলের ব্যাগের বোঝা,

ভবিষ্যৎ সুন্দর করা নয়তো সোজা।

করোনা ভাইরাসের কারনে নাই স্কুল ব্যাগের বোঝা,

মায়ের বাড়ন্ত সন্তানের ভবিষ্যতের 

চিন্তার বোঝা।


দিনে দিনে ক্রমবর্ধমান সংসারের বোঝা,

করোনার কারনে, আর্থিক হানির বোঝা।

অশনি সংকেতে বাড়ে মায়ের দুঃস্বপ্নের বোঝা,

সন্তানের  জীবন আর ভবিষ্যত রক্ষার চিন্তার বোঝা।


'মা' স্বর্গ থেকেও সুন্দর বিধাতার সৃষ্টি,

সন্তানের সুখের চিন্তাতেই 'মা'এর সর্বদা দৃষ্টি।

আজীবন বোঝা বইতেই যেন 'মা'এর সৃষ্টি,

ভোলাকি যায় মায়ের করুনা ভরা দৃষ্টি?  


'মা' দুই হাতে সয় দশ হাতের বোঝা,

অসাধ্য মাতৃরূপের ভাবকে বোঝা।

মা হাসি মুখেই সহ্য করেন সংসারের সকল বোঝা,

সংসারের সকল কষ্ট থাকে মায়ের বুকে চাপা ।


মাযের আদরে সন্তান বড় হয় সুখ-দুঃখের মাঝে,

মায়ের সেই আদরের  ডাক চিরদিন মনে থাকে।

মায়ের আদর ভালোবাসা পাওয়া হয়তো

সহজ সোজা,

কোন কিছু দিয়ে মেটেনা মায়ের ঋণের বোঝা।


মাতৃ দিবসে মাকে ভীষণ মনে পরে,

ঈশ্বর রূপে 'মা' সদাই আছেন অন্তরে।

বার বার প্রণাম করি,সকল 'মা'কে,

মায়ের চিন্তার বোঝা ভাবায় আমাকে।

  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

-------28/12/2020::08:40: pm----

===========================

 15>|| মা ও শিশু ||  D.fb.

        <--©➽-আদ্যনাথ--->

শিশু বলে মাকে, 

কোথা থেকে আনলে আমাকে,

কোথায় কুড়িয়ে পেলে !

মা বলেন, 

তুমি ছিলে আমার অন্তরে,

সেখান থেকে  আনলাম কোলে

অনেক আদরে।


শিশু বলে মাকে,

কিকরে আমি চিনলাম তোমাকে, 

তুমি কেন কোলে নিলে আমাকে !

মা বলেন, 

তুমি নয়মাস ছিলে অতি যতনে,

ছোট্টটি হয়ে আমার হৃদয়ের কাছে,

তারপরে আসলে আমার কোলে।  


শিশু বলে মাকে,

আমি কোথা থেকে এলাম,

আমি কেমন করে এলাম !

মা বলেন, 

আমি দেখে ছিলাম তোমার স্বপ্ন,

তারপরে সে এক রাজপুত্তুরের গল্প।

রাজপুত্তুর এলো ঘোড়ায় চড়ে,

একটি পরী চাইলাম আদর করে।


শিশু বলে মাকে,

সেই রাজপুত্তুরের গল্প বল আমাকে,

কেমন করে সে আনলো আমাকে।

মা বলেন,

সে গল্প তো অনেক কথা,

একটু বড় হলেই তুমি বুঝবে সে কথা।

রাজপুত্তুর তোমাকে দিল আমার কোলে,

তুমি রইলে আমার কোল আলো করে। 


শিশু মাকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পরে,

সেদিন থেকেই সে স্বপ্ন দেখে।

পুতুল চায় সে আবদার করে,

সকালে উঠেই দেখে, 

পুতুল শুয়ে আছে তার পাশে।

এমনি করেই শিশু দিনে দিনে বাড়ে,

রোজই সে বড় হবার স্বপ্ন দেখে।

শিশুর মনে হাজারো প্রশ্ন জাগে,

"মা" ইত সবজান্তা শিশুর কাছে।

শিশু যখন মায়ের কোলে

কতো কথা আধো আধো বোলে।

মায়ের আদরের সেই চুমু,

শিশুর গালে ভালোবাসার চুমু।

মায়ের কাছে শিশুর আবদার,

চলতে থাকে জীবন ভর।

সন্তান চিরদিন ছোটই থাকে মা এর কাছে,

শিশুর হাসি কান্নাও মায়ের কাছে।

শিশু মাতৃ ক্রোড়ে থাকে নির্ভয়ে,

মা ও শিশুকে জড়িয়ে থাকে নির্ভয়ে।

শিশুর শ্রেষ্ঠ সুখ মাতৃ ক্রোড়ে,

মায়ের স্বপ্নদেখা শিশুকে ঘিরে।  

মায়ের আদর ও শিশুর আবদার করা,

এই চাওয়া পাওয়া, স্বর্গ সুখের বাড়া।

মায়ের কোল শিশুর শ্রেষ্ঠ সুখের ঠাই,

শিশুর মনে সর্বদাই মায়ের আদর চাই।

একে অপরের স্নেহ ও ভালোবাসার ঠাই,

মায়ের মতন এমন সুখ আর কোথা পাই।

মা শত দুঃখ কষ্ট সয়ে,

সন্তানেরে বুকে ধরে রাখে।

মায়ের স্নেহ ভরা মমতার মধুর মায়া,

শিশুর শ্রেষ্ঠ ঠাই মায়ের হৃদয়ের শীতল ছায়া।  

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

-------31/12/2020::06:20:pm------

====================


অসাধারণ অসাধারণ অনবদ্য লেখনী। 👏👏👏

====================

👌👌Bah..bah..khub sundor likhechen

=======================


   16>||  " মা " ||2022

              <--আদ্যনাথ-->

 'মা মানে শুধুই ত্যাগ'

ত্যাগের প্রতিমূর্তিই  "মা"।

"মা" মানে অফুরন্ত আদর,

"মা" মানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদর,

"মা" মানে অফুরন্ত সুখ,

"মা" মানে সকল আবদার,

"মা' মানে সেই শীতল আঁচল,

যেখানে জুড়ায় ব্যাথা সকল।


'জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী’।

হে জননী নিত্য দিন তোমারে নমি,

পূবাকাশে প্রভাতের স্নিগ্ধ কিরণ,

চির সত্য তোমার পুষ্পরাঙা চরণ।


মাতৃ সেবায় তুষ্টপিতা সকল দেব দেবী,

রোজ মাতৃ প্রনাম শ্রেষ্ঠ পূজা জানি।

    "মা"তো সংসারে সর্বজনীন,

      "মা" সর্বংসহ,বিশ্বজনীন।


"মা" চিন্ময়ী রূপে ঈশ্বর হইতেও শ্রেষ্ঠ,

"মা"এর আশীর্বাদ জীবন পথে সর্বশ্রেষ্ঠ।

মাতৃ রূপ  ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ ভাবনার দান,

জগৎ বিস্তারে জননীর শ্রেষ্ঠ অবদান।


"মা" নিজের সকল সত্তার দিয়ে বলিদান,

তিলে তিলে গড়ে তোলেন নুতন জীবন।

সৃষ্টির লীলা প্রকৃতির খেলা মাত্র,

সেথা পুরুষ সৃষ্টির অহংকার মাত্র।


মাতৃ ক্রোড় নিষ্কলঙ্ক শ্ৰেষ্ঠ মন্দির সম,

মন্ত্র তন্ত্র ত্যাগ তপস্যার আধার যেন।

ক্ষনিকের জীবনে শ্রেষ্ঠ মায়ের দান,

সকল জননী কে আমার প্রণাম।

  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

             08 May 2022

===========================

17>|| Mother's Day 2024:||


মাতৃ দিবসে মাকে মনে পরে।

জানি সে আজও আছে আমার অন্তরে,

আজ বারবার তাঁকেই মনেপরে।

আমি ছিলাম তাঁর অতি আদরের,

আমার সকল অন্যায় করতেন ক্ষমা সাদরে।


তাই বুঝি মনে পড়ে তারে বারেবারে।

কত অন্যায় অত্যাচার,শাসন না মানার,

সকাল থেকে সন্ধে,চলতো তার সাথে।

তার ছিলোনা ক্লান্তি,

তথাপি তার মনে ছিল শান্তি।

রাত্রে রাখতেন আঁচলে ঢেকে,

দিন ভর নজর থাকতো আমার দিকে।

পারতাম না তার নজরের বাইরে যেতে,

নজর থাকতো সকল ফাই ফর্মাসের ফাঁকে

আজ বারবার মনেপরে আমার মাকে।


আজ বুঝতে পারি কেন বলে

 "মা" স্বর্গের থেকেও সুন্দর।

সত্যই "মা" থাকতে বুঝিনি তারে

আজ বুঝেছি হারায়ে তাকে।

আজ মাতৃ দিবসে

বার বার  মাকে মনেপরে।

  <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

     12/05/2024

====================

  18>|| मातृ दिवस ||2024


 दुनिया भर में पूरे प्यार,आदर और स्नेह के साथ मई महीना के दूसरे रविवार को ही  मदर्स डे मनाया जाता है.

अतः आज 2024 के दूसरा रविवार को संडे 12 मई को मदर्सडे की मान्यता है।


मैंने खुला आंखों से दुनियां देखी है,

किन्तु मैंने जन्नत तो नहीं हैं,

देखी.... मैंने मां को देखी है। 


मैंनेतो भगवान कभी नहीं देखा हैं, 

लेकिन मां को देखा हैं।

मेरे लीये मां भगवान से कम नहीं थे।

इसलिये  आज अपना ही घर मुझे पराया  लगता है।

मां की जाने के बाद मेराही घर मुझे खाली लगता है।


देखा मैंने मां को देखा, 

आजभी रोज देखे हैं,

उस बास स्टंड पर मां को देखे हैं,

भूखा प्यासा मगर गोदमें शिशुको

अपना दूध पिलाते हैं। 

कुछ खाना मिलतेहि.... 

कितना चाहत में खा-लतीहैं,

दोनों हात उपर कर दूंया भी देती हैं।


मां ऐसेही होती हैं,

अपना भूखा पेट सहलेती हैं,

लेकिन सन्तान की थोरिसी भूख

मां को बेचौनी करदेते हैं।


मां ऐसेही होती हैं,

आपना सारे हुख सह लेती हैं,

लेकिन आपना सन्तान की थोरा से कष्ट 

मां को बेचौनी करदेती हैं।


मां ऐसेही होती हैं,

रोज 18 घण्टा काम करते हैं,

कोबिभी छुट्टी नेही मांगते हैं।

दुनियाके सारे मां को मेरा रणाम।

   <-----आद्यनाथ राय चौधुरी ---->

    12/05/2024

======================


    19>||  আজ বিশ্ব মাতৃত্ব দিবস  ||2025

              <--আদ্যনাথ-->

আজ ব্যথিত হৃদয়ে বেদনার অশ্রু জলে

 বার-বার মাকে মনে পড়ে।

জানি সে আজও আছেন আমার অন্তরে,

তাই বুঝি বার-বার  মা কে  মনে পড়ে,

কত শাসন না মানার অন্যায় অত্যাচার।

সকাল থেকে সন্ধে,চলতো তাঁর সাথে,

তাঁর ছিলোনা ক্লান্তি,

তথাপি তাঁর মনে ছিল শান্তি,

রাত্রে রাখতেন আঁচলে ঢেকে।


আজ বুঝতে পারি কেন বলে

"মা" স্বর্গের থেকেও সুন্দর।

সত্যই "মা" থাকতে বুঝিনি তাঁরে

আজ বুঝেছি হারায়ে তাঁকে।


দেখেছি মা-এর সেই কর্ম ব্যস্ত দিন গুলি,

ক্লান্তি হীন, বিশ্রাম হীন দিন গুলি,

ছিলনা কোন অভিযোগের বুলি।

বিশ্রাম-কি নাই জানত বুঝি,

রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের ঝুঁকি।

রাতেও চলতো দাদু দিদার সেবা,

তথাপি শুনতে হতো কতো কটু কথা,

কর্মব্যস্ত হাত,মুখে থাকতো না কথা।


একান্নবর্তী পরিবার,মা ই একমাত্র শ্রমিক,

ছুটি নাই, বিশ্রাম হীন,মুখ বন্ধ শ্রমিক।

ছিলোনা কোন শখ আল্লাদ,

জানতেন না সিনেমা থিয়েটার কি,

কোন মেলা কখন কোথায় কি।


গোয়ালা যেদিন ছুটি নিত,

ভোর হতে না হতেই, গরু গুলি ঠিক বুঝত,

আজ গরুগুলির ভারী মজা,

পাবে আদর করে সবজি তাজা।

আজ কেউ পা বেঁধে দুইবে না দুধ,

কি মজা কি মজা মা দুইবেন দুধ।

গরুগুলির খুশির থাকতো না  অন্ত,

ভোর হতে না হতেই হাম্বা-হাম্বা ডাকে

গোয়াল মাতিয়ে দিত।


তাইতো কেবল আমি নই,

পশুগুলিও জানতো,

'মা মানে শুধুই ত্যাগ'

ত্যাগের প্রতিমূর্তিই  "মা"।

"মা" মানে অফুরন্ত আদর,

"মা" মানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আদর,

"মা" মানে অফুরন্ত সুখ,

"মা" মানে সকল আবদার,

"মা' মানে সেই শীতল আঁচল,

যেখানে জুড়ায় ব্যাথা সকল।


'জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী’।

হে জননী নিত্য দিন তোমারে নমি,

পূবাকাশে প্রভাতের স্নিগ্ধ কিরণ,

চির সত্য তোমার পুষ্পরাঙা চরণ।


মাতৃ সেবায় তুষ্টপিতা সকল দেব দেবী,

রোজ মাতৃ প্রনাম শ্রেষ্ঠ পূজা জানি।

    "মা"তো সংসারে সর্বজনীন,

      "মা" সর্বংসহ,বিশ্বজনীন।

"মা" চিন্ময়ী রূপে ঈশ্বর হইতেও শ্রেষ্ঠ,

"মা"এর আশীর্বাদ জীবন পথে সর্বশ্রেষ্ঠ পাথেয়।


"মা" নিজের সকল সত্তা দিয়ে বলিদান,

তিলে তিলে গড়ে তোলেন নুতন জীবন।

সৃষ্টির লীলা প্রকৃতির খেলা মাত্র,

সেথা পুরুষ সৃষ্টির অহংকার মাত্র।


মাতৃ ক্রোড় নিষ্কলঙ্ক শ্ৰেষ্ঠ মন্দির সম,

মন্ত্র তন্ত্র ত্যাগ তপস্যার আধার যেন।

ক্ষনিকের জীবনে শ্রেষ্ঠ মায়ের দান,

আজ মাতৃ দিবসে সকল জননী কে আমার অন্তরের প্রণাম।

  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

    11 May 2025:: সকাল10:30মি.

========================

20> ||   মা  ||

  দেব্যুপনিষদে পাই 

 ওঁ সর্বে বৈ দেবা দেবীমুপতস্থুঃ কাসি ত্বং মহাদেবীতি।----------

সকল দেবতা গণ দেবীর নিকট গিয়া তাঁহাকে জিজ্ঞাসা  করিলেন :---

আপনি কে  মহাদেবী ?

দেবী বলিলেন :-আমি ব্রহ্মস্বরূপা,

আমা হইতেই প্রকৃতিপুরুষাত্মক  জগৎ উৎপন্ন ; আমি শূন্য অশূন্য আনন্দ নিরানন্দ, বিজ্ঞান অবিজ্ঞান ;


আমিই ব্রহ্মা অব্রহ্মা।।

====================

            21>  || মা ||

      <---আদ্যনাথ--->


মা ভিন্ন কেউ নেই জগৎ মাঝে

মা-এর নির্দেশেই জগৎ নাচে,

মা-ই ভক্তি, মা-ই শান্তি, মা-ই শক্তি,

মা-এর আশীষ ভিন্ন নাই মুক্তি।


মা-ই সর্বশক্তির কার্যকারণ, 

মা-এর কোলেই চির মুক্তি,পরিত্রাণ,

মা-ই সকল শক্তির ধারক,বাহক, সৃষ্টি ও ধ্বংসের কারণ।

মাতৃ ইচ্ছাতেই বিশ্ব জগৎ সৃষ্টির কারণ।


মাতৃ বরাভয়ে জগতে শ্রেষ্ঠ মানব জনম,

মাতৃ বরদমুদ্রা জগৎ কল্যাণের কারণ।

মা-এর আশীষে দূর হয় মনের ক্লান্তি।

মা-ই সৃষ্টি,স্থিতি,লয়,ভাবনায় নাই কোন ভ্রান্তি।


মা-এর স্নেহ ও ভালোবাসা পরম আশ্রয় ও মুক্তির দিশা,

মা-এর স্নেহ ভিন্ন জীবন অর্থহীন,না পায় দিশা।

মা জগৎ জননী,দেব,মানব সকলের পূজ্য,

এই সম্পুর্ন সৃষ্টি মায়ের সন্তান তুল্য।


মা-এর উপস্থিতিতেই জীবন ধন্য হয়

শত কোটি  কষ্টও লাঘব হয়। 

মা রক্ষা করেন তাঁর সহস্র বাহু দিয়ে, 

মা ছাড়া নাই গতি এই সংসারে।


মা এর সৃষ্টি এই চরাচর জগৎ সংসার,

মেয়ের ক্রোধে  হয় জগৎ ছারখার।

মায়ের আশীষ ছাড়া জীবন অর্থহীন,

সমগ্র জগৎ সংসার মা এর অধীন।


মায়ের কোলেই জন্ম,

মায়ের কোলেই মরণ।

মাই সৃষ্টি, স্থিতি,লয়ের কারণ।

জগৎ সংসারে সকলেরকাম্য মায়ের চরণ।

  <-----আদ্য নাথ রায় চৌধুরী--->

              12/09/2025

=======================


   22>|| " মা " ||+हिंदी ।


               <---আদ্যনাথ -->

●1> মানুষের জীবন সুন্দর ও উন্নত হয় 

         তখনই যখন সন্তান নিজের গর্ভ

         ধারিণী মা এর সেবা যত্নে মন নিবেশ

          করে।

         মায়ের মনে কষ্ট দিয়ে কেউ পায়না

         সুন্দর জীবন।


●2> মায়ের মুখের একটু হাসি সন্তানের

         জীবনে শ্রেষ্ঠ আশীর্বাদ।

●3>কোন কারণে ভয় পেলে মায়ের

        কোলে লুকিয়ে থাকো কিছুক্ষন 

         সব ভয় দূরে যাবে তখন।

●4>মন খারাপ হলে নিজের মায়ের কাছে

        গিয়ে বল  সব দুঃখ ভয় পালিয়ে

        যাবে।

●5> মনে অশান্তি লাগলে  মায়ের আঁচলে

         খানিক্ষণ মুখ লুকিয়ে রাখ।

          মনে পূর্ন শান্তি অনুভব করবে।

●6>'মা' শুধু একটি শব্দ নয়,

       'মা'  অর্থ নিরাপত্তা, 'মা' অর্থ প্রাণভরা 

         ভালবাসা। 'মা' হলেন শান্তির 

         মহাসাগর।

         'মা' অর্থ সকল আপদ বিপদকে দূরে

          রাখা।

          'মা' অর্থ সর্বশক্তি মান দশভূজা,

           সকল অসুর, দেব, দানব কে শাষণে

           রাখা।

●7> 'মা' এর থেকে শক্তিমান কেউ নাই

         জগতে, মায়ের শক্তি বিস্তৃত জগতের

          সকল বস্তু, জড়, প্রাণীর অন্তরে।

 ●8>ভালবাসা ও একনিষ্ঠ প্রেমই পথ

        পৌছতে মায়ের স্নেহধন্য কোলে।

●9>'মা' আছেন যার সেই ধন্য এই জগৎ

         মাঝে।'মা' বিনা হতভাগা ভাগ্য হীনা।

●10>নিজের গর্ভ ধারিণী মা দেহ রাখলে

          জগৎ জননী "মা" কেই নিজের 'মা'

          রূপে গ্রহণ ও চিন্তন করতে হয়।

           কারণ 'মা' এর আশীষ ছাড়া জীবন

           থেমে যায়।

●11>যখন মা কাছে থাকেন না তখন

         মায়ের ফটোকেই প্রণাম ও পূঁজা

          করা উচিত।

 <------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

=======================

        || " मॉ " ||

  <----आद्यनाथ---->

●1>यदि आप अपना जीवन सुंदर और बेहतर

       बनाना चाहते हैं, तो अपनी गर्भवती माँ का

        ध्यान रखें, मा की सेवा करे।

●2. आपकी माँ के चेहरे पर एक छोटी सी

       मुस्कान आपके जीवन का सबसे बड़ा

      आशीर्वाद है l

●3. यदि आप किसी भी कारण से डरे हुए

       हैं, तो कुछ देर के लिए अपनी मां की गोद

       में छिप जाइए और आपका सारा डर दूर हो

         जाएगा।

●4. यदि आप परेशान हैं, तो अपनी माँ के पास

        जाइए और उनसे कहिए कि आपके सारे

        दुःख और भय दूर हो जायेंगे।

●5. अगर आपको बेचैनी महसूस हो रही हो,

        तो थोड़ी देर के लिए अपनी माँ की गोद में

       अपना चेहरा छिपा लीजिए। आपको मन

       में पूर्ण शांति का अनुभव होगा।

●6. माँ' सिर्फ़ एक शब्द नहीं है, 'माँ' का मतलब

       है सुरक्षा.

       'माँ' का अर्थ है जीवनदायी प्रेम। 'माँ' शांति

        का सागर है।

       'माँ का अर्थ है सभी खतरों को दूर रखना।।

        'माँ' का अर्थ है सर्वशक्तिमान, दश

         भुजाओं 'माँ' दुर्गा सभी दानवों, देवताओं

         और राक्षसों को नियंत्रण में रखने वाला ।

●7. जग में 'माँ' से अधिक शक्तिशाली कोई भी

       नहीं है, 'माँ' की शक्ति संसार के सभी           

       वस्तुओं, निर्जीवों और जीवों में फैली हुई

        है।

●8. प्रेम और समर्पण ही माँ की प्रेमपूर्ण गोद

         तक पहुँचने का एकमात्र रास्ता  हैं।

●9.जिसकी 'माँ' है, वह इस दुनिया में धन्य है।

       जिसके पास 'माँ' नहीं, वह दुर्भाग्यशाली,

        भाग्यहीन है।

●10. जब किसीका  'माँ' देहांत हो जाता है, तो 

        जगत जननी "माँ" ही अपनी 'माँ' के रूप

        में स्वीकार्य और पूजनीय होती है, क्योंकि

        माँ के आशीर्वाद के बिना जीवन रुक

        जाता है।

●11>जब मां आपके पास न हों तो मां की

         तस्वीर के ही प्रणाम ओर भक्तिसे पूजा

          करनी चाहिए।

  <---आद्यनाथ राय चौधरी--->

=======================


 







Comments

Popular posts from this blog

797> ভাগ্য লিপি ++ভালোবাসর কোন বিকল্প নাই, ।

724>||ভালোবাসা নয়তো অশ্লীল ||

721>|| एक कहानी सुनो ||