706>|| যোগ্যতা ||
706>|| যোগ্যতা ||
<--©-আদ্যনাথ-->
তিনি সুধাইলেন বারবার,
"কি যোগ্যতা আছে তোমার"।
আমি তৎকাল ভাবিয়া অস্থির,
তবুও করিতে পারিনা স্থির।
মন প্রাণ উভয় অস্থির,
উত্তর দিবারতরে অধির।
পাইনা পথ, কি দিব উত্তর
এমন প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
শেষে বুঝিলাম -------
এটাই বুঝি অসাধারণ প্রশ্নবান,
যোগ্যতার নাই সীমা নাই অন্তজ্ঞান।
তথাপি মানুষ কে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে,
নানা কারণে, নানা সময়ে,
জর্জরিত হতেহয় এহেন প্রশ্নবানে।
শব্দটি সামান্য অর্থও আছে ঠিক,
তথাপি পাওয়া যায়না সংজ্ঞা সঠিক।
অনেক অভিধান খুঁজে নিজে,
কিছু শব্দ পেইলাম অবশেষে।
অতি আগ্রহে সংগ্রহ হইল যেটুকু
লিখিলাম সাধ্যমত সবটুক।
যোগ্যতা,- যোগ্য হওয়া,- দক্ষতা,
কর্মক্ষমতা,-পটুতা,-কার্যকরতা,,
নৈপুণ্য,-জুত,- উপযুক্ততা,-উপযোগিতা,
সক্ষমতা, -ওস্তাদি,-কেরামত,-কেরামতি,
সদগুণ,-দোষগুণ,-বিচার,-ফলপ্রদতা।
অভীষ্টফলদান,-শক্তি,-সামর্থ্য,
বৈশিষ্ট্য,-বিধিনিষেধ, অপরিহার্য শর্ত।
প্রৌঢ়ি, পারকতা, গুণ, পরিবর্তন,
প্রয়োজনমাফিক পরিবর্তন।
অর্জন করা, মূল্য,দাবি করা,
প্রাসঙ্গিকতা,দাগী করা।
সম্পর্কযুক্ত অবস্থা,
অধিকারভুক্তি, অর্জন করা,
সপ্ত ত্রিংশৎ টি অর্থে খাইলাম হাবুডুবু
যোগ্যতার, মাপকাঠি পাইনি তবু ।
নিদর্শন সঠিক, তথাপি যোগ্যতা যে কি
বুঝতে পারাটাই মুশকিল অতি।
এই যোগ্যতার আছে যেটুকু বাহার,
সাজানো গোছানো কিছু অহংকার।
যাকে বলতে পরি কিছু অধিকার।
অধিকারভুক্তি কর্মক্ষমতার,
প্রয়োজন মাফিক পরিবর্তন দাবি করার অহংকারের দাবিদার।
প্রাপ্ত অধিকার,বড়ই কঠিন অস্বীকার করা,
হয়তো অস্বীকার অর্থে আত্মহত্যা করা।
প্রাণী মাত্রেই আছে নিজ অহংকারের দাবিদার।
ক্ষুদ্রকিট কিম্বা মানুষ সকলেরই আছে অহংকার।
কেউ প্রকাশ করে বীরত্বের সাথে,
কেউ করে বিনয় ও নম্রতার সাথে।
বিনয়,নম্রতা, সেও প্রকারান্তরে সুপ্ত অহংকার
মাত্র,
মনুষ্য মণ সদা যোগ্যতার ইচ্ছাধীন আবরণে বিদ্যমান মাত্র।
তাইতো,যদি যোগ্যতার নিরিখে অকৃতকার্য হই
মনে সেই অকৃতকার্যতা স্বীকার করিয়া লই।
এ অতি সত্য,সকল প্রশ্ন আমাদের কষ্ট দেয়না ,
আবার আনন্দ ও দেয়না।
জীবনের প্রতি পদেই পরীক্ষা।
প্রতি দিনের পরীক্ষায়,
যে যতটা ভালো ফল করবে,
সে ততটাই যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
যোগ্যতা অর্জনের কি উপায়,
যোগ্যতা অর্জনের মুলে কিছু সুযোগ সুবিধা,
সেই হয় যোগ্য,যে যত পায় সুযোগ, সুবিধা l
আর সুযোগ, সুবিধা ব্যতিরেকে
কীকরে যোগ্য করে তুলবে নিজেকে l
যোগ্যতার কারণেই হোক বা শিক্ষার কারণ,
অকৃতকার্য হলে দোষারোপ করি,
ঈশ্বরেরকে, ভাগ্য খারাপ চিন্তা করি।
একটি কথা প্রচলিত আছে--
প্রেমিক হতে হয়তো লাগে না যোগ্যতা
কিন্তু স্বামী হতে হলে লাগে যোগ্যতা l
অর্থাৎ প্রেমিক যেকেউ হতে পারে,
কিন্তু স্বামী হতে হলে যোগ্যতা লাগতে পারে।
সংসার করতেও যোগ্যতার প্রয়োজন,
প্রতিটি যোগ্যতার রূপ,রস,প্রকৃতি ভিন্ন আয়োজন।
যোগ্যতা নিজে থেকেই করতে হয় অর্জন,
অবস্থা ও প্রয়োজন বোধে যোগ্যতার পরিবর্তন।
যোগ্যতা কর্ম কুশলতার অঙ্গ,
সমাজ করে যোগ্যতার সম্মান ।
যোগ্যতা বিহনে মূল্যহীন জীবন,
আদর আবদার যাইবলো
যোগ্যতা ও কর্ম কুশলতাই মান্য।
মানুষকে নিজের মতন
অন্যকে ভালবাসতে হয়।
ভালোবাসার কাছে যোগ্যতা অর্থ হিন,
ভালোবাসা হিন যোগ্যতা কর্ম কুশলতা
সকালি মুল্য হিন।
যদিও ভালোবাসতেও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়,
ভালোবাসার যোগ্যতা ও কর্ম যোগ্যতার এক নয়।
ভালোবাসতে পারাই শ্রেষ্ঠ যোগ্যতা।
সে কর্মে ই হোক বা ধর্মে,
মানুষ হয়ে মানুষে ভালবাসা,
সর্ব শ্রেষ্ঠ কর্ম কুশলতা ও শ্রেষ্ঠ যোগ্যতা ।
আজ জে রাজা কাল সে ফকীর,
প্রকৃতি জেন নিজেই অস্থির।
পৃথিবী চলমান কিছুই নাই স্থির
প্রত্যেক কর্মের কর্ম ফল নিশ্চিত।
কর্ম, কর্ম ফল,কর্ম কুশলতা,
সকলই যোগ্যতার অধিন।
অতঃ না থাকুক সংজ্ঞা,
বাস্তবে নয়তো অর্থ হীন।
যোগ্যতা অর্জনই সমীচীন।
যোগ্যতার ব্যাখা হয়তো ঊহ্য,
জীবনের কর্মই যোগ্যতার সাক্ষ্য।
<--©-আদ্যনাথ-->
【--anrc10/09/2019--】
【=রাত্রি:01:08:22=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
==========================
Comments
Post a Comment